নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর লক্ষীপুরের অফিস-কাম কম্পিউটার অপারেটর নাসিম, আমার একটা এপ্লিকেশন TO স্যার কে ফরওয়ার্ড করতে ২০০০ টাকা চাইছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মরফলোজি বিভাগ গুলি কর্তৃক প্রতি বছর যে ইস্টিমেট করা হয় প্রকৃত খরছ এর ৩০% এর বেশী নয়। বোর্ডের নির্ধারিত রেট সিডিউল থাকার পরও তারা ঘুষ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত আলাদা আরেকটা রেট সিডিউল অনুমোদন করে নিয়েছে এবং ঐ সিডিউল মত ইস্টিমেট করে। তাছাড়া কিছু কিছু কাজে ৫০ এর পরিবর্তে দুই থেকে তিনগুণ পরিমান ধরে ইস্টিমেট করে। আগে যেমন নদীতে ব্লক বা বস্তা ফেলার ভূয় হিসাব দিয়ে বিল করতো। এখানকার টেন্ডারে যে কোন লেস গ্রহন করা হলে ২৫% থেকে ৩০% টাকায় একাজ গুলি করা সম্ভব। তাছাড়া এসকল অফিসের ঠিকাদার কোন কাজ করে না। দপ্তর সমূহের সার্ভেয়ার ও শাখা অফিসারগণ নিজেরা ঘরে বসে পুরাতন বই দেখে বই বানাই সাবমিট করে। এর জন্য তারা ফিন্ড খরচের কথা বলে ৪০% থেকে ৪৫% টাকা ঠিকাদারের নিকট হতে নেয়। বাকী ৫৫% থেকে ৬০
দিঘলিয়া ভূমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে অহেতুক ফল্ট দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিলে সব কাগজ নাকি ওকে!
৬ নং মাগুরাঘোনা ইউনিয়নে সরকার কর্তৃক বরাদ্দ আসে, আমাকে সেখান থেকে ১ লক্ষ টাকার ইটের রাস্তার কাজ বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দ দেওয়া ২/৩ মাস হয়ে গেছে কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ২৫ হাজার টাকা দাবি করছে। আমারা ৫/৭ জন মেম্বার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেছি যার ফলে এখনো আমরা আমাদের কাজ করতে পারতেছি না।
লাইসেন্স এর জন্য ১৪০০০ চাইলো, আগে ২০০০, এরপর পরীক্ষার দিন বাকি ১২০০০।
Bond licences renewal
বেতন কাঠামো সঠিক করন
ঝিকরগাছার গ্রামীণ ব্যাংকের এরিয়া ম্যানেজার — ঘুষ চায় বদলীর জন্য
প্রশংসাপত্র নিতে ৩০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হরিহর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দেওয়ার জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশংসাপত্র সংগ্রহের সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ টাকা কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে এবং এর জন্য সরকারি বা বিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো নির্ধারিত ফি রয়েছে কি না—তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, কোনো ফি নেওয়া হলে তার কারণ, নির্ধারিত পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত। একই সঙ্গে টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে যথাযথ রসিদ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপ
।। they askrs for additiobal bdt 6000 besides gov. Expence.
ঠাকুরগাঁও এ মাগির বেটা গুলা, এত ঘুষ খায় - ঘুষ ছাড়া ১ টা লাইসেন্স হয় না , ওর মা বোন ভাড়া খাটা টাকা গুলা খাক,,, আমাগো না খায়!
গামে ভুমি অফিস তহশিলদার কাগজ দেখিয়ে চায় বেশি, ঘুষ দিয়ে কম টাকায় কাজ হয়ে যায় এবং অসি্ননট কিভাবে মেনে নেয়। সরকারি কাগজে জমির খাজনা ৪০,০০০ টাকা তহশিলদারকে ৩০,০০০ টাকা দেন। সে অাপনাকে ৷ ৫,০০০ টাকার খাজনার রশিদ ধরিয়ে দিবে। কিভাবে সম্ভব???? তহশিল অফিসে কি হয়???????? মএী সাহেবকে বলেন, খবর নিতে। খুঁজে বের করেন। এটা বন্ধ করেন।সব বনধ হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।
আমার মাধ্যমিক(২০২২) সমমানের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি টাকা আদায় করতে গিয়েছিলাম যেটা উচ্চ মাধ্যমিক এর ২ বছরে পাবার কথা।এখনও ১ টাকাও পাইনি।সব কাগজপত্র উচ্চ মাধ্যমিক এর প্রথম বর্ষে ঠিক সময়ে সঠিক তথ্যে জমা দেওয়া ছিল।আজ পর্যন্ত টাকা পাইনি।ওইখানে একজন ভদ্রলোক বলেছিল সরকার টাকা দিয়ে দিবে। পেলাম না টাকা। কেও যদি পারেন আমার মতন আরও ১০ টা ছেলের টাকা আটকায় আছে আমি চিনি।চিনি না এমন অহরহ তো আছেই।কি উদ্যোগ জানি না তবে টাকা পেলে উপকার হয় নাতো আমি তাদের মাফ করে দিলাম।আমার সামান্য টাকার জন্যে তাদের স্বর্গে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করলাম না আর। আগায় যাক আমার দেশ।
শিক্ষকদের নতুন বেতন, প্রত্যয়ন পত্র, বেতন বিবরণী, সার্ভিস বুক লিখন, চাকুরী স্থায়ীকরণ, বিভিন্ন বিল, শিক্ষা অফিসে যত ধরনের সেবা দেয়া হয় সবগুলোতেই, জন প্রতি ১০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা, বড় বিল হলে ১০% পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না
Negotiate with our consultant.
আমাদের ১০০% এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরি পরিবেশ অধিদপ্তর লাইসেন্স সাথে জেনারেটর লাইসেন্স নবায়ন বাবদ ১০০০০০ টাকা দাবি করেছে, হতভম্ব আমি অফিসে জানালে কি করা হবে এখনো জানায়নি, কোম্পানির ব্যবসার অবস্থা ভালো না
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের লাইসেন্স শাখায় আমার Freight Forwarding লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান যে, গত দুই মেয়াদে লাইসেন্স নবায়ন না করায় আমার কাছ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারা স্পষ্টভাবে বলেন, এই টাকা না দিলে আমার লাইসেন্স নবায়নের কাজ তারা করবেন না। পরবর্তীতে আলোচনার পর তারা ৪,৫০,০০০ টাকা চূড়ান্তভাবে দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকা দিলে তারা আমার লাইসেন্স নবায়ন করবেন না। আমি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে চাই এবং অনুরোধ করছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
কক্সবাজার জেলা বিডিএস জরিপ হচ্ছে, কাগজপত্র দেখার তালবাহনা করে — ও — দুই জন মিলে টাকার কথা উল্লেখ করে,প্রথমে ৫০,০০০ বললে পরে ৫ হাজার এ আমারটা রফাদফা হয় কিন্ত আরেকজন থেকে মোটা অংকের ঘুষ নেয় প্রায় ১ লক্ষ টাকা।
কিশোরগঞ্জে পৌরসভার এক্সেন একজন কর্মকর্তার কাছে একটি ৬ তলা বাড়ি নির্মানের জন্য অনুমতি চাইতে গেলে উনি ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন। এর আগে উনার সহকারী ইঞ্জিনিয়ার — সাথে কথা বললে উনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। যাবতীয় ডিজাইন ও কাগজপত্র জমা দিয়ে ৬০ হাজার টাকায় কোন ঝামেলা ছাড়াই অনুমোদন পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন এক্সেন রফিক সাহেব। অভিযোগ আছে তাদের মাধ্যমে কাজ না করালে বাড়ি নির্মানের আনেদন বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। বিভিন্ন ইস্যু দেখিয়ে পৌরসভার মিটিংয়ে সেসব নথিপত্র সাবমিট করেন না।
দুর্নীতি দমন কমিশনে আমার নামে পারিবারিক জমাজমির কলহে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেন অজ্ঞাত ব্যক্তি! আমার কোন সম্পদ না থাকা সত্ত্বেও ঘুষ দাবী করেন দুদক। না দিলে হয়রানি করবে! আমার নিকট টাকা নেই, কিভাবে পরিশোধ করবো।