পেনশন উত্তোলন
— আর — পিয়ন টাকা ছাড়া ফাইলের কাউন্টার সিগনেচার করে নাহ,তাদের জন্য প্রতিটি শিক্ষক হয়রানির শিকার হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
— আর — পিয়ন টাকা ছাড়া ফাইলের কাউন্টার সিগনেচার করে নাহ,তাদের জন্য প্রতিটি শিক্ষক হয়রানির শিকার হয়
মাসিক খরচ নাম করে টাকা দাবি করা
তেজগাঁও ভুমি অফিস, আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ এর পাশে অবস্থিত, সেখানে কর্মরত কর্মচারী — জমা খারিজ করে আমার পিতার খরিদা সম্পত্তি আমাদের নামে করে দিবে তার জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চেয়েছ,না দিলে সে কাজ করবে না বা বলেছে তার স্যার ফাইল আটকে রাখবে বিভিন্ন অযুহাতে, নিজে জমা খারিজ এর আবেদন করা যায় না কারণ বিভিন্ন তথ্য চায় যা সহজে বোধগম্য নয় আমাদের জন্য। ভূমি থাকা একপ্রকার অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে সাধারণ জনগণের জন্য, না থাকলে বেওয়ারিশ এর মত ভাড়াটিয়া হিসেবে সারাজীবন কাটিয়ে দিতে হবে,দুনিয়ায় মানসিক শান্তির জন্য মাথা গোজার ঠাই দরকার তাতেও অসাধু কর্মচারীদের কারণে বিষিয়ে উঠেছে জীবনটা।
পরিবেশ লাইসেন্স অবস্থানগত সাটিফিকেট থেকে পরিবেশ চারপত্রের জন্য নবায়ন জন্য। অন্যথায় মামলা দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
আমার দাদার কাছ থেকে আরএস দাগ ৩২৪ এ জমি কিনেছে! বৈধ দলিল আছে। জমি আমাদের দখলে খারিজ করতে গিয়ে দেখি জমি কম যার কারনে খারিজ আবেদন করতেছি। যদি ভুমি কমিশনার —কে টাকা দেই আমার নামে রেকর্ড দিবে। আমি টাকা দেই নাই তাই দিবে না। একই জমি একই কপি দিয়ে টাকার বিবিময়ে আমার চাচারা বিডিএস রেকর্ড করাইয়া ফেলছে। — :০১৮৮১৫১০৭৯৫। আমাকে কল করবেন। মৌজা দংখিন পানিশাইল।
বদলির তদবির করতে গেলে বলা হয় দুই লাখ টাকা লাগবে বদলির উদ্দেশ্যে।
পলিটেকনিক গুলোর ডিপ্লোমা অষ্টম পর্বে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ে বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি গুলোতে ট্রেনিংয়ে আসার জন্য যখন শিক্ষকদের থেকে অনুমতি চাওয়া হয় শিক্ষকরা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাথাপিছু বাবদ একটা ঘুষ দাবি করে প্রতিষ্ঠানগুলো এটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে সেখানে কোন শিক্ষার্থীদেরকে পাঠায় না এইভাবে শিক্ষার্থীদের এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কোমর ভেঙ্গে দিচ্ছে এই অসাধু পলিটেকনিক এর শিক্ষকগুলা।।
25000/-টাকা দিলে কাজে সাহায্য করবে। তা না হলে ভূমি অফিস তপশিলির অফিস এবং সকল কাগজ পত্র দেওয়া এবং দৌড়ানো নানা হয়রানি শিকার হতে হয়
জমির খতিয়ান সংক্রান্ত কাজ। সরকারি ফি এর বাহিরে ৮০০০ টাকা দাবি করেন। আমি পরবর্তীতে জানাবো বলে চলে এসেছি।
আমি ভূমি সংক্রান্ত মিসকেসের জন্য আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেলে গেলে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত মিসকেস সহকারী — আমার কাগজপত্র ঠিকভাবে যাচাই বাছাই না করে ২ মাসের মধ্যে শর্টে মিসকেসের রায় পাইয়ে দিবে কিন্তু এর জন্য ১ এক লাখ টাকা দাবি করেন, উনার এবং অফিস খরচ বাবদ , মৌজা কোন্ডা
পে-অর্ডারের ফেরত বাবদ
দ্রুত সব করে দেবার জন্য লাইসেন্স শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কর্মচারী নিজেদের মিষ্টি খাওয়ার জন্য, ম্যাজিস্ট্রেট স্যারদের জন্য ও এলআর ফান্ডের জন্য দুই লক্ষ টাকা চেয়েছে।
এনজিও কার্যক্রম এর তদন্ত রিপোর্ট ডিসি অফিস থেকে ইউএনও অফিসে দিয়েছে। তিনি তদন্ত করে রিপোর্ট দিবে জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। এবং সরাসরি টাকা চেয়েছে।
ভ্যাটের প্রিভেন্টিভ দিয়ে ভুল জাজমেন্ট উপস্থাপন করে এই টাকা ঘুষ দাবি করেছে। এই টাকা দিলে তারা আমাদের কাছ থেকে যে ডকুমেন্ট নিয়েছে সবকিছু দিয়ে দিবে। তা না হলে মিথ্যা মামলা দিবে।
আমার বাবা মা দুজন মিলে একটি সম্পত্তির ক্রয় করে। সেখান থেকে কিছু অংশ বিক্রি হয় কিছু অংশ আমার বোনকে হেবা করে দেওয়া হয় (মায়ের অংশ থেকে পাঁচ শতাংশ এবং বাবার জিবিত থাকতে ওনার অংশ থেকে এক শতাংশ)। বর্তমানে আমার বাবা নেই মারা গেছে না। এখন বাবার অবশিষ্ট অংশ পরে সূত্রে আমরা ভাই-বোন মা পাই। অবশিষ্ট মায়ের অংশ এবং বাবার অংশ আমার বোন সহ আমার নামে হেবা করে দিছে। এখন নামজারি করতে গেলে বলা হচ্ছে আমার বাবার অংশের এত জমি নেই কিন্তু মায়ের অংশে জমি বেশি দেখাচ্ছে তারপর আমি আমার বাবা-মায়ের যৌথ দলিলে আমার বোনকে হেবা করে দেওয়া জমির দলিলের কপি যখন দেখাই তখন বলে এটা ভুল হয়েছে এটা ঠিক করতে ৪০ হাজার টাকা লাগবে। এখন আমি কি করতে পারি?
আমার স্যারের আয়কর ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে,, তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষে রিপোর্ট দেওয়ায় জন্য উক্ত অর্থ দাবি করে।।।
২০,০০০/- হাজার টাকা ঘুষ না দিলে বিল্ডিং এর হোল্ডিং ট্যাক্স বেশি করে ধরবে।
প্রতি বছরই ফায়ার লাইসেন্স করি যার জন্য ফি সহ ৫০০০ টাকা পরিশোধ করি। গত দুই বছর থেকে লাইসেন্স করতে গেলে অনেক ঘুরাঘুরি করে। অনেক হাইকোর্ট দেখায়। পরবর্তীতে বছর আগের বকেয়া সহ ২০০০০ টাকা পরিশোধ করা ছাড়া লাইসেন্স দিবে না। বাধ্যগতভাবে দিতে হয়। কারন ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করলে সরকারি অনেক লাইসেন্স রিনিউ করা যায় না। চলতি বছর ৮০০০০ টাকা চায়, নয়ত ৫-৭ লাখ টাকার ফায়ার সেফটি ক্রয় করতে হবে। বর্তমানে ব্যবসার যে পরিস্থিতি আমি কোনভাবেই এই টাকা দিতে পারব না। এক্ষেত্রে ঘুষের রেইট ১০ হাজার হলে আমি রাজি আছি।
একটা মসজিদ এর উন্নয়ন এর জন্য অনুদান এবং গণকবরস্থান বাঁধানোর জন্য অনুদান বরাদ্দ করার জন্য মোট ১২০০০০/- দাবি করেছে। আমি দেইনি । স্থগিত আছে ।
এটা ঘুষ না শিক্ষাক দের বরাদ্দ থেকে টাকা কেটে রাখে প্রতি মিটিং প্রতি ৩০০ টা গড় শিক্ষক অনুযায়ী