নামজারী
৮ শতাংশজমির মালিকের নাম অনলাইনে উঠানোর জন্য
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৮ শতাংশজমির মালিকের নাম অনলাইনে উঠানোর জন্য
আমি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর ৩/৪ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থাকি, প্রথমে জমা নেয় নাই বলতেছে ভুল আছে কিন্তু একই ফাইল পুনরায় জমা নিছে কোনো ভুল ছিলো না। দ্বিতীয় বার লাইনে দাড়ালে আমাকে প্রস্তাব করা হয় ৫০০ টাকা দিলে সিরিয়াল সামনে দিবে কিন্তু আমি রাজি হয় নি আবার ২ ঘন্টার মত লাইনে দাড়িয়ে থেকে ফাইল জমা দিছি।
আমার জমি শতভাগ দলিলাদী সঠিক থাকর পরেও,পাবনা জেলা,সদর উপজেলা,হেমায়েতপুর ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে — নামের এক ব্যাক্তি, আমার জমি নামজারি করে দেওয়ার জন্য 10000 টাকা দাবি করে, এর সাথে — নামের ছেলে টাও দাবি করে। কিন্তু ওই খানকার — খুব ভালো।
ভূমি নামজারি করতে টাকা দাবি করে কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করলে নামজারি স্থগিত করে দিয়েছে
দলিলের দাগ নম্বর ঠিক আছে নকশাও ঠিক আছে ভুল করছে মুড়ি বই এ পুরাতন দাগ নম্বর চেঞ্জ করার জন্য
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর বয়স্ক ভাতা এর আবেদন করার পর ও ২ বছর এ যখন কোনো অগ্রগতি নেই তখন একজন এসে বললো ৬০০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। এভাবেই সবার বয়স্ক ভাতা পাশ হয়।
একটি ওয়াসা পানির সংযোগ নিতে গেলে গত বছর ১০ হাজার টাকা চাইলেও বর্তমানে অফিস থেকে তারা মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা দাবি করছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কারণ তারা শুধু জমাদানকারী রশিদ হিসেবে সাত থেকে আট হাজার টাকার একটি রশিদ দিচ্ছে তাহলে বাকি টাকার ডকুমেন্ট কোথায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খবর নিয়ে দেখলে আসল ঘটনাটি বের হয়ে যাবে এই কাজের অফিসের সবাই জড়িত আমি পটিয়া অফিসের কথা বলছি
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
নিজে নিজে নামজারী করেছি ৩ বার কিন্তু বিভিন্ন ছোট কারন দেখিয়ে বাতিল করেছে! পরে ষুষ দিয়ে নামজারী সম্পন্ন হয়েছে।
Driving license Korte ghush chaisilo amr boyos 18- chilo... Tao hoye jabe tai bolsilo but Ami reject korsi
আমি একজন প্রবাসী।দেশের বাইরে থাকার কারণে আমার এনআইডি কাড সংশোধন করতে পারিনি। যখন আমি দেশে যাই। তখন উপজেলা নির্বাচনে এন আই ডি সংশোধনের জন্য যাই। উপজেলা কর্মকতা আমার কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা দাবি করে.
নামজারি, Taka150000/১৫০০০০ (কথায়- এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) না দিলে কাজ হবেনা।
আশামি শর্তে বলেন আমি একলা
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
এমসি ও চারসীট সংক্রান্ত
আমি সেনাবাহিনী থেকে অবসর আসার পরে আমাকে মোবাইলে কল করে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয় যে আপনার ডকুমেন্ট সমস্যা আছে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনি অনেক টাকা কম পাবেন, আমি বলছিলাম আমি যে টাকা পাবো সে টাকা দিলেই হবে আমি অতিরিক্ত কোন টাকা চাই না আমাকে টাকা কম পাই তাতে সমস্যা নাই। আমি পরে পেনশনে টাকা পেয়েছি তবে আমি প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা কম পেয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ তাতে আমার দুঃখ নাই কিন্তু আমি তোকে বলেছিলাম আমি যে টাকা পাবো সেই টাকা দিলেই হবে আলহামদুলিল্লাহ আমার টাকা থেকে যদি এক টাকা কর্তন করা হয় তাহলে কাল হাসরের মাঠে আমার টাকা দেওয়ার জন্য জন্য প্রস্তুত থাকেন
হাসপাতালে রোগীদের খাবার ঠিকমতো দেয় না।টাকা দিলে আবার দেয়
টিলাগাও বাজার থেকে বাগৃহাল ,ডরিতাজপুর, মিয়ার পাড়া, নামার হাজিপুর, লং লা খাস, লংলা বাগান পর্যন্ত এই পাঁচটা গ্রাম এবং তিনটা ওয়ার্ড মিলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের এবং দৈনন্দের কাজের জন্য শহরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বন্যার পানিতে এবং ১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে রাস্তাটির করুন অবস্থা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এ রাস্তার সংস্কারের জন্য অনুমোদন হলেও সব টাকাটা আমলারা নিয়ে গেছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দয়া করে আমার পোষ্টটি হাইলাইট করবেন সরকারের চোখে আসলে এই পঞ্চাশ হাজার মানুষের খুবই উপকার হবে প্লিজ
উল্লিখিত ভূমি অফিসে সরকার নির্ধারীত পোস্ট ২টি কিন্তু সেখানে চেয়ারে বসে কাজ করে ৪ জন অতিরিক্ত কোন নিয়মে কত বেতনে কাজ করে জানা নেই। তাছাড়া চেয়ার ছাড়াও একজন কাজ করে, তারই বা আয়ের উতস কি? বেশ কয়েকবার তাকে উক্ত ভূমি অফিস থেকে তাড়ানো হলেও পুনরায় বহাল তবিয়তে অবৈধভাবে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে দিনের পর দিন, ,মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেখার কেঊ নাই।
নোয়াখালী সিআইডিতে আমার একটা মামলা তদন্তাদিন রয়েছে মামলার নাম্বার জিয়ার ৩২২ বাই ২৪ মামলাটি তদন্ত চলা কালীন সময় সিআইডি অফিসার বারবার আমার কাছে টাকা চায়, তার এই জন্য টাকা লাগবে ওই জন্য টাকা লাগবে যার কারণে এখন পর্যন্ত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন নাই।