প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ সময়
২০১৮সালে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সাক্রোলারে নিয়োগের সময়।আমার চাহিদা অনুযায়ী স্কুলে যেতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবি করে।চাহিদা অনুযায়ী নিয়োগ না দেওয়ার কারনে দুর্গম এলাকায় নিয়োগ দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০১৮সালে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সাক্রোলারে নিয়োগের সময়।আমার চাহিদা অনুযায়ী স্কুলে যেতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবি করে।চাহিদা অনুযায়ী নিয়োগ না দেওয়ার কারনে দুর্গম এলাকায় নিয়োগ দেয়।
আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিস মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম, অফিসের স্টাফ বললো এখন ভোটার করা যাবে না। আমি অফিসারের কাছে গেলাম, অফিসার আবার আমাকে পিউন এর কাছে পাঠালো, তখন পিউন/অফিস স্টাফ আমার কাছে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা চাইলো। বললো স্যার বলছে আপনি টাকা দিলে ভোটার হতে পারবেন। এর মধ্যে অন্য একজন লোক আসলো ভোটার স্থানান্তর করার জন্য, তখন অন্য একজন অফিস স্টাফ তার কাছে ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) টাকা দাবি করলো। লোকটি টাকা নাই বলে অনুরোধ করতে চাইলো কিন্তু পিউন এবং অফিস স্টাফ ধমক দিয়ে লোক থেকে সরিয়ে দিলো। ঐ লোকটির মত আমাকেও অসহায়ের মতো চলে আসতে হলো।
আমার বাসা বনশ্রী রামপুরাতে। বাসার পিছনে সারা দিন মাদকাসক্ত, মাদকসেবন, মাদক কেনা বেচার রমরমা বাজারে পরিনত হয়েছে। পুলিশ কে জানালে বলে অইটা আমাদের এরিয়া না। কিন্তু খোজ খবর নেয়ার পর জানতে পারলাম কিছু পুলিশ নিজেই এই সবের সাথে জড়িত। কিছু দিন হই হুল্লুর হয়, আবার জেই লাউ সেই কদু। কে শোনে কার কথা। থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে গিয়ে ছিলাম একজন পুলিশ বলে কিছু মাল পানি দেন কাজ করে দিচ্ছি, জিজ্ঞাসা করলাম কত টাকা? তিনি বললেন : দেন লাখ২-৩ সব সেটেল করে দিচ্ছি। বুঝলাম এই দেশে থাকতে হলে — মতো মানুষ মেরে থাকতে হবে। তা ছাড়া জাহান্নামে কস্ট নিয়ে বেচে থাকতে হবে। আল্লাহর গজব এই দেশের মানুশের উপর শুধু শুধু দেন না, এই সব পাপের প্রায়শ্চিত্ত ফল স্বরূপ দেন।
আমার নামের বানান ভুল প্রিন্ট হয়ে আসে যখন এনআইডি হাতে পাই, সেই সাথে আমার মায়ের লাস্ট নেইমও ভুল আসছে, কিন্তু আমি যখন ভোটার হই, তখন আমি সব কিছু ঠিক মত লিখে দিছিলাম ফর্ম-এ। এনআইডি কার্ড পাওর পর যখন ঠিক করার জন্য আবেদন করি অনলাইনে, তার পর অনেক দিন পেন্ডিং অবস্থায় পরে থাকে আবেদন, তারপর অফিসে (আগারগাও) গিয়ে কথা বলি, তারা বলে দেখবে। বের আসছিলাম অফিসের একলোক আমাকে গেটের সামনে থেকে ডেকে চায়ের দোকানে নিয়ে যায়। পরিচয় দেয়, সেই এই অফিসেই চাকরি করেন, আইডি কার্ড দেখালো, আমিও এই লোকে অফিসে দেখছি। পরে আমার প্রব্লেমের ব্যাপারে জানতে চান, শোনার পর ২৫,০০০ টাকা দাবি করে, বলে এখন টাকা দিলে আজকেই কাজ হয়ে যাবে। আমি ফোন নাম্বার নিয়ে চলে আসি, আমার ফোন নাম্বার রেখে দেন, তার পর এক সপ্তাহ আমাকে অনেক বিরক্ত করেন।
অনলাইনে সংশোধনের আবেদন করে ৬ মাসঘোরাঘুরির পর দালালের মাধ্যমে ৫০০০০/- টাকা দিয়ে পাঁচটি অনুমোদন করা হয়েছে দুই দিনের ভিতর
দালাল বলেছিল ৬,৫০০ টাকা লাগবে আমি বললাম নিজেই করব যেখানে সরকারী খরচ ১১৫০ টাকা। গেলাম চাটমোহর পৌর ভুমি অফিসে সেখানে নায়েব ঘুষ চাইল ২ হাজার টাকা আবার এটাও জানালো ২ হাজার টাকা দিলে শুধু তারা রিপোর্ট ছাড়বে উপরে সার্ভেয়ার কেও ঘুষ দিতে হবে। যদি আমার নিজে ঘুরে ঘুরে করেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় তাহলে আর কি লাভ পরে দালাল দিয়ে করায় নিছি
সংস্থা হচ্ছে পেট্রোবাংলা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা একটা সিন্ডিকেট করে ফেলেছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ। বিগত সরকারের সময় যথা নিয়মে সকল কর্মকর্তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে একটা সিন্ডিকেট প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে গড়ে উঠেছে। যার কারণে আমরা যারা নিরীহ কর্মকর্তা ঘুষকে প্রত্যাখ্যান করি তাদের পদোন্নতি পাওয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের জন্য সততা কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার পদোন্নতি বিনা কারণে পেট্রোবাংলা ছয় মাস ধরে আটকে রাখছে। এ হচ্ছে বর্তমান অবস্থা।
নামজারি প্রতিবেদন প্রদানের সময় খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা বাণীশান্তা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে 30000 হাজার টাকা দাবি করা হয়
ঘুষ চেয়েছিলো।ন্সজসওপজস্নস্নন্স
GD ekti free sheba. GD korar por amr kase tk dabi kore and ami ta prottakkhan kori
খতিয়ান হতে কিছু ব্যাক্তি বের হয়ে আলাদা নামজারি করেছে। এখন আমরা অনলাইন আপডেট চাচ্ছি কর দেয়ার জন্য। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে আপডেট করছে না ফলে আমরা ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারছি না। এই পরযন্ত 3 বার গেলাম একাগজ ঔকাগজ যেটাই নিয়ে আসি আরো 2 টা অজুহাত দেখায় ... কি আর বলব
আমাকে ৫ থেকে ১০ বছর লেখাপড়া শেষ করে যদি টাকা দিয়ে সাট্রিফেকেট আনতে হয় , তাহলে এইটা কতটা যৌক্তিক? টাকার পরিমাণ ও সামান্য নয় । ১৫০০,২০০০ টাকা পর্যন্ত দাবী করে। আমার কাছে চাওয়া হয়েছে ১৫০০ টাকা।মনিরুজ্জামান খান বিএম কলেজ, ভূয়াপূর, টাংগাইল, ঢাকা ।
দিনাজপুর জেলা নবাবগঞ্জ থানার নির্বাচন অফিসে আমি নতুন ভোটার হওয়ার জন্য যাই আমার একটা কাগজে অল্প একটু সমস্যা থাকার কারণে উনারা আমার থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করে আমার কথা হয়েছে টাকা দিয়ে যদি সমাধান হয় তাহলে তো এমনি ও সমাধান হয়তো!
আমি খুলনা সিটি কর্পোরেশনে গিয়েছিলাম। ই কমার্স ব্যবসার জন্য একটা ট্রেড লাইসেন্স করতে। কিন্তু তারা জানায় সরকারি ফি বাদেও তারা এই অতিরিক্ত টাকা আমার কাছে দাবি করে। আমি বলেছিলাম পরবর্তীতে জানাবো। এই অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কারণে আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করি।
বিভিন্ন ধরনের পেপার যেমন এনওসি নাগরিক সনদপত্র এই পেপারগুলো চেয়েছে আমার পূর্বের আরেকটি পাসপোর্ট আছে তারপরও এগুলো আমার কাছ থেকে আবার নতুন করে চাইছে
Digital NID কার্ড বিতরনের সময় আমি চাকুরির সুবাদে উপস্থিত হতে পারিনি। পরবর্তী সময়ে গ্রহণ করতে নির্বাচন অফিসে গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি দিতে অপরাগতা প্রাকাশ করায় আমাকে এন আই ডি কার্ড দেয়া হয়নি। অন্য যারা টাকা দিয়েছে তাদের এন আই ডি কার্ড পেয়েছে। পরে আর সংগ্রহ করার চেস্টা করিনি এবং পরবর্তী নির্বাচনে ভোট প্রদান থেকে বিরত ছিলাম।
HS code 35069900 এই এইচএস কোড দিয়ে সুপার গুলুকে নরমাল গুলু হিসেবে খালাস করার জন্য সিএন্ডএফ এজেন্ট এবং কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ দাবি করেন। অনেক আমদানিকারক মংলা বন্দর দিয়ে মাল এনে এই সুবিধা গ্রহণ করে, এতে করে দেশের এবং অন্য আমদানিকারকদের অনেক ক্ষতি হয়।
এভাবে চললে কিভাবে সম্ভব?
মামলার নামে বাতিল করার জন্য টাকা চাওয়া হয়ে ছিল।
উত্তরা ৩য় ফেজ একই নামে দুইবার খারিজ করতে , এক বার ২ হাজার পনের সালে এখন আর একবার করতে হবে