শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
৬ লক্ষ টাকা দিলে চাকরিটা তোকে দিবো
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৬ লক্ষ টাকা দিলে চাকরিটা তোকে দিবো
ঘুষ নিয়ে আদালতের সংরক্ষিত রেকর্ড রুম থেকে ফাইল গায়েব করে দেওয়া হয় চট্টগ্রাম হাইকোর্টে
আমার আত্মীয়ের রেকর্ড ভুক্ত জমি শেষ রেকর্ডে আরেকজনের নামে উঠেছিল বলে সেই বলে দলিল করে দেয় তার স্ত্রীর নামে যা, সম্পূর্ণ বেআইনি এবং মামলা চলমান অবস্থায় এই কাজটি করে। এবং মিস কেস করার পরেও এমন কোন উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে না।
গৃহায়ন কতৃপক্ষে, আমার রেজিস্ট্রিকৃত জমি নামজারির জন্য আবেদন করেছি। প্রথা হল, দালালের মাধ্যমে একটি প্লটের জন্য সরকারি খরচের বাইরে ৫০০০০ টাকা দিতে হয়। আমি ২ প্লটের জন্য আবেদন করেছি। এর মধ্যে ২০০০ টাকা চায়ের খরচ হিসাবে দিয়েছি। তারপরও ৮ মাস হয়ে গেছে, আমি এখনো অনুমতি পায় নি।
আমার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেটে নামে ভুল থাকার কারণে আমি চিটাগাং বোর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করি। সংশোধন করার ক্ষেত্রে আমার একটা কোট অ্যাবিড অ্যাবিড জমা দিতে হয় যেটা ছিল অরজিনিয়াল কপি। চট্টগ্রাম বোর্ডে আমার সকল কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে আমি যখন আমার নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেটগুলো হাতে পায় তখন আমি আমার যে অ্যাবিড অ্যাবিড নিতে একটা নির্দিষ্ট কক্ষে যাই। ওখানে একজন সম্মানিত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন, আমি ওনার কাছে আমার অ্যাবিড অ্যাবিড চাইলে উনি আমাকে বলেন এটা কত টাকা দিয়ে বানিয়েছো ? আমি ওনাকে বললাম প্রায় তিন হাজার টাকার মত, উনি আমাকে পাল্টা জবাব দিয়ে বললেন আমাকে ৩০০০ টাকা দিয়ে এটা নিয়ে যাও। তারপর আমি ওনাকে বললাম আমার প্রয়োজনীয় কাগজ আমি কেন আপনাকে টাকা দিব ?
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য দালালের মাধ্যমে বিআরটিএ অফিসার দাবি করে ৫০০০ টাকা পরিশোধ না করলে লাইসেন্স কিছু করাবে না
১১৫০ টাকার নামজারি ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নের কিছু দালালেরা ৫-৭ হাজার টাকা করে কন্ট্রাক করে কাজ করে এর কমে নামজারি করে না
ওয়ারেন্টের আসামিকে না ধরে উল্টো তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে মামলার তথ্য দেয় আসামিকে মামলা তথ্য দেয় এবং আসামি নিজ বাড়িতে এবং নিজ এলাকাতে অবস্থান করার পরও থাকে ধরেনি চেকের মামলা ছিল আমি ওই অবস্থাতে আর্থিকভাবে নেই যে তাকে এত টাকা দিতে পারব
আমি একজন সরকারী কর্মচারী। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য। আমার প্রভিডেন্ট বদান্য হতে টাকা তুলতে গেলে হিসাব রক্ষন অফিসারকে ৫০০-১০০০ টাকা দেওয়া লাগে।টাকা না সে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখায় এবং টাকা দিলে আপনি ১৫-৩০ দিনের মধ্যে কোনটি হয়ে যায়।আর টাকা না দিলে ৩-৪ মাস লাগবে।তাই বাধ্য হয়ে আমার টাকা দিয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ড হতে টাকা তুলতে হয়।
আমার এম আর আর থেকে পূর্বের খারিজ করা ছিল। বর্তমানে আর এস খতিয়ান আসার পরে নতুন করে খারিজ করবার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে শরণাপন্ন হই ওখানে আমাকে বলা হয় আপনার রেকর্ড মিস হয়েছে নতুন করে খারিজ করতে ৬০ হাজার টাকা লাগবে। আমি ওনার প্রস্তাবে রাজি হই নাই।
আমার ফাইল অডিটে যায়, অফিসের স্টাফ আমাকে বলে তাদেরকে ২০০০০ টাকা দিলে সরকারকে কোন টাকা দিতে হবে না, না দিলে অনেক টাকা জরিমানা করবে।
গ্যাসের লাইনে নাকি পানি জমেছে তাই গ্যাস আসছে না। পরিষ্কার করে দিলে নাকি গ্যাস আসবে। নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, ব্লক সি, মোহাম্মদপুর। তিতাস গ্যাসের লোক পরিচয়ে ঘুষ দাবি করেছে
বলছে নরমালি করতে একমাস সময় লাগবে আর দ্রুত করতে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে পাবেন ৫০০ টাকা দিলেই পেয়ে যাবেন
রুগীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য টেবিল গাড়ি থাকা সত্বেও দিতে রাজি হয় নি,,পরে ১০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার জন্য গাড়ি দিয়েছিলো,,সরকারি হসপিলে,।
দুই শতক জমি খারিজ বাবদ ৯ হাজার টাকা চায়
পুলিশের এসএই বলছিলো হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করতে টাকা লাগবে ৪০০০। টাকা দিলে ফোন খুঁজে দিবো
আমার বিষয়টি আমি উল্লেখ করছি।আমার ভাই একটি জমি ক্রায় করে। ২০০১ সালে তখনকার নিয়ম অনুযায়ী ওই দলিলে চারটা দাগ উঠানো হয় তার মধ্যে একটি দাগ ভোগ দখলে থাকে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করা আছে সেই। সেই জমি আমার ভাই আমার কাছে বিক্রি করে ঠিক সেভাবে দলিলে উল্লেখ আছে চারটি দাগের মধ্যে একটি দাগ ভোগ দখল। আমি অনলাইনে আবেদন করে দলিল সহকারে তৌসিল অফিসে যাই এখানে নায়েব সাহেব দেখে বলে এটার নামজারি করা যাবে না । তারপর আমি বলি তাহলে উপায় কি তিনি আমতা আমতা করে বলেন আপনার এই জমি ঠিক করতে গেলে নতুন দলিল করতে লাগবে নতুবা পনের হাজার টাকা দিলে আমি নাম জারি করে দিতে পারি। আমি মাগুরা জেলা থেকে। থানা জেলা মাগুরা
আমি আমার জন্মনিবন্ধন সনদ ভুল সংশোধন করতে গেলে তারা কোনো কারন ছাড়াই ১২০০ টাকা দাবি করে কিন্তু সরকারি সংশোধন ফি মাত্র ১৫০ টাকা । এই দেশ আর ভালো হবার পথে নয় ।
আমি কৃষি ব্যাংকের নন নিতে গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক আছে আমাকে বলছে লোন দেওয়া যাবে না পরে আর একজনকে নিয়ে গেলাম সেখানে তাই বলছে স্যার দেখে না কেন দেওয়া যাবে সব ঠিক আছে তবে স্যার বলছে লোন নিতে হলে ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগবে নয়তো হবেনা
সেবাটি ছিলো আমি দুবাই যাবার উদ্দেশ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক মাদারীপুর ব্রাঞ্চ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ঋণ চাইলে ব্যাংক কর্মকর্তা ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুষ চায়। মানে সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ঋণ মঞ্জুর করছিলো না। সারাদিন আমার মা বাবা ভাই-বোনদের ব্যাংকে বসিয়ে রাখে। আমার বড় ভাই একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হওয়ায় সরাসরি ঘুষ চায়নি এবং ভাইও বুঝতে পেরে দিতে অসম্মতি দিয়েছে। অবশেষে ঋণ পাশ হলেও ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে আমি যখন চেক আনতে যাই তখন আমার কাছে থেকে একরকম জোর করে ৫ হাজার টাকা রেখে দেয়।