Telecom License
They claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim money
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
They claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim money
আমি একটি স্বেচ্ছাসেবক মূলক সংগঠন পরিচালনা করি, আমার কাছে সমাজসেবার কর্তৃপক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে শুধু নিবন্ধনের জন্য, আমি দেইনি। এটি বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়।
ঢাকা কাঁচা মহাখালী বাজারের পেছনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি শাখা আই.ই. ডি. সি. আর প্রতিষ্ঠানের স্টোর কিপার — গত বছর আমার একটি আউটসোর্সিং টেন্ডার পাইয়ে দিবে বলে আমার কাছে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি টাকা দিতে স্বীকৃতি জানাই এবং আমার ফার্ম যোগ্য থাকা সত্ত্বেও অন্য একটি ফার্ম গলফ এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিকে ঠিকাদারির অনুমতি দিয়ে দেয় এতে — সাথে এই প্রতিষ্ঠান ডিরেক্টর একজন মহিলাও জড়িত আছেন। উল্লেখ্য এই স্টোর কিপার — বিগত ২৫ বছর যাবত একই পোস্টে কর্মরত আছেন একই প্রতিষ্ঠানে তিনি তার প্রোমোশন ঠেকানোর জন্য ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ঠেকানোর অভিযোগ আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যত অনিয়ম তার হাত দিয়ে সংঘটিত হয় বিষয়টি তার অফিসে গেলে প্রমাণ পেয়ে যাবেন
সিটি কর্পোরেশন নতুন হোল্ডিং টেক্স নোটিস করেছে ওইটার উপরে ক্যালকুলেশন করে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা বলেছে
প্রতিটি জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে বাড়তি টাকা এবং হয়রানি করা হয়
টাকা না দিয়ে সরাসরি এসি ল্যান্ড স্যারের সাথে যোগাযোগ করি তার পর ঘুষ ছারা হয়ে গেছে
আমি মিটারের নাম পরিবর্তন করেতে গেলে সে আমার নিকট অতিরিক্ত টাকা দাবি করে , সাথে চা পানি খাওার জন্যে বর স্যার এর জন্যে আলাদা টাকা দাবি করে , একদিন এ হয়ে যাবে বলেও কথা দেয় ।
আমার ট্রেডলাইসেন্স টি কেরানীগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়ান পরিশধে। এবার আমি লাইসেন্সটি নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলা হয় উপজেলা থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC) আনতে হবে। ওখানে গেলে আমার কাছে NOC এর জন্য দশ হাজার টাকা দাবিকরা হয়। আবার ট্রেডলাইসেন্স রিনিউ করাতে ৬ হাজারের জায়গাতে ৯ হাজার টাকা দাবি করছে। শুধু একটা ট্রেডলাইসেন্সের জন্য এত টাকা আর ভুগান্তি হলে আমরা ব্যাবসা করব কিভাবে?? আর ট্রেড লাইসেন্সের জন্য NOC কেনো নিতে হবে?? এটা শুধু মাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য করা হয়েছে। আগে ৪ হাজার টাকায় ১ দিনে লাইসেন্স পেয়ে যেতাম। এই দেশে আর ব্যাবসা করা হবে না মনে হয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিবন্ধনের জন্য যখন এনএসআই তদন্তে এসেছিল সকল রিপোর্ট কাগজ জমা দেওয়ার পরেও কর্মকর্তা nsi এর ৪০০০০ হাজার টাকা দাবি করেন।
আগে প্রতি মাসে ৩০০/- লাগতো শিক্ষকদের বেতন বিল অনুমোদনের জন্য আর গত ১৮/০৮/২০২৬ তারিখ থেকে ঘুসের টাকা বাড়াতে বলেছে। কারণ দ্রব্যমুল্য বেড়েছে তাই এখন ১০০০/- দিতে হবে।
BRTC TRAINING CENTER, driving training and licencing তহবিল করতেছে বিশ্বব্যাংক ফ্রী সেবা সেখানের স্টাপরা ৮০০০ টাকা করে চেয়েছপ ঘুষ হিসাবে
NID করতে গেলে ঘুস চায় দিনের পর দিন ঘুরায় বলে আজকে না কালকে, কালকে না অমুক দিন এমন করে,সব শেষে বলে আইডি কার্ড ঢাকা আটকে আছে ওইখানে গিয়ে নিয়ে আসতে হবে
আমি উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য গেলে অফিসের ভিতরে থাকা এক লোক আমাকে বলে নতুন ভোটার হতে গেলে কিছু খরচ করতে হবে। তাহলে তারাতারি আইডি কাড করা যাবে। পরে আমি বললাম কত টাকা দিতে হবে সে বললো 5000 টাকা লাগবে।
জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য সংশোধন করতে গিয়ে ফেনী দাগনভূইয়া উপজেলা অফিসে ৩৫০০০ টাকা দাবী করেন ঠিক করে দেয়ার জন্য। টাকার বিনিময়ে হলে ২ দিনে হয়ে যাবে কিন্তু নরমাল প্রসেসিং এ তারা কাজ আগাচ্ছিলোই না, ইভেন আমার সেই কাজ এখনো হয় নি।
আসসালামু আলাইকুম , আমি একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাগরিক , আমি যখন আমার নিজের জন্য একটি নতুন ইপাসপোর্ট করতে যায় , আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি . যে পরিমান এর ডাটা দেওয়া দরকার আমি সব কিছু দিয়ে ফাইনাল সাবমিট করি , ১ দিন পর আমার পাসপোর্ট অফিস এ ফিঙ্গার এর সিডিউল আসে , যখন আমি ভেরিফিকিশন রুম এ যায় তারা আমাকে নানা রকম ভুল আছে বলে ফাইল জমা নেই নাই , তার পর আমাকে বলা হয় আমি যেন AD স্যার এর রুম যায় গেলাম সেই খানে যাওয়ার পর অনি আমার ফাইল দেখে বলে এই ফাইল সমস্যা আছে , আমাকে ফেরত দেওয়া হল । আমি যখন বাহিরে আসি ঐ খান এক আনসার আমাকে বলে কি সমস্যা আমি সব কিছু বিস্তারিত বলার পর সে আমাকে একটা নাম্বার দিয়ে বল ঐ খানে যান তারা সব কিছু করে দিলে কাজ এখন এই হয়ে যাবে .
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
পাসপোর্ট অফিসের হেল্পলাইনে কল দিয়ে জানতে পারি স্টুডেন্ট পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্টুডেন্ট আইডি কার্ড তাদেরকে শো করতে হবে কিন্তু বাস্তবে আবেদন করার সময় তারা প্রত্যায়ন পত্র দাবি করে এবং আমার আবেদনটি গ্রহণ করেনি। এরপরে পাশে থাকা আনসার আমার কাছে এসে বলে আপনি যদি এখনই কাজটি করে নিতে চান ১৫০০ টাকা হলে কোন কাগজপত্র আর লাগবেনা যা আছে তারা দেখে নেবে এরকম প্রস্তাব দেয় আমি সেটি না করে দেই পরবর্তীতে সকল ডকুমেন্ট দিয়েই কোন প্রকারের ঘুষ ছাড়া কাজটি করে নেই
নামজারীর আসল ফি এর পরিমান 1170.00 কিন্তু ভুমি অফিসের দাবী 70,000.00 টাকা না দিলে নামজারী করতে পারবে না।এখনো এই বিষয়ে আমি সুরাহা করতে পারি নাই।
কাগজ সরাসরি জমা দিতে গেলে বলে এলাকার চেয়ারম্যান দিয়ে সত্যায়িত করে আনেন। চেয়ারম্যান কে দিয়ে করে আনলে বলে কোর্ট থেকে করে আনেন। এইভাবে ঘুরায়। দালাল ছাড়া কাগজ জমা হয় না। দালালের মাধ্যমে টাকা খায়। অতিরিক্ত টাকা হিসাব করে দালাল।
আমার একটি মামলার কাগজ আদালতে পাঠানোর জন্য ২০২৩ সালে ফুলপুর থানার এস এই আমার কাছে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দিলে সে মামলার কাগজ দেই।