খুলনা জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে শিক্ষকদের বেতন বিল অনুমোদন বাবদ
আগে প্রতি মাসে ৩০০/- লাগতো শিক্ষকদের বেতন বিল অনুমোদনের জন্য আর গত ১৮/০৮/২০২৬ তারিখ থেকে ঘুসের টাকা বাড়াতে বলেছে। কারণ দ্রব্যমুল্য বেড়েছে তাই এখন ১০০০/- দিতে হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আগে প্রতি মাসে ৩০০/- লাগতো শিক্ষকদের বেতন বিল অনুমোদনের জন্য আর গত ১৮/০৮/২০২৬ তারিখ থেকে ঘুসের টাকা বাড়াতে বলেছে। কারণ দ্রব্যমুল্য বেড়েছে তাই এখন ১০০০/- দিতে হবে।
They claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim moneyThey claim money
অত্র দপ্তরের প্রধান এবং সহকারী অফিসার যোগ সাথে জন গনের জাতীয় পরিচয় পত্র সেবা দেয়ার নামে ভোগান্তি করে। জাতীয় পরিচয় পত্রের বিধি বিধান অমান্য করে সম্পূর্ণ নতুন নিজেদের সৃষ্টি করা আইন দিয়ে সেবা দিয়ে থাকে। নির্বাচন অফিসের সব স্থানে একই নিয়ম থাকা উচিৎ কিন্তু নির্বাচন অফিস, টুঙ্গিপাড়ায় ভিন্নতা কেন?
সিটি কর্পোরেশন নতুন হোল্ডিং টেক্স নোটিস করেছে ওইটার উপরে ক্যালকুলেশন করে তাকে ঘুষ দেওয়ার কথা বলেছে
Tara amar fro bar bar reject korechilo, pore ami joto bar thik kore ani tara vul dhorche. Pore bole hobe na amar baba GOVT accounts office-e job korto pore ami baba ke call kori, baba tar boss ke call kore oder bole jano erom problem na kore sathe mr vai gesilo se bisoy ta handel korche. Ami kono ghush daini.
আমার ট্রেডলাইসেন্স টি কেরানীগঞ্জ উপজেলার একটি ইউনিয়ান পরিশধে। এবার আমি লাইসেন্সটি নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলা হয় উপজেলা থেকে অনাপত্তি পত্র (NOC) আনতে হবে। ওখানে গেলে আমার কাছে NOC এর জন্য দশ হাজার টাকা দাবিকরা হয়। আবার ট্রেডলাইসেন্স রিনিউ করাতে ৬ হাজারের জায়গাতে ৯ হাজার টাকা দাবি করছে। শুধু একটা ট্রেডলাইসেন্সের জন্য এত টাকা আর ভুগান্তি হলে আমরা ব্যাবসা করব কিভাবে?? আর ট্রেড লাইসেন্সের জন্য NOC কেনো নিতে হবে?? এটা শুধু মাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য করা হয়েছে। আগে ৪ হাজার টাকায় ১ দিনে লাইসেন্স পেয়ে যেতাম। এই দেশে আর ব্যাবসা করা হবে না মনে হয়।
প্রতিটি জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে বাড়তি টাকা এবং হয়রানি করা হয়
ঢাকা কাঁচা মহাখালী বাজারের পেছনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি শাখা আই.ই. ডি. সি. আর প্রতিষ্ঠানের স্টোর কিপার — গত বছর আমার একটি আউটসোর্সিং টেন্ডার পাইয়ে দিবে বলে আমার কাছে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমি টাকা দিতে স্বীকৃতি জানাই এবং আমার ফার্ম যোগ্য থাকা সত্ত্বেও অন্য একটি ফার্ম গলফ এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিকে ঠিকাদারির অনুমতি দিয়ে দেয় এতে — সাথে এই প্রতিষ্ঠান ডিরেক্টর একজন মহিলাও জড়িত আছেন। উল্লেখ্য এই স্টোর কিপার — বিগত ২৫ বছর যাবত একই পোস্টে কর্মরত আছেন একই প্রতিষ্ঠানে তিনি তার প্রোমোশন ঠেকানোর জন্য ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে ঠেকানোর অভিযোগ আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যত অনিয়ম তার হাত দিয়ে সংঘটিত হয় বিষয়টি তার অফিসে গেলে প্রমাণ পেয়ে যাবেন
কমার্শিয়াল গাড়ির ফিটনেস
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিবন্ধনের জন্য যখন এনএসআই তদন্তে এসেছিল সকল রিপোর্ট কাগজ জমা দেওয়ার পরেও কর্মকর্তা nsi এর ৪০০০০ হাজার টাকা দাবি করেন।
Bdesh jawar jonna পুলিশ clearance. 2021 সালে
আমি অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি আমার আবেদনটি জমা পড়েছে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় তো সেখানে আমাকে ডাকা হয় এবং সেখানে কম্পিউটার অপারেটর এর রুমে আমাকে নেওয়া হয় এবং কম্পিউটার অপারেটর কর্মকর্তা যে এই ভেরিফিকেশনের কাজ করে থাকে সে আমার সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার থেকে ২০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দিলে নাকি আমার ক্লিয়ারেন্স নেগেটিভ আসবে পরে আমি ১৫০০ টাকা তাকে দিয়ে আসি
আমার গাড়ির মালিকানা পরির্বতন করার জন্য আমি চট্টগ্রাম BRTA যাই সমস্ত কাগজ ঠিক আছে। শুধু মালিকানা পরির্বতন এর ফাইল জমা নিতে ১০,০০০ হাজার টাকা চেয়েছে কিন্তু আমি। রাজী হই নাই। শুধু তাই আমি সেখানে যতক্ষণ বসে ছিলাম।ততক্ষণে প্রতিটি লোকের কাছে থেকে ঘুষ নিছে। বিভিন্ন অংকে....... BRTA প্রতিটি অফিসে টাকা চাড়া কেউ কথা বলে নাহ। সরকারে উচিৎ BRTA দিগে নজর দেওয়া
টাকা না দিয়ে সরাসরি এসি ল্যান্ড স্যারের সাথে যোগাযোগ করি তার পর ঘুষ ছারা হয়ে গেছে
কাগজ সরাসরি জমা দিতে গেলে বলে এলাকার চেয়ারম্যান দিয়ে সত্যায়িত করে আনেন। চেয়ারম্যান কে দিয়ে করে আনলে বলে কোর্ট থেকে করে আনেন। এইভাবে ঘুরায়। দালাল ছাড়া কাগজ জমা হয় না। দালালের মাধ্যমে টাকা খায়। অতিরিক্ত টাকা হিসাব করে দালাল।
ফ্যামিলি কার্ড সুমারি ও কার্ড বিতরণের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনানুষ্ঠানিক অর্থ (ঘুষ) দাবি এবং আদায় করা হচ্ছে। সরকারি সেবার আওতায় এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের থেকে অন্যায়ভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।— ১ নং ইউসুফপুর কারিগর পাড়া,চারঘাট, রাজশাহী এবং ইউসুফপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র সভাপতি সে।
আমার বন্ধুর বাইক সেনাবাহিনীর ,নতুন বাইক কেনা হয়েছে রেজিস্ট্রেশন ও করা হয়েছে কিন্তু রেজিস্ট্রেশন Smart কার্ড এখনো আসে নাই স্লিপ রয়েছে । বেরিবাঁধ মোড়ে ট্রাফিক বক্সের পাশে Ti স্যার আমাদের কাছে কাগজ দেখতে চান আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন এবং রেজিস্ট্রেশন স্লিপের ফোটোকপি দেখাই , কারন রেজিস্ট্রেশন স্লিপের অরজিনিয়াল ভিজে নষ্ট হতে পারে তাই মূল কপি বাসায় রাখা হয় । কিন্তু ট্যাক্স টোকেন এবং ড্রাইভিং ঠিকঠাক ছিল । তো উনি রেজিঃ এর ফটোকপি থাকার জন্য আমাদের গাড়ি ডাম্পিং করতে চান । ওনার কনষ্টেবল আমাদের সাইডে আসতে বলেন এবং ১০০০ টাকা চায়।আমাদের পরে আরেকটা বাইকের hard কপি ছিল না কিন্তু বিআরটিএ online Qr দেয়া ডকুমেন্ট ওনার মোবাইলে ছিল এর পরেও ওই গাড়ি ডাম্পিং এ দেয়া হয় ,অযথা হয়রানি করা হয়।
শুধু ঘুষ কেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের কার্যক্রম বিষয়ক কিছু থাকা উচিত ছিল, যেমন- কর্মকর্তা ও কর্মচারি তাদের কার্যক্রম কেমন চলে, এ রকম আরো কিছু বিষয় এড করা উচিত। তাহলে আরো অনেক কিছুই উঠে আসবে আর সংশোধন এর সুযোগ থাকবে।
সাভার উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলে গেলে ইউনিয়ন সচিব এর কর্মচারী আমার কাছে অতিরিক্ত ১৫০০/ দাবী করেন টাকা না দেওয়ার কারনে আমার কাজ টা করে দেয়নি ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন প্রশাসক কে বিষয় টা জানালে উনি বলেন এখন এটাই নিয়ম ।
আমার জন্ম নিবন্ধন, বিবাহ কাবিননামা, সার্টিফিকেট কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পারিবারিক সনদ, রেডিওলজি সার্টিফিকেট এবং প্রত্যয়ন পত্র সহ তারা যা যা ডকুমেন্ট চেয়েছে সব দিয়েছি। তার পরেও আমার কাছ থেকে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দাবি করেছে।