একাউন্টস নাম্বার ঠিক করার জন্য
প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর লক্ষীপুরের অফিস-কাম কম্পিউটার অপারেটর নাসিম, আমার একটা এপ্লিকেশন TO স্যার কে ফরওয়ার্ড করতে ২০০০ টাকা চাইছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা অফিস, সদর লক্ষীপুরের অফিস-কাম কম্পিউটার অপারেটর নাসিম, আমার একটা এপ্লিকেশন TO স্যার কে ফরওয়ার্ড করতে ২০০০ টাকা চাইছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মরফলোজি বিভাগ গুলি কর্তৃক প্রতি বছর যে ইস্টিমেট করা হয় প্রকৃত খরছ এর ৩০% এর বেশী নয়। বোর্ডের নির্ধারিত রেট সিডিউল থাকার পরও তারা ঘুষ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত আলাদা আরেকটা রেট সিডিউল অনুমোদন করে নিয়েছে এবং ঐ সিডিউল মত ইস্টিমেট করে। তাছাড়া কিছু কিছু কাজে ৫০ এর পরিবর্তে দুই থেকে তিনগুণ পরিমান ধরে ইস্টিমেট করে। আগে যেমন নদীতে ব্লক বা বস্তা ফেলার ভূয় হিসাব দিয়ে বিল করতো। এখানকার টেন্ডারে যে কোন লেস গ্রহন করা হলে ২৫% থেকে ৩০% টাকায় একাজ গুলি করা সম্ভব। তাছাড়া এসকল অফিসের ঠিকাদার কোন কাজ করে না। দপ্তর সমূহের সার্ভেয়ার ও শাখা অফিসারগণ নিজেরা ঘরে বসে পুরাতন বই দেখে বই বানাই সাবমিট করে। এর জন্য তারা ফিন্ড খরচের কথা বলে ৪০% থেকে ৪৫% টাকা ঠিকাদারের নিকট হতে নেয়। বাকী ৫৫% থেকে ৬০
দিঘলিয়া ভূমি অফিসে খাজনা দিতে গেলে অহেতুক ফল্ট দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিলে সব কাগজ নাকি ওকে!
প্রতিষ্ঠানে ফায়ার লাইসেন্স দরকার হয়। সেটা নিতে কিছু নিয়ম কানুন দরকার হয়। সেই নিয়ম মেনে লাইসেন্স নেয়া ভয়াবহ কঠিন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করাই সম্ভব না। এই সুযোগে তারা লাইসেন্সের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দাবী করে। মুল টাকার তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিষ্ঠান যত বড় ঘুষের পরিমান তত বেশি।
pension er jonni ghus cheye chilo
জমির নামখারিজ করানোর জন্য উপরোক্ত টাকা চাচ্ছে।
সাম বাটোরা দলিলের ফি সচিব মহোদয় বললেন ৫০০০ টাকার বেশি নয় কিন্তু ভেন্ডার রা ৩০০০০ টাকা দাবী করেন। যেখানে দলিল ক্যালকুলেটরে দেখানো হয় ২৩০০ টাকা।বাকি টাকা ঘোষের পর্যায়ে পড়ে যা দলিল লেখক ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকেন।
আমার একটা মৃত্যু সনদের জন্য যায়, নাজেম উদ্দিন কাছে, ওনার কথা মতো একটা ডকুমেন্টস দিতে না পারায়, আমার থেকে ঘুস হিসেবে ৩০০০০ হাজার টাকা চেয়ে বসে। আমি মৃত্যু সনদ লাগবেনা বলে চলে আসি।
আমার মায়ের নামে নিজস্ব একটা জমি আছে। জমির আমি নামজারি করেছি। যখন আমি খাজনা দিতে গিয়েছি দেখতে পাচ্ছি আমার যে খতিয়ান নাম্বার এসেছে ওই খতিয়ান নাম্বারে আর একজন খাজনা দিয়ে গেছে। অতঃপর আমাকে বলল আপনার যে খতিয়ান নম্বরটি পড়েছে তা ডুপ্লিকেট। এটাকে পরিবর্তন করতে হবে। যখনই পরিবর্তনের জন্য এপ্লাই করি। আমার কাজ হচ্ছিল না। গত দুই বছর যাবত আমি এপ্লাই করে রাখছি এখনো সমাধান পাইনি। অতঃপর নতুন এক ব্যক্তি এখানে দায়িত্বে এসেছে যিনি আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমি রাজি হয়েছি তিন হাজার টাকা অগ্রিম দিয়েছি কাজ শেষ হলে আমি ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করব।
৬ নং মাগুরাঘোনা ইউনিয়নে সরকার কর্তৃক বরাদ্দ আসে, আমাকে সেখান থেকে ১ লক্ষ টাকার ইটের রাস্তার কাজ বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দ দেওয়া ২/৩ মাস হয়ে গেছে কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ২৫ হাজার টাকা দাবি করছে। আমারা ৫/৭ জন মেম্বার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেছি যার ফলে এখনো আমরা আমাদের কাজ করতে পারতেছি না।
ঠাকুরগাঁও এ মাগির বেটা গুলা, এত ঘুষ খায় - ঘুষ ছাড়া ১ টা লাইসেন্স হয় না , ওর মা বোন ভাড়া খাটা টাকা গুলা খাক,,, আমাগো না খায়!
ঝিকরগাছার গ্রামীণ ব্যাংকের এরিয়া ম্যানেজার — ঘুষ চায় বদলীর জন্য
বেতন কাঠামো সঠিক করন
Bond licences renewal
গামে ভুমি অফিস তহশিলদার কাগজ দেখিয়ে চায় বেশি, ঘুষ দিয়ে কম টাকায় কাজ হয়ে যায় এবং অসি্ননট কিভাবে মেনে নেয়। সরকারি কাগজে জমির খাজনা ৪০,০০০ টাকা তহশিলদারকে ৩০,০০০ টাকা দেন। সে অাপনাকে ৷ ৫,০০০ টাকার খাজনার রশিদ ধরিয়ে দিবে। কিভাবে সম্ভব???? তহশিল অফিসে কি হয়???????? মএী সাহেবকে বলেন, খবর নিতে। খুঁজে বের করেন। এটা বন্ধ করেন।সব বনধ হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।
।। they askrs for additiobal bdt 6000 besides gov. Expence.
আমার মাধ্যমিক(২০২২) সমমানের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি টাকা আদায় করতে গিয়েছিলাম যেটা উচ্চ মাধ্যমিক এর ২ বছরে পাবার কথা।এখনও ১ টাকাও পাইনি।সব কাগজপত্র উচ্চ মাধ্যমিক এর প্রথম বর্ষে ঠিক সময়ে সঠিক তথ্যে জমা দেওয়া ছিল।আজ পর্যন্ত টাকা পাইনি।ওইখানে একজন ভদ্রলোক বলেছিল সরকার টাকা দিয়ে দিবে। পেলাম না টাকা। কেও যদি পারেন আমার মতন আরও ১০ টা ছেলের টাকা আটকায় আছে আমি চিনি।চিনি না এমন অহরহ তো আছেই।কি উদ্যোগ জানি না তবে টাকা পেলে উপকার হয় নাতো আমি তাদের মাফ করে দিলাম।আমার সামান্য টাকার জন্যে তাদের স্বর্গে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করলাম না আর। আগায় যাক আমার দেশ।
Negotiate with our consultant.
শিক্ষকদের নতুন বেতন, প্রত্যয়ন পত্র, বেতন বিবরণী, সার্ভিস বুক লিখন, চাকুরী স্থায়ীকরণ, বিভিন্ন বিল, শিক্ষা অফিসে যত ধরনের সেবা দেয়া হয় সবগুলোতেই, জন প্রতি ১০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা, বড় বিল হলে ১০% পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না
প্রশংসাপত্র নিতে ৩০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ নিজস্ব প্রতিবেদক, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হরিহর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দেওয়ার জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশংসাপত্র সংগ্রহের সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এ টাকা কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে এবং এর জন্য সরকারি বা বিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো নির্ধারিত ফি রয়েছে কি না—তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, কোনো ফি নেওয়া হলে তার কারণ, নির্ধারিত পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত। একই সঙ্গে টাকা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে যথাযথ রসিদ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপ