নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আদালত থেকে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার রায় হয় কিন্তু টাকা তুলতে গেলে ৪০০০ টাকা।দাবি করে।
আমার একটা মোবাইল ফোন হারানো যায় তাতে অনেক মূল্যবান জিনিস কাগজপত্র অনেকের নাম্বার এবং ছবি রয়েছে,,সর্বপ্রথম থানার সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে একটি আবেদন লেখা হয়,আবেদনটি জমা করে একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করা হয়,,বললো ফোন পাওয়া গেলে আপনাকে জানানো হবে,,মাঝে মাঝে একটু খোঁজখবর রাখতাম, কয়েক মাস চলে যাওয়ার পরে,, দেখি কোন কিছুই হচ্ছে না,, এক পুলিশ ভাইয়ের সাথে আলোচনা করলাম,, বলল আপনার আবেদনটি ওভাবেই পড়ে থাকবে কোন কাজ হবে না,, আপনি যদি ৬ হাজার টাকা খরচ করতে পারেন তাহলে আপনার আবেদনটি দেখতে পারি,,,,
মদনপুর, সরাইল এলাকায় ভূমি রেকর্ড হচ্ছে প্রত্যাক জমির মালিক থেকে ১০০০০ টাকা করে চায় ওরা যে টাকা দিবে না তার পাইল আটকিয়ে রাখে
আমি আমার জমির সকল কাগজপত্র নিয়ে ভূমি জরিপের অফিসার এর কাছে নতুন ভূমি জরিপের খতিয়ান আনতে যাই। তখন উনি বলে আমার বাড়ির এই সমস্যা ওই সমস্যা বলে আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে ।এরকম জালকুড়িতে সব মানুষের কাছ থেকে ১০০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা দাবি করে আদায় করেছে। মূলত জালকুড়িতে নতুন জরিপের যতগুলো অফিসার আসছে সবাই এর সাথে জড়িত।
৩০০০ টাকা না দিলে অফিস সহাকারি অফ লাইন নামজারি অন লাইন করে দিবেন না।টাকা দেই নি তাই ৪ মাস আগে আবেদন এখনো নিস্পত্তি হয় নি।
সহকারী কমিশনার না থাকায় সার্ভেয়ার ডিমার্কেশন এর আবেদন গ্রহণ করবেন না। আবেদনের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি নৈশ্যপ্রহরীর সাথে কথা বলতে বললেন। নৈশ্য প্রহরী সকল ডকুমেন্ট দেখে বললেন অনেক ঝামেলার কাজ। আবেদন হয় নাই, আবার লিখতে হবে খরচও আছে। পরে আলোচনা আর কাজ দেখে কমানো যাবে।
ami choloman bds khatiyan korty giyesilam shob pepars shothik asey tar poreo amar kasty key. bds khatiyan. kore dewar jonno upar ullekito tka dabi kory.
আমার জন্ম নিবন্ধনে মধ্যে এক নাম শুধু , ( আরিফ ) আগে পরে কিছু নেই , আমি ইতালিতে আছি। ভূমধ্যসাগ পাড়ি দিয়ে ইতালিতে এসেছি , এখন ইতালিতে এক নামে চলবে না , নামের সাথে একটা কিছু যুক্ত করতে হবে , যেমন (আরিফ মিয়া) । এখন শুধু ( মিয়া ) যুক্ত করার জন্য তারা আমাকে এখানে ওখানে ঘুরাছে । সব শেষে আমার কাছে ৭০০০০ হাজার টাকার একটি আনুমানিক ধারণা দেয় এখনো কত টাকা লাগবে বলে নাই । আরো অনে বেশি ও লাগতে পারে । আমি এটি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি । এখানে যেই নাম উল্লেখ করা হয়েছে তা শুধু একটি ধারনা । আমি (অজ্ঞাত নাম)
আমি আমার ক্রয়কিত জমির নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবী করে
আমার জমির দলিলে নামজারি করতে অংশ ভুল করে কম হয়ে যায় তার জন্য ৩০০০ টাকা চাই
ফ্যামেলী কার্ডের জন্য আমি আমার এলাকার একজন তথ্যসংগ্রহ কারীর সাথে যোগাযোগ করি, যার জন্য আবেদন করবো তিনি ফ্যামেলী কার্ড পাওয়ার জন্য উপযুক্ত, সরকার যে শর্ত গুলো দিয়েছে তার মধ্যে এগুলো রয়েছে, এবং তথ্যসংগ্রহ কারী যে প্রতিনিধি রয়েছেন তিনিও জানেন, কিন্তু এর পরেও তথ্যসংগ্রহ কারী ঐ কর্মকর্তা ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বলেন ঐ টাকা দিলে অনুমোদন করিয়ে দিবেন।
Amar jomi registration korte giye to cahhe
আবেদন করার এক সপ্তাহের কোন খবর ছিল না, পরে অফিসে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যেখানে আবেদন করেছিলাম আমার আবেদনপত্র ওখানে পড়ে রয়েছে, পরে বিভিন্ন আকারেঙ্গে তে কথাবার্তায় এর মাধ্যমে এমন কথা বলে যে তাদের না দেখলে তারা ফাইল কিভাবে দেখবে, মানে ইনডাইরেক্টলি তারা কিছু দাবি করতেছে, আমি বলি কিভাবে দেখতে হবে বা দুই দিনের মধ্যেও শেষ করতে কত টাকা লাগবে তখন অফিসের পিয়ন দাবি করে ১০ হাজার টাকা দিয়ে যান দুইদিন পরে এসে নিয়ে যাইয়েন
নামজারি করতে জটিলতা প্রদর্শন করে অতিরিক্ত টাকা দাবী।
আমার বাবার জমি বাঁধের আওতাভুক্ত হয় জমির টাকা উত্তোলনের জন্য ভূমি অফিসে যান সেখানে গিয়ে জানতে পারেন প্রতি ১ লক্ষ টাকার জন্য আমার বাবা ও তার ভাই,বোনদের পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে হবে এছাড়া টাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং জমির ফাইল পাস হবে না।
আমার বাবা আমাদের কিছু ক্রয়কৃত জমির জমাখারিজ করতে নিকটস্থ ভূমি অফিসে যান, প্রথমে উনাকে কাগজপত্র ঠিক নেই বলে বিভিন্ন কাগজপত্র টাকা দিয়ে তাদের থেকে সংগ্রহ করতে বলেন, তিনি ওই গুলো টাকা দিয়ে সংগ্রহ করেন। পরে একজন বলেন চাচা এখনে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, আপনি আমাকে দিয়ে দেন, কোথাও যাইতে হবে না, আমি সব ঠিক করে দিবো। টাকা দিবেন ১২০০০,
পৌরসভার রাস্তার ডেনের জন্য ২ শতাংশ জায়গা নিছে ৫০০০০ টাকা দিছে বাকি টাকার খবর নাই
আমরা আবাসিক ভবনে কেন স্কুল করলাম রাজউক এসে আমাদের থেকে অঙ্গীকার নামা নিয়েছে যে আমরা যাতে রাজউকের অনুমোদন নিই তিন মাসের মধ্যে । আমি বললাম ঢাকাতে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান আছে আবাসিক বিল্ডিংয়ে । পরবর্তীতে তাদের লোক আমার সাথে communicate করে আর বলে টাকা লাগবে | জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা বললো পাঁচ লক্ষ |
নামজারী আবেদন করেছিলাম, বলেছিল হবে না। কিন্তু 8,000 টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে বলেছিল
টাকা দিলে করতে পারব না হলে করা হবে না