Income tax
Asking 100000 taka for my tax return submission otherwise he will create problem to my tax return। ঘুষখোর জনোয়ার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Asking 100000 taka for my tax return submission otherwise he will create problem to my tax return। ঘুষখোর জনোয়ার
শুনানিতে অংশ না নিয়ে নামজারি করার রেট ২৫০০ টাকা। টাকা না দেয়ায় আমার আবেদনের ২ মাস যাবত ঝুলে ছিল, আর কোন প্রগ্রেস হচ্ছিলো না। পরে ফোন করে কারন জানতে চাইলে পুনঃরায় শুনানিতে ডাকে এবং কাজ করে দেয়।
They want me to pay them for Increasing the metres Kilowatt capacity
আমার বাসার জন্য নতুন মিটার আবেদনের সময় অফিস থেকে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক গত মে মাসে ৩ টি মিটারের জন্য ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগবে বলেছিল, টাকা না দিলে মিটার দিবে না। আমি ঘুষের টাকা দিব না বলেছি। আমি টাকা না দিয়ে নিজেই আবেদন করেছি। মে/২৬ মাস থেকে আগস্ট /২৬ পর্যন্ত আবেদনের প্রায় ৪ মাস হলো এখনও মিটার পাই নাই। অফিসে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু ঘুষ দেই নাই বলে মিটার দিচ্ছে না। আমি সরকারি ফি বাবদ অনলাইন এর মাধ্যমে ৩ টি মিটারের জন্য ৩,৩০০ টাকা পরিশোধ করে রেখেছি।
বিদেশ যাওয়ার জন্য অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করে সরকারি সব ফি জমা দিয়ে থানায় গেলাম পুরা ফাইল টা জমা দিতে যেনো তারা তাড়াতাড়ি রিপোর্ট দিয়ে দেয় তার জন্য, একজন কম্পিউটার অপারেটর কে ফাইল দিলাম এর পর উনি কোন দেশে যাচ্ছি তা নিয়ে কিছু কথা বলার পর বলতেছে এখানে তো কিছু খরছ আছে জানেন, আমি বললাম কিসের খরছ আমি সব টাকা পরিশোধ করে আসছি এরপর উনি বলতেছে ৩০০ টাকা দিলেই হবে বেশি লাগবেনা, পরে আমি বলি আমি একটাকাও দিতে পারবোনা কারন আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নাই তাই আমি আপনার সাথে কোনো প্রকার সেটেলমেন্ট করতে পারবোনা, এরপর উনি বলেন আচ্ছা ঠিক আছে চলে যান, পরে আমি চলে আসি
২০২৪ সালে আমার MBA পরীক্ষা শেষ হয় এবং ২০২৫ সালে ফলাফল প্রকাশের পর আমি সার্টিফিকেট সংগ্রহের জন্য কলেজে যাই। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অফিস থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে আমার কাছে প্রায় ২০০–৩০০ টাকা চাওয়া হয়। বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি হেড স্যারের কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তিনি কোনো সহযোগিতা না করে বরং আমাকে বকা দেন। আমাদের MBA-তে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যদি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০–৩০০ টাকা নেওয়া হয়, তাহলে এক ব্যাচ থেকেই মোট ৪০,০০০–৬০,০০০ টাকা আসে। যদি প্রতিবছর একইভাবে টাকা নেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত—এই টাকা কি কলেজের অফিসিয়াল ফি, নাকি অন্য কোনোভাবে নেওয়া হচ্ছে? কারণ বৈধ ফি হলে সা
চট্টগ্রাম জেলার, রাউজান উপজেলার বিনাজুড়ি ইউনিয়নে কাগতিয়া এলাকায়, জৈনিক এক ব্যাক্তি বেশ কয়েক বছর যাবত, নিজেকে পীর দাবি করে আসছে, এবং নিজের মুরিদদের দিয়ে মানুষের জায়গা দখল করে আসছেন, এই পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ জনের জায়গা এমন ভাবে দখলে নিয়ে, নিজের রাজত্ব কায়েম করছে এবং মানুষদের নির্শ করছে, প্রতিবাদ করলে নেমে আসে জুলুম নির্যাতন। প্রশাসন কোনো ব্যাবস্তা নিচ্ছে না, প্রশাসন তাদের ভয়ে নীরব রয়েছে। দ্রুত সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। কাগতিয়া দরবার বল্লে সকলে চিনবে,
নামজারির জন্য অফিসিয়াল ফি এগারোশত টাকা কিন্তু এরা সবার থেকে সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা নেয়।
VOTAR CARD TRANSFER KORE ORIGINAL VOTARCARD DEOWAR JONNYA
সরকারি ফি 4200 something তারা এটা complete করে receipt done 9000 taka দিলে
আমার ব্যাক্তিগত জমির রেকর্ড ও খতিয়ান সংক্রান্ত ভুলের জন্য ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে ভূমি কর্মকর্তা ৬০০০০ টাকা ঘুষের দাবি করেন,,। আমি ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক গরীব অসহায় ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে ভূমি অফিসের সেবা গ্রহণ করেন।
অনলাইনে আবেদন করার পর তফসিল অফিসে সমন্নয় করার জন্য গেলে সেখানে ৫০০টাকা দাবি করে। আমি ২০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করছি
জমি মিউট্রিশনের জন্য গিয়েছিলাম। সকলে মিলে মিষ্টি খাওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা চেয়েছিল আমি দেয়নি। পরে আবেদন এসিল্যান্ড নতুন আবার আবেদন করুন, এই দায় দিয়ে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়।
আমার একটি নাম সংশোধন করার জন্য শুধু একটা স্বাক্ষর করবেন তাতেই ২০০০ টাকা চেয়েছেন..
অযথাই দেরি করছিল। অল্প সময়ের কাজ এর জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল
আমি একটা জমির পর্চা দেখতে চেয়েছিলাম।
যেকোন এমপিও ফাইল রেকোমেন্ডেড করার জন্য টাকা লাগবে।।শুধু আমি একা না,,, উনি জয়েন করার পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে এই ব্যবসা শুরু হয়েছে।।। ওনার রেট নির্দিষ্ট না।।এর আগে উনি কয়েক জায়গা থেকে বিতারিত হয়েছে।। উনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার,,,সদর চাঁপাইনবাবগঞ্জ।।
দলিল অবমাননের জন্য সোনালী ব্যাংকের ২০০০ টাকা চালানোর মাধ্যমে প্রদান করি। চালান রশিদ জমা দেওয়ার জন্য ভূমি অফিসের একজন লোক ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। তারপর কোন একজন লোকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজটা করতে বাধ্য হই। ভূমি অফিসের যে লোক ঘুষের টাকা নিচে তার নাম ফোন নাম্বার সহকারে দেওয়া হলো। — —
আমি ক্যান্সার রোগী। পেট সিটি টেস্ট এর সিরিয়াল নিতে পিজি হাসপাতালের পরমানু শক্তি গবেষনা কেন্দ্রে মে মাসের লাস্টের দিকে যাই। দায়িত্বরতদের বলেছি,আড়াইমাস পরে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সিরিয়াল দরকার। তারা জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের আগে কোন সিরিয়াল নাই। আমি বললাম, কোন ভাবে ম্যানেজ করে দেন। আমি খুব অসহায়, দুই বছর ধরে ক্যান্সার চিকিৎসা চলমান রেখে আমি প্রায় নিঃস্ব এখন। এরপরে উনি উনার ফোন নাম্বার দিয়ে বলে সন্ধ্যার পরে ফোন দিয়েন। আমি সন্ধ্যার পরে ফোন দিলে তারা জানায় সিরিয়াল তো খালি নাই, দেখি স্যারদের বলে ম্যানেজ করা যায় কিনা? কিন্তু কিছু খরচ লাগবে। আমি রাজি হই।দায়িত্বরত লোক বললো, আপনার কয় তারিখে লাগবে? আমি বললাম আগস্টের মাঝামাঝি টাইমে দিলে হবে। তখন উনি এই আগস্টের ২০ তারিখ আমাকে সিরিয়াল দেই ৫০০ টাকার বিনময়ে।
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।