নাম জারি
জমির নামজারি করতে টাকা চাইছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির নামজারি করতে টাকা চাইছিলো।
আমি একজন নতুন মোটরবাইক চালক হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করতে যাই। সেখানকার একজন উর্ধতন কর্মকর্তা আমাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেওয়ার কথা বলে ১২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। কিন্তু সরকারি আবেদন ফি অনেক কম হওয়ায় আমি এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখান করি।
আমার বাড়ি বরিশালে, কিন্তু আমি আর আমার ছোটো ভাই পার্মানেন্ট ভাবে ঢাকায় থাকি,সেজন্য ছোটো ভাইয়ের পাসপোর্ট করার জন্য মোহাম্মদপুরের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, এবং ঢাকায় ঠিকানায় পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি, আবেদনের কাজ শেষ করে আমি জমা দিতে গেলে বলে এ-ই ঠিকানায় হবে না, আপনাকে বরিশাল থেকে একটা প্রত্যয়ন পত্র আনতে হবে, অথবা আমাদের হাতে অপশন আছে, আপনি যদি ৪০০০ টাকা দেন তাহলে এটা এখান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে করে দেয়া যাবে। দাবি করা টাকা দিতে আমি অসম্মতি জানাই, এবং পরবর্তীতে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে গেলে কথা বলতেও রাজি হয় না, কিন্তু এক পর্যায়ে যেভাবেই হোক কর্মকর্তার চেম্বারে গেলে একইরকম কথা বলে, এবং আমি তখনও বলি যে বরিশাল গিয়ে আমার যদি ছাড়পত্র আনতে হয়, তাহলে তো আমি বরিশাল থেকেই করতাম,পরে বাধ্য হয়
নতুন উদ্যোক্তা হিসাবে একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করার ইচ্ছা ছিলো। অনলাইন এ BIN এর আবেদন করার পর একটা নম্বর থেকে ফোন করে দেখা করতে বলা হয়। আমি দেখা করতে গেলে ওই নম্বর অফিসের কেও না চেনায় একটু সময় লাগে পেতে। উনাদের জুনিয়র একজন অফিসার (ময়মনসিংহ বাড়ি)। নাম না বলি। আমাকে বলেন উপরে স্যাররা আছেন। আপনি ১৫,০০০/- দেন। আমি তার সাথে কোনো লেনদেন না করে চলে আসি।
সে আমাকে বলে সমস্যা আছে জমিতে ৪০০০ লাগবো নাইলে বাতিল কইরা দিব
আমার ছোট ছেলে অসুস্থ হওয়ায় তাকে সরকারি শিশু হাসপাতালে ভর্তি করি। সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে এমনিতেই মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছিলাম। ভর্তির শুরু থেকেই হাসপাতালের কিছু নার্স, আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী বিভিন্ন কাজের পর টাকা চাইতেন। সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু পেরেছি দিয়েছি, কিন্তু সবসময় চাহিদামতো দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর হঠাৎ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়—আমি নাকি হাসপাতালের ওয়াশরুমের কল ও বেসিন ভেঙেছি! অথচ আমি এমন কোনো কাজই করিনি। এই অভিযোগের পর আমাকে একপ্রকার আটকে রেখে ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি পরিস্থিতির ভিডিও করতে শুরু করে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার কথা বলতেই শেষ পর্যন্ত আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সেবাটি পুলিশি সেবা ,আমি বিদেশ থেকে 2019 সালে আসার পর এলাকার স্থানীয় নেতাদের সাথে জামেলা ( দালাল ) হয় । এর পর আমি পুলিশের কাছে আসি থানায় পুলিশের এস আই এবং ভারপাপ্ত র্কমর্কতা ্ওসি আমার মামলা না নিয়ে নেতাদের পক্ষ নিয়ে র্ধমীয় ্ও রাজনৈতিক সহিংসতা সৃষ্টি করে হিন্দু সমপদ্রায় আমাকে আনেক মারে এবং মানসিক রোগী বানিয়ে রাখে আজ পর্যন্ত আমি এই র্ধমীয় ্ও রাজনৈতিক সহিংসতার বিচার চেয়েছিলাম আমাকে তারা মানসিক সমস্যা মনে করে । আমি আজ্ও আ্ওমী লীগ এবং বিএনপির সন্তাসীর কাছে জিম্মী হয়ে আছি । আমি মুক্তাগাছার থানার কথা বলছি গ্রাম : রায়থোরা ,মানকোন
মূল্যায়নের সময় ঘুস দাবি।
ডিভোর্স সংক্রান্ত বিষয়।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর আওতায় সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প এর আওতায় আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে লোক নিয়োগে এস্টিমেটর — আর পিডি — দারুন এক ঘুষের রাজ্য গড়ে তুলেছেন, ১ম ধাপে ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রকল্পে লোক নিল পরে আবার টাকা চাইল, না হলে অন্য লোক নেবে, এটা পিডি এবং এস্টিমেটর ( —) এর মন্তব্য
আমার গ্রামের বাসার জমির কাগজে দাদার নামে ভুল ছিলো, তা ঠিক করাতে গেলে ৪০০০০টাকা দিলে সহজে ঠিক করে দিবে। এছারা ঠিক করার জন্য কথা বলে ঐভাবে সাহায্য পাচ্ছি না তাদের থেকে।
আমি আমার আপন চাচাকে সাথে নিয়ে সোনালী ব্যাংকের একাউন্ট খুলতে গেছিলাম ২০২৩ সালের শেষ দিকে। উল্লাপাড়া শাখাতে। ওখানে কুঁজো করে এক অফিসার ছিল সে একাউন্ট খুলে দিয়ে তিনশো টাকা চা খাওয়ার জন্য দাবি করে।পরে দেই নাই।তখন ও এবং ওখানকার কম্পিউটার অপারেটর সহ আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। পরে থেকে সবাই কে সোনালী ব্যাংক এরিয়ে চলার পরামর্শ দেই। আমি চাই এসব দুর্নীতি বাজ দের পে স্কেল বন্ধ হোক। এদের ক্রসফায়ার করা হোক।
আমার ছোট ভাইকে HSC 2 nd year এ ভারতি করাতে গিয়েছিলাম। ভরতি বিষয় এ দায়িত্তরত — নামক একজন লোক আমার থেকে টাকা দাবি করে। সে বলে কিছু খরসাপাতি করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানের নামে ইটিন করতে দিতে হবে
নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার ৮ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন ওয়ার্ডে কেন্দ্র পরিবর্তন করার জন্য অনেকে দরখাস্ত জমা দেয় থেকে যখন কেন্দ্র পরিদর্শনে আসে অফিসার তারা কেন্দ্রকে যাওয়ার ইচ্ছা মতো রাখার জন্য অফিসারকে ঘুষ প্রদান করে।
ফাইল প্রতি বছর অডিটে ফেলে।
জমিতে নিজের নাম জারি করা সময় ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা ঘুষ চাই কিন্তু সরকারি জাস্ট ১৩৫০ টাকা তা না দেয়া হলে তিনি তা করেন না
আমার কর্মস্থল বাড়ি থেকে দুরে। তার কারনে বদলির আবেদন করলে। ১৫০,০০০ টাকা দাবি করা। আমি শুরুতে রাজি হই। এবং পরে আমি তার কথার সাথে কাজে ঠিক মত হচ্ছে না। তার জন্য আমি সেটা থেকে সরে আসি। তাছাড়া আমাদের বেতন চালু করার জন্য। আমরা সমন্বতিত ভাবে। ৮০ হাজার টাকা দিলেও আমাদের কাজ করা হয়নি সম্পুর্ন ভাবে। পরবর্তীতে দেড় বছর পর জানতে পারি আমাদের কাজটা হয়নি। তখন পুনরায় ৩০ হাজার টাকা দিয়ে কাজটা করানো লাগছে।
মাধক বিক্রি করে পুলিশ জেনেও তাদের ধরে না। অন্য ছোট ব্যবসায়ীদের ধরে কিন্তু তাদের ধরে না তার মানে কি তাদের থেকে ঘুস নেই। জেলাঃ কিশোরগঞ্জ, উপজেলাঃ কটিয়াদী, ইউনিয়নঃ মুমুরদিয়া, গ্রামঃ বাহেরপাথরের —ের ৩ ছেলে ও —র ছেলেরা এবং —, তাদের জালায় এলাকার সবাই অতিষ্ঠ, প্রশাসন ও মুখ বন্ধ কেউ কথা বললে তাদের বিরুদ্ধে অনেক জুলুম অত্যাচার করে, সবাইকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসুন।
Dhaka South City Corporation. circle change from 16 to 17, room 731- lady officer was there. Trade License Address change and old photo change. I had to visit 5 times and wait about 15 days.