নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এসএসসি পাশের পর বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র চেয়েচিলাম ৫০০ টাকা চেয়েছে য়ার কোনো আইনত ভিত্তি নেই।কারণ শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেগ ফরম ফিলাপের সময় সমস্ত ফি নিয়ে নেওয়া হয়।কিন্তু বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবেই মানুষের উপর জুলুম করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাটি গত বছরের । ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে নিজ নামে নামজারী করে নেন। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একখানা অভিযোগ দায়ের হলেও আজ পর্যন্ত তার কোন সুরাহা হয়নি।
অফিসে গেলে বেশি টাকা দাবি করে
একটা জিডি করতে গেছিলাম মুক্তাগাছা থানায়,যে জিডি লিখলো সেও ঘুষ চাইলো,পরে পুলিশ এর oc যে এস আই কে দায়িত্ব দিলো সেপ্রথমে আমাকে ঝাড়ি মেরে বুঝালো আমার ই দোষ,কারণ সে নাকি পারসোনালি ওই লোককে চেনে যার বরুদ্ধে জিডি করেছিলাম,কিছুক্ষন পর আমার কাছে এসে টাকা চাইলো গোপনে,কিছু দিয়েছি আর কিছু দিতে পারিনি
এপ্লিকেশন জমা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম তাড়াতাড়ি কাজ সমাধান করে দেয়ার জন্য ঘুষ দাবি করেছে
আমার মায়ের শিক্ষকতা জীবনে মামলা থাকায় বকেয়া টাকা তুলতে গিয়ে প্রায় অর্ধেক টাকা ঘোষ চেয়ে বসে।
আমার দাদু মারা গেছে ২ বছর হলো,আমার কাকা ভূমি অফিসে গিয়েছে ওয়ারিস সার্টিফিকেট তোলার জন্য,ঐখানে নিয়েছে প্রায় ৬,০০০/- এখন জমি খারিজ করতে গেলে দেখে যে দাগ নাম্বার ভুল আছে কিন্তু পর্চা ঠিক আছে,দাগনাম্বার ভুলের কারনে জমির খাজনা নেয় না,বলে যে দাগ নাম্বার ঠিক করতে হবে,এখন আমার কাকা একজন মোক্তারের সাথে কথা বলসে এবং ঐ মোক্তার ৩০,০০০/- বিনিময়ে ভুল সংশোধন ও খারিজ করিয়ে দিবে বলসে,এখন আমার কাছে ঐ টাকা টা বেশি মনে হচ্ছে!
নোয়াখালী জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে চৌমুহনী পৌর সভার একটি জন্ম নিবন্ধণ সংশোধন করতে যাই। অতঃপর সব কিছু ঠিক থাকার পরও সেখানে কর্মরত সাদা শার্ট পরা মাঝখানে বসা কম্পিউটার ম্যান বিভিন্ন অজুহাতে কাজটি করে দেয় নাই। পরবর্তীতে কক্ষের বাহিরে এসে নিরাপত্তা কমীর নিকট জানতে চাহিলে, তিনি আমাকে জানায় 5,000/- টাকা কোন ঝামেলায় ছাড়ায় নাকি কাজটি ওকে করে দিত।
৩৮ বিঘা খাস জমির চেক নবায়ন বাবদ গ্রামের সাধারণ মানুষদের নিকট এই টাকা দাবি করা হয়, কিন্তু গ্রামের কিছু লোক ওই জমির জাল দলিল করে নিজের সম্পত্তি দাবি করে আসছিলো ফলে তা নিয়ে মামলা চলমান। তাই ভুমি অফিস চেক দিতে অপারগতা জানায়। মামলা নিস্পত্তি হলে এই ভুমি অফিস আবারও টাকা নিবে। সাধারণ জনগণ হচ্ছে বলির পাঠা।
জমি খারিজ করতে যাওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যা দেখাইয়া টাকা চাইছে
সোনালী ব্যাংক পিএলসি হতে পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মৃত্যুবরণ করেছেন। তার বৈধ নমিনির ডিজিটাল মৃত্যুসনদ দিয়ে অন্যান্য কাগজপত্রাদি দিয়ে পারিবারিক সঞ্চয় পত্র চলমান রাখার 20-04-2026 তারিখে আবেদন করেন। পরবর্তীতে 20-08-2026 ইং তারিখ ব্যাংকে যোগাযোগ করলে বলে পেন্ডিং আছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাঙ্গাইল জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস যোগাযোগ করতে বলেন। সেই মোতাবেক টাঙ্গাইল জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো কর্পোরেট অফিস গেলে কর্তৃপক্ষ তালবাহানাসহ সময়ক্ষেপন করিতেছে। এমন সমস্যা অনেক ভূক্তভোগী আছে। দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি একজন সৌদি প্রোবাসি আমি প্রথম অবস্থায় যখন পাসপোর্ট করি এবং ভিসা লাগিয়ে সৌদি চলে যাই এবং যাওয়ার পরে পাসপুর্ট ডেট সেষ হলে ঐখান থেকে দ্বিতীয় পাসপুর্ট করি এবং সেটার ও ডেট ৭মাস থাকতে দেশে ছুটিতে আসি দেশে যখন রিনিউ আবেদন করি তখন তারা বলে আমার পাসপুর্ট নাকি মালটিপুল অ্যাক্টিভ তার যন্য ঘুষ চাই
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহকারী শিক্ষকদের বদলি বিষয়ে দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা দাবি করছে। এই লেনদেনের সাথে দলীয় নেতা কর্মী জড়িত আছে এবং উপজেলা বদলি কমিটি জড়িত আছে।
অভিযোগের বিষয়: নামজারি/ট্রান্সফারের জন্য ঘুষ দাবি আমি পার্বতীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে আমার বাবার নামে থাকা জমি, বাবার করে দেওয়া রেজিস্ট্রি দলিলের ভিত্তিতে আমরা ৪ ভাইয়ের নামে নামজারি/ট্রান্সফার করার জন্য যোগাযোগ করি। তারিখ ৭/৮/২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজে এই কাজের জন্য ৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি ও খরচ দিতে রাজি আছি। কিন্তু নামজারি/ট্রান্সফারের কাজ করে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
রাজউক আওতাধীন গুলশান আ/এলাকার ফ্ল্যাট নামজারী। পূর্বেও নামজারী, রাজউকের নামজারী আছে। তবে সিটি দাগ খতিয়ান অনুযায়ী পুনরায় নামজারী করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১২০০০০ টাকা দাবী ছিল। এসি ল্যান্ড নতুন আসছে, এখন তার দাবী ৩লাখ, সর্বশেষ ২২০০০০ টাকা চাচ্ছে। যা এখনো দেয়া হয় নি। এখনো পেন্ডিং আছে।
২ নং বড় উঠান ্উনিয়ন পরিষদের সচিব, জালিয়াতির মাধ্যমে জম্ম ও মৃত্যু সনদ তৈরি করে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে।এখন আমি ওয়ারিশ সনদ কনতে গেলে বলে যে এখানে আরও ওয়ারিশ আছে। অথছ আমার সকল কাগজপত্র সঠিক আছে। এখন বলতেছে ঐ জম্ম ও মৃত্যুসনদ বাতিল করে ওয়াারশ সনদ দিবে,যদি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দি।আমি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অফিসারদের বদলির জন্য অযাচিতভাবে বিভিন্ন ফর্মে টাকা দাবি করা হয়। দুইটা চক্র সেখানে সক্রিয়। টাকা না দিলে কোন পদায়ন হয় না। এই কাজটা মূলত খামারবাড়ি, ঢাকা হেড অফিসে হয়ে থাকে।
আমার একটা জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার দলিলটা উনি দেখে আমাকে বিশ হাজার টাকা. দেওয়া জন্য বলছে তারপরেও খারিজ করে দিব বলছে আমাদের বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কোন সরকারি কর্মচারী ৮০% কর্মচারী কাজ করে না ধন্যবাদ আপনাদেরকে এরকম একটা সাইট খোলার জন্য অন্তত আমরা বলতে পারি এখানে
আমি একজন ডিগ্রি পরিখারতি প্রথম বছরে আমাকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেয়নি কলেজ কর্তৃপক্ষ তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি হারায় ফেলছে আমাকে বলছে পথ দ্বিতীয় বর্ষে দিবে দ্বিতীয় বর্ষ দ্বিতীয় বর্ষ তারা কার্ড দেয়নি এখন আমি ফাইনাল দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষা দিয়েছি রেজাল্ট এখনো বের হয়নি সামনে মাসে বের হবে তার আগে থেকে আমি রেজিস্ট্রেশন কার্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে যাচ্ছি কিন্তু তারা আমাকে না দিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটা উল্টো টাকা দাবি করতেছে