নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম বন্দরে বিল তুলতে গেলে একাউন্স অফিসারদের ঘুষ দিতে হয় শতকরা হারে। প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে। সর্বমোট ৬জন অফিসার আছে। সবাইকেই দিতে হয়। না হয় বিল তোলা সম্ভব না। যতবার ফাইল যাবে ততবারই ঘুষ দিতে হবে।
বাংলাদেশে চলছে BDS জরিপ। আমাদের এলাকায়ও চলছে। কিন্তু যারা জরিপ করে তারা প্রতিটি ভূমি মালিক হতে বিভিন্ন সমস্যা দেখানোর মাধ্যমে অনেক টাকা ঘুষ নিচ্ছে। 'ঘুষ না দিলে জরিপ করবে না' এই ভয় দেখাচ্ছে। আমাদের জমির কেনা দাম ৪০০০০ হাজার। আমার জানা মতে কোনো ভেজাল নাই। কিন্তু জরিপ করারা জন্যে ৫০০০০ টাকা ঘুষ না দিলে নাকি জরিপ হবে না।
খুলনায় আমাদের হাউজিং এর যৌথ জমি আছে। সেটার বিভাজন করার জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত অফিসের লোকরা ১০ লাখ টাকা দাবি করছে। যেটা করতে মূলত ঢাকা খুলনা অফিস মিলিয়ে ২লাখ টাকা লাগে সরকারি ফি সহ। কিন্তু তারা দাবি করতিছে ১০লাখ। একজন সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী। আমরা এটা নিয়ে অনেক দেনদরবার করতেছি। এজন্য আমরা বাড়ির প্লান পাশ করতে পারছি না। আর বাড়ি করতে পারছি না। দোয়া করবেন। দেখা যাক কি হয়।
আমি একজন প্রথম শ্রেনীর ঠিকাদার। সাভার আমিন বাজার আমি ২ টা রোডের কাজ করেছি। ১.৫ বছর হয়েছে, সেখানে একজন বি এন পি এর নেতা ( সে একজন ঠিকাদার) আমাকে মারার হুমকি দিয়েছে। মুলত সে কাজ টা করতে চেয়েছিলো। কিন্তু E-GP টেন্ডার সে পাই নাই। আমি কাজ পেয়েছি। এর কারনে সে আমাকে রাস্তার কাজে বিভিন্ন ভাবে কাজ করতে বাধা দিয়েছে। অবশেষে সে আমাকে মারার হুমকি দিয়েছে। আমার একটা রাস্তার কাজ এর শেষের ঢালাই এর দিন আমার কাছ থেকে ৬৫০০০.০০ টাকা নিয়েছে। আমার পুরু কাজের জন্য আনুমানিক ৫০০০০০.০০ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এখন LGED office (সাভার উপজেলা) বলছে সম্পূর্ণ কাজ শেষ না করলে আমার বিল দিবে না। আবার বিল প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে ঘোষ দিতে হবে। বলে রাখা ভালো আমি এর আগে একটা বিল নিয়েছি। প্রত্যক বিলে ৫% করে টাকা দিতে হয়।
রায় হয়েছে , সে রায় নিন্ম আদালতে পাঠাতে ।
সরাসরি চাওয়া হয়েছে। নতুন লাইনের জন্য।
রপ্তানি করার জন্য ERC Certificate প্রয়োজন। সব ডকুমেন্ট সাবমিট করার পরও একের পর এক একটা ভুল ধরে রিজেক্ট দিচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কোন কোন উপন্যাস সব ডকুমেন্ট আছে। মোট কত হচ্ছে ওই টাকা দিয়ে করায় নাই সেজন্য বারবার ঘুরাচ্ছে
Auditors at the SFC (Navy) office are demanding a 10% bribe (100 BDT per thousand) to pass official TA/DA bills for Navy personnel. If we refuse to pay, they block our files for months using fake queries and technical faults. This open corruption against defense personnel must be investigated immediately."
Document all okey now need money to proceed
সার্ভেয়ার — এর বিরুদ্ধে। যত ফাইল ভূমি অধিগ্রহণ এর সব কাজ তার কাছে। আমার প্রশ্ন আর সার্ভেয়ার কি নাই। সে শুধু গুড়ায়। আজ না কাল করে। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা — তিনিও —কে কিছুই বলেন না। আমার কাজটি ২০২৩ সাল ধরে ময়মনসিংহ ভূমি অফিসে এদিক সেদিক গুড়ছে।
মিসমামলার আদেশ দিচ্ছে না, টাকার জন্য
জমির শ্রেণী পরিবর্তন বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য উপজেলা ভূমি অফিস হতে নথি তহশিল অফিসে গেলে সেখান হতে তহশিলদার সরজমিনে গিয়ে দেখে শুনে এরপর ঘুষ দাবী করে।
এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স দিয়ে পণ্য খালাসে কাস্টমস হাউসের সকল বিভাগ কে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে- যেমন কুরিয়ার ইউনিটে ডেলিভারি গেইট এসটি/ সিএফও এসেসমেন্ট টিম সকল, এসি —- এসি —, এসি —, ও সিপাই গুলো কোটি কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যে লিপ্ত। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে জন্য রাষ্ট্র রাজস্ব আহরণে বর্থ হচ্ছে এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স ১,- পলাশ এন্ড কোং ২,এম/ এস খান এন্ড কোং ৩,ইউনিভার্সেল এক্সপ্রেস এজেন্সী ৪,এম/এস এস বি খান। দিয়ে ঘুষ বানিজ্য হয় এবং সেই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স গুলো দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য, সরকার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করেছে। তার পরেও সরাসরি গিয়ে দেখা করে ব্যবসা ভেদে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ,তাঁহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন ভুল ধরার চেষ্টা করে। যদি কিছু নাও পায়, তখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কত স্কারফিট আছে সেইটা মাপামাপি করে। যদি বাথরুমের কার্নিশ বাদ যার, তার জন্য বাড়ি ভাড়া ট্যাক্স ফকির মামলা দিবে। ঢাকাতে যত কাস্টমস অফিস আছে, ১-১৫ তারিখে গেলে বুঝা যায়। কি পরিমাণ ঘুষ খাচ্ছে তারা।
একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য ফাইল জমা করা হয়। লাইসেন্স শাখার জনৈক কর্মকর্তা ফাইল উপরে তোলার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ফাইলটি ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবেদন পত্রটি এখনো কর্তৃপক্ষের টেবিলে যায়নি তিন মাস হল। তিনি আমার প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।
May allah help them.
হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়, টাকা দিলে ইনভিসিবল বাধা কমে যাবে বলছে।
অত্র ফরিদপুর জেলা পুলিশ কর্মরত কনস্টেবল/—, পূর্বের এসপির বডিগার্ড সে লক্ষ লক্ষ টাকা টি এ বিল করে আত্মসাৎ করেছে। এই টি এ বিলের অধিকার সকল অফিসার ও ফোর্সের রয়েছে। সে কেনো একা এই টি এ বিল নিবে। পূর্বের এসপি কোনো টি এ বিল দেয়নি। অথচ তিনি প্রতিমাসে ১ লক্ষ টাকা টি এ বিল নিয়েছে। এর তদন্ত হয়ে তাকে কঠোর শাস্তির মুখে আনতে হবে।
Taka cheyechiko directly
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি মিউটেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ নিয়ে খারিজ এর জন্য গেলে তহসিলদার এর দালাল এই টাকা দাবি করে। তহসিলদার ওই দালান এর সাথে কথা বলতে বলে। এই খারিজ ছাড়া জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না।