নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আদালত থেকে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার রায় হয় কিন্তু টাকা তুলতে গেলে ৪০০০ টাকা।দাবি করে।
আমার একটা মোবাইল ফোন হারানো যায় তাতে অনেক মূল্যবান জিনিস কাগজপত্র অনেকের নাম্বার এবং ছবি রয়েছে,,সর্বপ্রথম থানার সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে একটি আবেদন লেখা হয়,আবেদনটি জমা করে একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করা হয়,,বললো ফোন পাওয়া গেলে আপনাকে জানানো হবে,,মাঝে মাঝে একটু খোঁজখবর রাখতাম, কয়েক মাস চলে যাওয়ার পরে,, দেখি কোন কিছুই হচ্ছে না,, এক পুলিশ ভাইয়ের সাথে আলোচনা করলাম,, বলল আপনার আবেদনটি ওভাবেই পড়ে থাকবে কোন কাজ হবে না,, আপনি যদি ৬ হাজার টাকা খরচ করতে পারেন তাহলে আপনার আবেদনটি দেখতে পারি,,,,
মদনপুর, সরাইল এলাকায় ভূমি রেকর্ড হচ্ছে প্রত্যাক জমির মালিক থেকে ১০০০০ টাকা করে চায় ওরা যে টাকা দিবে না তার পাইল আটকিয়ে রাখে
আমি আমার জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে ভূমি জরিপের অফিসার এর কাছে নতুন ভূমি জরিপের খতিয়ান আনতে যাই। তখন উনি বলে আমার বাড়ির এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে ।এরকম জালকুড়িতে সব মানুষের কাছ থেকে ১০০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা দাবি করে আদায় করেছে। মূলত জালকুড়িতে নতুন জরিপের যতগুলো অফিসার আসছে সবাই এর সাথে জড়িত।
আমার জন্ম নিবন্ধনে মধ্যে এক নাম শুধু , ( আরিফ ) আগে পরে কিছু নেই , আমি ইতালিতে আছি। ভূমধ্যসাগ পাড়ি দিয়ে ইতালিতে এসেছি , এখন ইতালিতে এক নামে চলবে না , নামের সাথে একটা কিছু যুক্ত করতে হবে , যেমন (আরিফ মিয়া) । এখন শুধু ( মিয়া ) যুক্ত করার জন্য তারা আমাকে এখানে ওখানে ঘুরাছে । সব শেষে আমার কাছে ৭০০০০ হাজার টাকার একটি আনুমানিক ধারণা দেয় এখনো কত টাকা লাগবে বলে নাই । আরো অনে বেশি ও লাগতে পারে । আমি এটি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি । এখানে যেই নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা শুধু একটি ধারনা । আমি (অজ্ঞাত নাম)
নামজারি করতে জটিলতা প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা দাবী।
৩০০০ টাকা না দিলে অফিস সহাকারি অফ লাইন নামজারি অন লাইন করে দিবেন না।টাকা দেই নি তাই ৪ মাস আগে আবেদন এখনো নিস্পত্তি হয় নি।
সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।
আমার বাবার জমি বাঁধের আওতাভুক্ত হয় জমির টাকা উত্তোলনের জন্য ভূমি অফিসে যান সেখানে গিয়ে জানতে পারেন প্রতি ১ লক্ষ টাকার জন্য আমার বাবা ও তার ভাই,বোনদের পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হবে এছাড়া টাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং জমির ফাইল পাস হবে না।
আমার জমির দলিলে নামজারি করতে অংশ ভুল করে কম হয়ে যায় তার জন্য ৩০০০ টাকা চাই
ami choloman bds khatiyan korty giyesilam shob pepars shothik asey tar poreo amar kasty key. bds khatiyan. kore dewar jonno upar ullekito tka dabi kory.
আমি আমার ক্রয়কিত জমির নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবী করে
ফ্যামেলী কার্ডের জন্য আমি আমার এলাকার একজন তথ্যসংগ্রহ কারীর সাথে যোগাযোগ করি, যার জন্য আবেদন করবো তিনি ফ্যামেলী কার্ড পাওয়ার জন্য উপযুক্ত, সরকার যে শর্ত গুলো দিয়েছে তার মধ্যে এগুলো রয়েছে, এবং তথ্যসংগ্রহ কারী যে প্রতিনিধি রয়েছেন তিনিও জানেন, কিন্তু এর পরেও তথ্যসংগ্রহ কারী ঐ কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বলেন ঐ টাকা দিলে অনুমোদন করিয়ে দিবেন।
Amar jomi registration korte giye to cahhe
আবেদন করার এক সপ্তাহের কোন খবর ছিল না, পরে অফিসে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যেখানে আবেদন করেছিলাম আমার আবেদনপত্র ওখানে পড়ে রয়েছে, পরে বিভিন্ন আকারেঙ্গে তে কথাবার্তায় এর মাধ্যমে এমন কথা বলে যে তাদের না দেখলে তারা ফাইল কিভাবে দেখবে, মানে ইনডাইরেক্টলি তারা কিছু দাবি করতেছে, আমি বলি কিভাবে দেখতে হবে বা দুই দিনের মধ্যেও শেষ করতে কত টাকা লাগবে তখন অফিসের পিয়ন দাবি করে ১০ হাজার টাকা দিয়ে যান দুইদিন পরে এসে নিয়ে যাইয়েন
আমার বাবা আমাদের কিছু ক্রয়কৃত জমির জমাখারিজ করতে নিকটস্থ ভূমি অফিসে যান, প্রথমে উনাকে কাগজপত্র ঠিক নেই বলে বিভিন্ন কাগজপত্র টাকা দিয়ে তাদের থেকে সংগ্রহ করতে বলেন, তিনি ওই গুলো টাকা দিয়ে সংগ্রহ করেন। পরে একজন বলেন চাচা এখনে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, আপনি আমাকে দিয়ে দেন, কোথাও যাইতে হবে না, আমি সব ঠিক করে দিবো। টাকা দিবেন ১২০০০,
নামজারী আবেদন করেছিলাম, বলেছিল হবে না। কিন্তু 8,000 টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলেছিল
টাকা দিলে করতে পারব না হলে করা হবে না
সেবাটি ছিল নাগরিকত্ব সনদ উত্তলোন। টাকা সরাসরি চায়না কিন্ত নাগরিকত্ত সনদ নেওয়ার জন্য অনেক হয়রানী করা হয়েছে যেই সেবাটা আগে আমরা 10 মিনিটে পেতাম সেটা এখন 15 থেকে 1 মাসেও হচ্ছে না। পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে হয়রানী করা হচ্ছে এমনো প্রমান রয়েছে যে নাগরিকত্ব সনদের জন্য আমাদের শ্রীপুর পৌরসভায় গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য 500 থেকে 1500 টাকা পর্যন্ত থানার পুলিশ ভেরিফিকেশন অফিসার ঘুষ চায়। টাকা না দিলে জমা ফরম হারিয়ে গেছে বলে জানায়।
visar sob kaj ami nije korechi but appointment er jonno tk nibe naile kaj hobe na