জন্ম নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন করতে যাইলে টাকা ছাড়া হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুজাত দেখায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম নিবন্ধন করতে যাইলে টাকা ছাড়া হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুজাত দেখায়।
নামজারির জন্য অফিসিয়াল ফি এগারোশত টাকা কিন্তু এরা সবার থেকে সর্বনিম্ন দশ হাজার টাকা নেয়।
সরকারি ফি 4200 something তারা এটা complete করে receipt done 9000 taka দিলে
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরফিকেশন করার জন্য টাকা দিবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলাম কিন্তু আমার একটা বন্ধুর শুনলাম পুলিশকে টাকা দেয়নি বলে তার পাসপোর্ট হয়নি।এ-র পরে ১হাজার টাকা রফা করি।ঘটনাটি ২০২৪ সালে শেষের দিকের।এখন কথা হলো ঘুষ না দিলে আজ হবে না আগামী কাল আসেন,আজ স্যার নেই, এর এই কাগজে সমস্যা ইত্যাদি এখন প্রশ্ন যে যারা চাকুরি করে আরও কর্মস্থল যদি হয়ে ঢাকা তাহলে ঘুষ না দিয়ে করনীয় কি?
চট্টগ্রাম জেলার, রাউজান উপজেলার বিনাজুড়ি ইউনিয়নে কাগতিয়া এলাকায়, জৈনিক এক ব্যাক্তি বেশ কয়েক বছর যাবত, নিজেকে পীর দাবি করে আসছে, এবং নিজের মুরিদদের দিয়ে মানুষের জায়গা দখল করে আসছেন, এই পর্যন্ত ৭০ থেকে ৮০ জনের জায়গা এমন ভাবে দখলে নিয়ে, নিজের রাজত্ব কায়েম করছে এবং মানুষদের নির্শ করছে, প্রতিবাদ করলে নেমে আসে জুলুম নির্যাতন। প্রশাসন কোনো ব্যাবস্তা নিচ্ছে না, প্রশাসন তাদের ভয়ে নীরব রয়েছে। দ্রুত সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। কাগতিয়া দরবার বল্লে সকলে চিনবে,
আমার একটি নাম সংশোধন করার জন্য শুধু একটা স্বাক্ষর করবেন তাতেই ২০০০ টাকা চেয়েছেন..
ময়মনসিংহ গফরগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে ৪মাস ঘুরতে হয়েছে জানুয়ারি ২৬ জমা দিয়েছিলাম পেয়েছি মে ২৬ সালে
২০২৪ সালে আমার MBA পরীক্ষা শেষ হয় এবং ২০২৫ সালে ফলাফল প্রকাশের পর আমি সার্টিফিকেট সংগ্রহের জন্য কলেজে যাই। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অফিস থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে আমার কাছে প্রায় ২০০–৩০০ টাকা চাওয়া হয়। বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি হেড স্যারের কাছে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তিনি কোনো সহযোগিতা না করে বরং আমাকে বকা দেন। আমাদের MBA-তে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। যদি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০–৩০০ টাকা নেওয়া হয়, তাহলে এক ব্যাচ থেকেই মোট ৪০,০০০–৬০,০০০ টাকা আসে। যদি প্রতিবছর একইভাবে টাকা নেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা উচিত—এই টাকা কি কলেজের অফিসিয়াল ফি, নাকি অন্য কোনোভাবে নেওয়া হচ্ছে? কারণ বৈধ ফি হলে সা
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোন ভাতা পেতে সমাজসেবা অফিস, ভুয়াপুর, টাঙ্গাইল কোন সেবা বিনা পয়সায় পাওয়া যায়না।
আমি একজন ছাএ আমি ভার্সিটির পাশাপাশি মৌচাক আনারকলি মার্কেট এর সামনে সরকারি জায়গায় দোকান দিতে চাওয়ায় আমার থেকে একজন নেতা ২ লাখ টাকার মতো দাবি করেন
একটি ওয়াসা পানির সংযোগ নিতে গেলে গত বছর ১০ হাজার টাকা চাইলেও বর্তমানে অফিস থেকে তারা মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা দাবি করছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কারণ তারা শুধু জমাদানকারী রশিদ হিসেবে সাত থেকে আট হাজার টাকার একটি রশিদ দিচ্ছে তাহলে বাকি টাকার ডকুমেন্ট কোথায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খবর নিয়ে দেখলে আসল ঘটনাটি বের হয়ে যাবে এই কাজের অফিসের সবাই জড়িত আমি পটিয়া অফিসের কথা বলছি
জামাতে আমির — রোডের একটা কাজের ব্যাপারে গিয়েছিলাম।ওনাি ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়
Police Verify korar jonno thanay sob kagoj niye jete bole. Ami sokol kagoj neyar por segulo check kore. Check korar por amar kache Cha-nastar jonno taka chay, ja ami shorashori prottakhan korechi.
আমি গিয়েছিলাম নামজারি করতে। ওইখানে এক দালাল সে ৮ হাজার টাকা চাইছে। পরে আমি দেই নাই এখন আমার নাম জেনে হয় নাই
প্রায় ৫ জাবত আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নায়েব আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমি একজন মহিলা মানুষ আমার কেও নাই 🙏
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
একটি জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে প্রকাশ্যে বিভিন্ন দলিল লেখক ও দালাল এর মাধ্যমে ১২০০০/১৫০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকার পরিমাণ কম হলে অথবা সরকারি ফি দিয়ে কাজ করতে গেলে সে কাজ হয় না/ হবে না।
সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যে বাজেট দেয়া হয় হাজার কোটি টাকা ৯০% টাকা অফিসারগণ আত্মসাৎ করেন। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর কিশোরী ক্লাব, সেলাই প্রশিক্ষণ , মা ও শিশু সহায়তা প্রশিক্ষণ কর্মসুচী থেকে দেশব্যাপী হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। কিশোর কিশোরী ক্লাবে জেন্ডার প্রমোটার ও ফিল্ড সুপারভাইজার গণ ঘরে বসে বেতন নিচ্ছে , কিশোর কিশোরী ক্লাবে বছরে স্পোর্টস এর নামে একটি সংস্থা উপজেলা অফিসারগণকে চেকের মাধ্যমে প্রতি বছরে 60 হাজার টাকা দেন। এই স্পোর্টস নির্দিষ্ট সংস্থার করার কথা থাকলেও তারা শুধু উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে তাকে 60 হাজার দেন। এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ও তয় পক্ষ বছরে কোটি টাকা দুর্নীতি করতেছে। বাচ্চাদের নাস্তার টাকা শিক্ষক ও অফিসারগণ মেরে খাইতেছে।।।।।