নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে আবেদন পত্র ৫০ টাকা দাম কিন্তু নিয়েছে ১০০ টাকা। আজিমপুর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গোরস্থানের পাশে। কাজটি করার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক ৪৫ দিন সময় লাগে কিন্তু উনি কাজটি গড়ি মসি শুরু করেন আজ না কাল কালনা পরশু এমন করেন এবং ৭০০০ টাকা দাবি করেন কাজটি সম্পন্ন করার জন্য । আমার সাড়ে চার মাস সময় লেগেছে পরবর্তীতে আমি একজন ক্রাইম রিপোর্টার দিয়ে উনাকে ফোন করানোর কারণে উনি কাজটি করে দিতে বাধ্য হন।
আমার নামজারি আমি নিজেই করেছি আমার যাতায়াত ভাড়া ও সবকিছু মিলে ৪ হাজার এর মতো টাকা লগছে। নামজরি হয়ে যাওয়ার পর যখন খাজনা কাটতে তফসিল অফিসে গেলাম সেখানে আমাকে বললো আপনি এভাস্টক নিয়ে আশেন। আমি জিজ্ঞেসা করলাম এটা কোথায় পাবো তারা বললো আমি নামজারি যাকে দিয়ে করিয়েছে তাকে গিয়ে বলেন সে দিবো আমি বললাম আমি নিজেই করেছি। অফিসের সেই লোক বলো এজন্যই আপনি পান নাই। পাশে ওনার কলিক হবে সম্ভবত উনি জিজ্ঞেসা করলো কী সমস্যা ঔ ভাই বললো এভাস্টক নেই General নামজারি করছে। লাইনে করে নাই। আমি দেখলাম যে কাগজটা ওনারা চাচ্ছিল ঔটা ওনারের অফিস থেকেই অনেকে প্রিন্ট করে বের করে দিচ্ছে। আমকে বললো আপনি আটি বাজার ACLand অফিসে জান ঔ খানে গেলে আপনাকে এভাস্টক দিবে আমি গেলাম যাওয়ার পর ঔখানের একজন আমাকে বললো দেওয়া যাবে এভাস্টক ৩০০০ টাকা
এটি একটি সরকারি সেবা, এটাকে কি বা তা বলে আমি জানিনা , আমি গর্ভবতী ভাতা করতে গেলে ১৫০০ টাকা সরকারকে দেওয়া লাগবে
After retirement my father did not get the pension money immediately, they took more than 1 year to give it. They deliberately did nkt process the Papers. For those months we had faced difficulties.
জজ কোর্টের রায়ে জমি পাইছি। নামজারী করতে গেছি ফিরিয়ে দিচ্ছে। বলতেছে ডিসির পারমিশন লাগবে। নইলে ৫০ হাজার লাগবে
আমাদের একটি জমির খতিয়ানে খাজনা পরিমান দাবী করা হয় ১ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা মত। আমাদের কে বলা হয় যদি। আমরা ঘুষ হিসাবে ১২০০০০ দিতে হবে তাহলে জমির খাজনা কাটা যাবে নাই সম্পন টাকা দিতে হবে। কিন্তু এতো টাকা কেন কি জন্য কছু বলে না। বলে এই টাকা দাও কাজ হবে।
I had to make new passport without giving extra money I could not get the passport in due time.
আমার পার্শ্ববর্তী ওয়াল ঘেঁষে ভবন নির্মাণ নকশা অনুমোদন বিহীন করলে আমি পৌরসভার প্রশাসক কে বারংবার অভিযোগ করি। আমাকে কতৃপক্ষ বলেছেন অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে আমি অর্থ না দেওয়ায় আমার বাবার সময়ের ভবন অবৈধ,। সেই ভবন নকশা বিহীন । অভিযোগের দেড় বছর পর জানলাম
দালালের মাধ্যমে জমির সীমানা সঠিক নাই বলে অবৈধ অর্থ দাবি করে
নামজারি আবেদন। আমি শুনানি তারিখে সকল কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত থাকার পরও আবেদনটি না মঞ্জুর করা হল। কারণ হিসেবে দেখালো আমি শুনানিতে উপস্থিত হয়নি।
কিশোরগঞ্জ হতে চামটা ঘাট রাস্তা প্রশস্ত করন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহনের টাকা তুলতে ৬% কমিশন তারা নিচ্ছে তাছাড়া টাকা দেয় না। কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরও নানা কারনে আটকে রাখে। মোট কথা তারা ৬% করে টাকা নিচ্ছে।
বিষয়টি আমাকে খুবই খারাপ লেগেছিল আদালতের আমাদের একটা রিপোর্ট আসে আমাদের কাছে টাকা চায় আমরা যদি পাড়ায় আমাদের বিবাদীদের কাছে নিয়ে ওদের পক্ষেরই রিপোর্ট দেয়
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি ভূলবশত সরকারের নামে রেকর্ড হয়ে যায়, পরবর্তীতে মামলায় আমরা জিতে যায় এবং সরকার আপীল করার পরও হেরে যায়, অতঃপর পাবনা জজ কোর্ট এডিসি রাজস্ব কে প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝিয়ে দিতে বলে। এরপর সাথিয়া এসি ল্যান্ড অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ের একটা প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয় এডিসি রাজস্ব। প্রতিবেদন এ আমাদের পক্ষেই তথ্য আসে, কিন্তু পাবনা ডিসি অফিস থেকে আমাদের জমি অবমুক্ত না করে শুরু হয় আমলাতান্ত্রিক হয়রানি, অফিসের কর্মচারীরা বলতে থাকে ভিপি কেস এর সম্পত্তি টাকা ছাড়া উদ্ধার করতে পারবেন না এবং ১৫ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। আমরা রাজি না হলে আবার প্রতিবেদন আনতে নোটিশ দেয়, আমরা আবার প্রতিবেদন নিয়ে আসি, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। উপরন্তু তৃতীয়বারের মতো প্রতিবেদন আনতে বলে......!?
এখানে যাদের জমি বাংলাদেশ রেলওয়ে অধিগ্রহণ করছে এই টাকার চেক দিতে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ ঘুষ দাবী করছে না দিলে চেক সই হচ্ছে না। চেক অনুমোদন করতে একবার ঘুস দিতে হয়েছে আবার এখন চেক বিতরণ করবে এজন্য চেক প্রতি ১০ হাজার, 7000 বিভিন্ন পরিমাণে ঘুষ দাবী করছে। মনে হচ্ছে এটা যেন মগের মূল্লক তারা যা বলবে তাই হবে। সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে জুলুম করে টাকা আদায় করছে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া
সরকারি হসপিটাল আমার রোগীর জন্য একটা বেড এর জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে,
নামজারি করতে টাকা চায়
নিজে নিজে নামজারি করতে গেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখায়,আর ঘুষ দিয়ে করলে কোনো সমস্যা নেই,তাই বাধ্য হয়ে ৬০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে দিয়েছি।
নবীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, হবিগঞ্জ। আমার ৩০ শতক জমির দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে আমার কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে (প্রতি শতক ৫০০ টাকা হারে)। অথচ সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও এভাবে নগদ টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। এ বিষয়ে অফিসে জানতে চাইলে তারা বলে যে 'এই টাকা সরকার নেয়'। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও হয়রানিমূলক
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে আমার কাছে প্রায় দশ হাজার পাঁচশো টাকা চায়
নামজারির আবেদন কারন দুই বাতিল করা হয়েছে। দালালের মাধ্যমে চাওয়া হয়েছিল