নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সিটি মিউটেশন এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজ নিয়ে খারিজ এর জন্য গেলে তহসিলদার এর দালাল এই টাকা দাবি করে। তহসিলদার ওই দালান এর সাথে কথা বলতে বলে। এই খারিজ ছাড়া জমির খাজনা দেওয়া যাচ্ছে না।
নাঙ্গলকোট উপজেলা অফিসের — অফিস সহায়ক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একজন অফিস সহকারী চাকরির স্থায়ীকরণের অফিস আদেশের জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।
একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য ফাইল জমা করা হয়। লাইসেন্স শাখার জনৈক কর্মকর্তা ফাইল উপরে তোলার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ফাইলটি ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবেদন পত্রটি এখনো কর্তৃপক্ষের টেবিলে যায়নি তিন মাস হল। তিনি আমার প্রতিনিধিকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।
তিনি আমার থেকে টাকা দাবি করেছেন
Taka cheyechiko directly
সিকেডি গাড়ির টাইপ এপ্রুভাল এর জন্য ৪৫০০০০ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু ৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করায় তারা ক্ষেপে যায় আরও বাকি টাকা না দিলে ভবিষ্যতের কাজ থামিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
কিছুন দিন আগে আমাদের দের শতাংশ জমি দলিল করতে গেলে ৩৮৫০০ টাকা ডিমান্ড করে ভুমি অফিসের করকরতা এত টাকা কিসের লাগে প্রশন করতে বলে স্যারে অনুমোদন ছাড়া ত কিছু হবে তার জন্য লাগবে, পরে বলাম কেনো সরকার কি টাকা দেয় নাহ, অনেক কথা লাস্ট বলেন ৩ মাস পরে আসে কিছু কমে করতে পারবেন স্যার চলে গেলে
Tk sara kno official kaj korte chay na.. joining theka retairment all time tk hay ..ROSHID shaheb, account hesabe ase..chor sala akta,store kipper o , medicine o mere day
আমি মিরপুর 2 থেকে একটা ইউজ বাইক কিনছি।।। তারা বিটিআরএ এর একজনের nb দিচ্ছে ।। তাকে এসএমএস দিয়ে জানতে চাইলাম কত টাকা লাগবে ।। বললো ১০ হাজার।। বললাম কম নিতে ।। বললো হবে না
সেল পারমিশন এর জন্য এস্টেট শাখায় ঘুষ নেয়া হয়। ঘুষ না দিলে তারা বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। বিভিন্ন অজুহাতে করে আর বছরের পর বছর ফাইল ফেলে রাখে। বছর যত বাড়বে, অফিসার এর চাহিদা আরও বাড়বে। রাজউকের এস্টেট শাখা একটা ভয়ঙ্কর জায়গা। সবাই এখানে দুর্নীতিগ্রস্ত। মানুষ কে কষ্ট দিয়ে টাকা নায়
পাসপোর্ট করার ভেরিফিকেশনে শেরপুর পুলিশ সুপারের অফিসে ভিতর গিয়ে কম্পিউটার অপারেটর মনে হয়। নাকি পুলিশই ঠিক যানি না। সে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয় পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেয়নের জন্য।
আমার প্রশ্ন হলো ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দেয়ার পরও কেন দুর্যোগে মানুষের দ্বারে হাত পাততে হয়...??? বছরে ১/২ বার এর বেশি কি দুর্যোগ হয়...?? অথচ স্টাফরা মহিলাদের প্যাড পর্যন্ত নিয়ে বাসা ভর্তি করে রাখে। ২ বছরের চাকুরিতে বাড়ি গাড়ি করে ফেলেন একজন সামান্য কর্মচারী... আশা করি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন... ধন্যবাদ
আমার কোটে মামলা চলমান কোট থেকে অর্ডার হচ্ছে কাজ বন্ধ রাখা আমি পুলিশ আনলে ডাক দিয়ে চলে যায় পরে প্রতিপক্ষ আবার কাজ করে এতে বুজা যায় প্রতিপক্ষের নিকট থেকে পুলিশ টাকা খাইছে আমি টাকা দি নাই
আমার একটা মৃত্যু সনদের জন্য যায়, নাজেম উদ্দিন কাছে, ওনার কথা মতো একটা ডকুমেন্টস দিতে না পারায়, আমার থেকে ঘুস হিসেবে ৩০০০০ হাজার টাকা চেয়ে বসে। আমি মৃত্যু সনদ লাগবেনা বলে চলে আসি।
pension er jonni ghus cheye chilo
সাম বাটোরা দলিলের ফি সচিব মহোদয় বললেন ৫০০০ টাকার বেশি নয় কিন্তু ভেন্ডার রা ৩০০০০ টাকা দাবী করেন। যেখানে দলিল ক্যালকুলেটরে দেখানো হয় ২৩০০ টাকা।বাকি টাকা ঘোষের পর্যায়ে পড়ে যা দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকেন।
জমির নামখারিজ করানোর জন্য উপরোক্ত টাকা চাচ্ছে।
সরকারি অফিস আরেক সরকারি অফিসকে ঘুষ প্রদানের অর্থ ঘুষ নিয়ে অ্যারেঞ্জ করতেছে
আমার মায়ের নামে নিজস্ব একটা জমি আছে। জমির আমি নামজারি করেছি। যখন আমি খাজনা দিতে গিয়েছি দেখতে পাচ্ছি আমার যে খতিয়ান নাম্বার এসেছে ওই খতিয়ান নাম্বারে আর একজন খাজনা দিয়ে গেছে। অতঃপর আমাকে বলল আপনার যে খতিয়ান নম্বরটি পড়েছে তা ডুপ্লিকেট। এটাকে পরিবর্তন করতে হবে। যখনই পরিবর্তনের জন্য এপ্লাই করি। আমার কাজ হচ্ছিল না। গত দুই বছর যাবত আমি এপ্লাই করে রাখছি এখনো সমাধান পাইনি। অতঃপর নতুন এক ব্যক্তি এখানে দায়িত্বে এসেছে যিনি আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমি রাজি হয়েছি তিন হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছি কাজ শেষ হলে আমি ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করব।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মরফলোজি বিভাগ গুলি কর্তৃক প্রতি বছর যে ইস্টিমেট করা হয় প্রকৃত খরছ এর ৩০% এর বেশী নয়। বোর্ডের নির্ধারিত রেট সিডিউল থাকার পরও তারা ঘুষ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত আলাদা আরেকটা রেট সিডিউল অনুমোদন করে নিয়েছে এবং ঐ সিডিউল মত ইস্টিমেট করে। তাছাড়া কিছু কিছু কাজে ৫০ এর পরিবর্তে দুই থেকে তিনগুণ পরিমান ধরে ইস্টিমেট করে। আগে যেমন নদীতে ব্লক বা বস্তা ফেলার ভূয় হিসাব দিয়ে বিল করতো। এখানকার টেন্ডারে যে কোন লেস গ্রহন করা হলে ২৫% থেকে ৩০% টাকায় একাজ গুলি করা সম্ভব। তাছাড়া এসকল অফিসের ঠিকাদার কোন কাজ করে না। দপ্তর সমূহের সার্ভেয়ার ও শাখা অফিসারগণ নিজেরা ঘরে বসে পুরাতন বই দেখে বই বানাই সাবমিট করে। এর জন্য তারা ফিন্ড খরচের কথা বলে ৪০% থেকে ৪৫% টাকা ঠিকাদারের নিকট হতে নেয়। বাকী ৫৫% থেকে ৬০