ডোপ টেস্ট
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বি আর টি এ ডোপ টেস্ট সবচেয়ে কম। মাত্র ৯০০ টাকা।অথচ তাদের কাছে গেলে বলে অনলাইন হয়না।এখন করা যাবেনা।পরে আসেন। যদি আপনি দালাল ধরেন তাহলে এই কাজটি তারা এই হাসপাতাল থেকেই করে দিচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে বি আর টি এ ডোপ টেস্ট সবচেয়ে কম। মাত্র ৯০০ টাকা।অথচ তাদের কাছে গেলে বলে অনলাইন হয়না।এখন করা যাবেনা।পরে আসেন। যদি আপনি দালাল ধরেন তাহলে এই কাজটি তারা এই হাসপাতাল থেকেই করে দিচ্ছে।
Court er mamla todonto kore ,taka khea Mitha report, Sothik report dite bolle taka chay
তারিখ যথাযথ না হওয়ায় ফাইলটি এপ্রোভ করিয়ে দিবে বলে এটার জন্য টাকা চেয়েছিলো।
উনারা ৫ হাজার টাকা দাবি করে অথচ সরকারি ফিসমাত্র ১০০০ টাকা পরবর্তীতে আমি অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে কলকারখানা লাইসেন্সটি গ্রহণ করে করি।
যায়গার মিউটেশন না দিয়ে মাসের পর মাস ঘুরায়, এবং যায়গা ভালো দামে বিক্রয় করার জন্য প্রলুব্ধ করে। বিক্রি করতে না চাইলে- গড় হাজির, মালিকানার প্রমান নাই ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে, শুনানির তারিখ নাদিয়েই (এস এম এস) ৭/৮ মাস পর মিউটেশন নামঞ্জুর করে দেয়।
আমার পরিচিত একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স , দেবিদ্বার, কুমিল্লায় গিয়েছিলো তার ড্রাইভিং লাইলেন্স এর শারিরিক পরীক্ষার রিপোর্ট বা সার্টিফিকেট পুরন, যাচাই ও সত্যায়িত করতে। সেখানে থাকা একজন ডাক্তার ৫০০০ টাকা দাবি করেছিলো। দাবি প্রত্যাখান করায় তিনি তা করে দেন নি।
একজন নারী পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী, অফিসের একজন আনসার সদস্য,দালাল ও অফিসের বাইরে যারা কম্পিউটারে আবেদন করে দেন টাকার বিনিময়ে।
প্রস্তাবিত খতিয়ান নাম্বার প্রাপ্তি
Hoyrani theke muktir jonno chairmaner Kase gele ghush chay
কমলাপুর আইসিডি কাস্টমস এসি — কিছু সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের সাথে সিন্ডিকেট করে ঘুষের বিনিময়ে বিশেষ সুবিধা দেয়। অন্য সিএন্ডএফ তার কাছে জিম্মি। ঘুষের টাকা না দিলেই তার পছন্দের ARO দিয়ে হয়রানি করায়। তার কারণে কমলাপুর কাস্টমস এ কাজ করা কঠিন হয়ে গেছে। কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার সময় টাকা চাওয়া হয়েছিল
স্মার্ট করার সময় এটা নেই
প্রস্তাবিত কমিটির প্রস্তুতকৃত কাগজ পত্রাদি শিক্ষা বোর্ড রাজশাহীতে দাখিলের সময় বোর্ডের বিদ্যালয় শাখার ক্লার্ক অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, নাদিলে সেই ফাইল সহজে নোট দেওয়া হয় না। অপর পক্ষে যে ফাইলের বিপরিতে টাকা পরিশোধ হয় সেই ফাইল পরে দাখিল করা হলেও সেই ফাইল আগে নোট দেওয়া হুয়। তাছাড়া শিক্ষা বোর্ডের বেশীরভাগ সেক্টরে ঘুষ না দিলে শিক্ষকদের সহিত খারাপ ব্যবহার করা হয়। সদয় অবগতি ও প্রয়োজিনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তথ্য দেওয়া হলো।
এমসি ও চারসীট সংক্রান্ত
আমাদের গ্রামের সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ঔষধ নিতে গেলে ঔষধ প্রতি পরিমাণ বুঝে ৫, ১০, ১৫, ২০,৫০, ১০০ টাকা নেওয়া হয় এটি আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালিন শুরু করে এরকম অনিয়ম পতিনিয়ত চলছে। এর সাথে গ্রামের কিছু গণ্যমান্য লোক জড়িত আছে যারা ওষুধ নিতে টাকা লাগে না। এবং সভাপতি ডাক্তার সহ অনেকেই জড়িত আছে।
নোয়াখালী সিআইডিতে আমার একটা মামলা তদন্তাদিন রয়েছে মামলার নাম্বার জিয়ার ৩২২ বাই ২৪ মামলাটি তদন্ত চলা কালীন সময় সিআইডি অফিসার বারবার আমার কাছে টাকা চায়, তার এই জন্য টাকা লাগবে ওই জন্য টাকা লাগবে যার কারণে এখন পর্যন্ত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন নাই।
আমার একটি ফোন হারিয়ে যাবার পর থানায় গিয়ে জিডি করার জন্য গিয়েছিলাম। থানার ভিতরে দেখে জিডি করার অপশন নেই। ওখান থেকে কর্তব্যরত পুলিশ আমাকে জানাই বাহিরে থেকে জিডি করে নিয়ে আসতে,, বাইরে কোথাও সিটি করতে গেলে তারা তে ৭০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করে থাকে
সাব রেজিস্ট্রার — দলিল রেজিষ্ট্রেশনে ঘুষ দাবি করেছে।
পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে কিছু দালাল চক্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়।টাকা প্রদান না করলে আপ্লিকেশন বাতিল করে দেওয়া হয়।কিন্তু একি জিনিস সরকারি ফি বাবদ ৮০০০/- অথবা । ৮৫০০/- প্রদান করলে সাথে সাথে আপ্লিকেশন গ্রহণ করা হয়।
টিলাগাও বাজার থেকে বাগৃহাল ,ডরিতাজপুর, মিয়ার পাড়া, নামার হাজিপুর, লং লা খাস, লংলা বাগান পর্যন্ত এই পাঁচটা গ্রাম এবং তিনটা ওয়ার্ড মিলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের এবং দৈনন্দের কাজের জন্য শহরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বন্যার পানিতে এবং ১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে রাস্তাটির করুন অবস্থা স্বচক্ষে না দেখলে কেউ বিশ্বাস করবেন না। এ রাস্তার সংস্কারের জন্য অনুমোদন হলেও সব টাকাটা আমলারা নিয়ে গেছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। দয়া করে আমার পোষ্টটি হাইলাইট করবেন সরকারের চোখে আসলে এই পঞ্চাশ হাজার মানুষের খুবই উপকার হবে প্লিজ