গ্যাস সরবরাহ
গ্যাসের লাইনে নাকি পানি জমেছে তাই গ্যাস আসছে না। পরিষ্কার করে দিলে নাকি গ্যাস আসবে। নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, ব্লক সি, মোহাম্মদপুর। তিতাস গ্যাসের লোক পরিচয়ে ঘুষ দাবি করেছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গ্যাসের লাইনে নাকি পানি জমেছে তাই গ্যাস আসছে না। পরিষ্কার করে দিলে নাকি গ্যাস আসবে। নবোদয় হাউজিং সোসাইটি, ব্লক সি, মোহাম্মদপুর। তিতাস গ্যাসের লোক পরিচয়ে ঘুষ দাবি করেছে
বলছে নরমালি করতে একমাস সময় লাগবে আর দ্রুত করতে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে পাবেন ৫০০ টাকা দিলেই পেয়ে যাবেন
রুগীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য টেবিল গাড়ি থাকা সত্বেও দিতে রাজি হয় নি,,পরে ১০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার জন্য গাড়ি দিয়েছিলো,,সরকারি হসপিলে,।
দুই শতক জমি খারিজ বাবদ ৯ হাজার টাকা চায়
পুলিশের এসএই বলছিলো হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করতে টাকা লাগবে ৪০০০। টাকা দিলে ফোন খুঁজে দিবো
আমি একজন সরকারী কর্মচারী। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য। আমার প্রভিডেন্ট বদান্য হতে টাকা তুলতে গেলে হিসাব রক্ষন অফিসারকে ৫০০-১০০০ টাকা দেওয়া লাগে।টাকা না সে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখায় এবং টাকা দিলে আপনি ১৫-৩০ দিনের মধ্যে কোনটি হয়ে যায়।আর টাকা না দিলে ৩-৪ মাস লাগবে।তাই বাধ্য হয়ে আমার টাকা দিয়ে প্রভিডেন্ট ফান্ড হতে টাকা তুলতে হয়।
আমার বিষয়টি আমি উল্লেখ করছি।আমার ভাই একটি জমি ক্রায় করে। ২০০১ সালে তখনকার নিয়ম অনুযায়ী ওই দলিলে চারটা দাগ উঠানো হয় তার মধ্যে একটি দাগ ভোগ দখলে থাকে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করা আছে সেই। সেই জমি আমার ভাই আমার কাছে বিক্রি করে ঠিক সেভাবে দলিলে উল্লেখ আছে চারটি দাগের মধ্যে একটি দাগ ভোগ দখল। আমি অনলাইনে আবেদন করে দলিল সহকারে তৌসিল অফিসে যাই এখানে নায়েব সাহেব দেখে বলে এটার নামজারি করা যাবে না । তারপর আমি বলি তাহলে উপায় কি তিনি আমতা আমতা করে বলেন আপনার এই জমি ঠিক করতে গেলে নতুন দলিল করতে লাগবে নতুবা পনের হাজার টাকা দিলে আমি নাম জারি করে দিতে পারি। আমি মাগুরা জেলা থেকে। থানা জেলা মাগুরা
আমি আমার জন্মনিবন্ধন সনদ ভুল সংশোধন করতে গেলে তারা কোনো কারন ছাড়াই ১২০০ টাকা দাবি করে কিন্তু সরকারি সংশোধন ফি মাত্র ১৫০ টাকা । এই দেশ আর ভালো হবার পথে নয় ।
আমি কৃষি ব্যাংকের নন নিতে গিয়েছিলাম আমার কাগজ পাতি সব ঠিকঠাক আছে আমাকে বলছে লোন দেওয়া যাবে না পরে আর একজনকে নিয়ে গেলাম সেখানে তাই বলছে স্যার দেখে না কেন দেওয়া যাবে সব ঠিক আছে তবে স্যার বলছে লোন নিতে হলে ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগবে নয়তো হবেনা
সেবাটি ছিলো আমি দুবাই যাবার উদ্দেশ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক মাদারীপুর ব্রাঞ্চ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ঋণ চাইলে ব্যাংক কর্মকর্তা ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুষ চায়। মানে সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ঋণ মঞ্জুর করছিলো না। সারাদিন আমার মা বাবা ভাই-বোনদের ব্যাংকে বসিয়ে রাখে। আমার বড় ভাই একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হওয়ায় সরাসরি ঘুষ চায়নি এবং ভাইও বুঝতে পেরে দিতে অসম্মতি দিয়েছে। অবশেষে ঋণ পাশ হলেও ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে আমি যখন চেক আনতে যাই তখন আমার কাছে থেকে একরকম জোর করে ৫ হাজার টাকা রেখে দেয়।
খাজনা পরিশোধের জন্য বাড়তি চেয়েছিল।
এখনো GPF টাকা বাড়াতে পারিনি জুন মাসে পর থেকে শুধু তাদের গাফিলতি।
অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি পাসপোর্টে দেওয়া বর্তমান ঠিকানা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা হতে। বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে সাভারে থাকায় থানা থেকে ফোন দিলে চার ঘন্টা জার্নি করে কাগজ নিয়ে থানায় যাই। সেখানে আমাকে বাবার উপস্থিততে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন করা হয়, যেমন জমির পর্চা কই, বিদ্যুৎ বিল আমার মায়ের নামে কেন। বাবা হাবভাব দেখে তাকে এক হাজার টাকা দিতে যায়।সে ও নেওয়ার জন্য হাত বাড়ায়। এতে আমি বলি ঘুষ দিয়ে কখনো কিছু করিনি, এই কাগজ লাগবে না। এরপর ৪ঘন্টা জার্নি করে ফিরে আসি। পরদিন নাম পরিচয় গোপন করে থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আপনার আবেদনে ভুল ছিলো, আবার থানায় যেতে হবে। আমি বলি, ভুল হলে কাল বলতেন, কাগজ লাগবে না, থানায় যাবো না। একমাস পর অবশ্য ফোনে মেসেজ পাই, ক্লিয়ারেন্স হয়ে গেছে।
পুলিশের টিএ/ডিএ বিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের কনস্টেবলদের ১০% কমিশন দিতে হই। কমিশন না দিলে তারা বিল করে না। বলে উক্ত কোড নাম্বারে বাজেট নাই, বিল পেতে দেরি হবে। ১০% দিলে তখন আবার বাজেট থাকে, বিল পেতে দেরি হই না।
আমি গিয়ে বললাম আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট হইছে। লাইসেন্স টা দেন। তারা জানায় এখনো আসে নি।পরে একজন ভ
আমি প্রথমত একটা পুরাতন মামলার নকল তুলার জন্য আবরদন দেই। পরবর্তীতে সেই নথি বের করে দিবে বলে ২,০০০/= টাকা। আমি বলি ক্যান এত টাকা লাগবে? আমি তো নিয়ম মোতাবেক কোর্ট ফি প্রদান করেছি, বারতি টাকা ক্যান দিবো? পরে আমি নকল না নিয়েই চলে আসি।
৪ তলা বাড়ির পর ৫ম তলা বানিয়েছি। আমি নিজেই সব দেখাশোনা করছি এবং এসব বিষয়ে একদম নতুন। বিল্ডিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় মিটারের জন্য অনলাইনে আবেদন করি, কিন্তু এতদিনেও কোনো খবর নেই। পরে পরিচিত এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে জানালে সে বলে এভাবে আবেদন করে বা অফিসে গিয়ে লাভ নেই, কেউ পাত্তা দেবে না এবং দালাল ধরতে হবে। ৪টি পুরোনো মিটার পরিবর্তন করে কার্ড মিটার করা আর ৫ম তলার নতুন মিটার দেওয়ার জন্য মোট ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়, যার মধ্যে ২৫,০০০ টাকা মিটার বাবদ আর বাকি ২৫,০০০ টাকা সরাসরি ঘুষ হিসেবে চায়। অন্যায্য এই ঘুষের টাকা দিতে না পারার কারণে ফ্ল্যাটের সব কাজ শেষ থাকার পরও মিটার না পেয়ে ঘর খালি ফেলে রাখতে হচ্ছে।
চাকরির জন্য ঘুষ চাওয়া হয়েছিল
পাসপোর্ট এর ডকুমেন্টস এ উল্টাপাল্টা ভুল ধরতেছিল, যেখানে সব কাগজ ঠিক ছিলো। তারপর এই টাকা দিলেই নাকি একদিনের মধ্যে ছবি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব দেয়া যাবে।
রাত বারোটার পর গাইনি ইমার্জেন্সি ২১২ তে পেসেন্ট ডুকছে। ডাক্তারদের পাশে ৩-৪ জন দালাল বসা যেখানে মহিলাদের অতিব গোপনীয় চিকিৎসা করা হয়। রোগী ঢোকার সাথে সাথে ডিউটি ডক্টর ও ইন্টারনেট ডক্টররা একটা স্লিপে অনেকগুলি টেস্ট লিখে তারপর বলে এদেরকে দিয়ে পেমেন্ট করে।। অস্বাভাবিক এমন দাবি করা হয় পেমেন্ট করলে সেবা শুরু হয় পেমেন্ট না করলে রোগী কান্নাকাটি করতে থেকে কেউ দেখতে আসে না। আমার কাছে সাত হাজার টাকা দাবি করল আমি অনেক বলাবলি করে তাদেরকে ৪৮০০ টাকা দিলাম বলল এক ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট দিবে কোন রিপোর্টই আমাকে দিল না। রাত তিনটার সময় আরেকজন ডক্টর এসে আরেক দালালকে নিয়ে বলতেছে তাকে ৩৭০০ টাকা আমি সেটা আর দেইনি। তবে সেরাটা আমার কাছে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে অসংখ্য গরীব মানুষকে প্রচুর নির্যাতন করা হচ্ছিল।