প্রস্তাবিত খতিয়ান নাম্বার প্রাপ্তি
প্রস্তাবিত খতিয়ান নাম্বার প্রাপ্তি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রস্তাবিত খতিয়ান নাম্বার প্রাপ্তি
হাসপাতালে রোগীদের খাবার ঠিকমতো দেয় না।টাকা দিলে আবার দেয়
জমির রেকর্ড সংশোধন মামলার রায়ের জন্য ট্রাইব্যুলালের বিচারকের হয়ে তার পেশকার ২০০০০০ টাকা দাবি করে। কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। অনেক কোর্টে বিচারক ও নাই ২/৩ বছর যাবত, যা দেখার কেউ নাই।
একটি অতি প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় চাহিদা পূরণ করার কাজ উদ্বোধনের জন্য তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তারা সেখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য জনপ্রতির দুই থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় এর সাথে সংশ্লিষ্ট কোন দপ্তরের কোন কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত হন নাই এবং ইউএনওরা তাদের অন্য কাজ আছে বলে অনুপস্থিত থেকেছেন। এভাবে তারা প্রতিনিয়ত সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছেন। এবং উন্নয়ন কাজকে নিরুৎসাহিত করছেন। আমি পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম সারা বাংলাদেশে এটি মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের একটি সাধারণ চিত্র।
গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ নৌকার
I had asked the employee, CS Khtian, and he asked me for 1,200 for each Khtian, and finally I paid 4,300 Taka for two Khtians.
A merely tax inspector claimed such huge amount to prepare a audit report but I very reluctantly refused.
আমি আমার বাবা কে নিয়ে এয়ারপোর্ট যাই। তখন এয়ারপোর্ট আর ভিতরে থাকা একটা দোকান থেকে আমি কফি নেই পরে জানতে পারি এই খানে কফি ১০০ টাকা করে ! কিন্তু কফি বাহিরে ওই কফি ২০ টাকা ! কিন্তু আমি তখন কিসু বলি নাই ! তাদের টাকা দিয়ে দেই । পরে যখন কেকের দাম জিগাস করি তখন বলে ১০০ টাকা ! কিন্তু এমআরপি ছিল ৩০ টাকা ! তখন আমি প্রতিবাদ করি ! কেনো ১০০ বলেন দাম ! তার পর আমি ভিডিও ওন করলে তারা আমার কাছথেকে ৩০ টাকা রাখে ! ওনাদের শপে আর লোকেশন : এয়ারপোর্ট ১ নম্বর টার্মিনালের বাহির হওয়ার গেটের সামনের দোকান গুলি!
মিঠাপুকুর উপজেলার মাঝগ্রাম দারুন হুদা দাখিল মাদ্রাসার আয়া/ঝাড়ুদার পদের জন্য নিয়োগ দিয়েছিল বিগত ২০২৬ সালের জানুয়ারী মাসে, স্থানীয় অনেকেই আবেদন করলে, তাদের মধ্যে অনেকেই দাবী করেছেন তাদের কাছে ঘুষ চেয়েছেন উক্ত মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারেনটেনডেন্ট, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আবেদন কারীদের মধ্যে সমালোচনা ঝড় তুলেছেন, পরে জানা যায় উক্ত কারকারীর সাথে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সহ কিছু সদস্য জড়িত।
জমি রেজিস্ট্রি করতে সরকারি টেক্স ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা ছাড়া একটা দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব না। এই চিরন্তন সত্য নিরবে সবাই হজম করে। সাব রেজিস্ট্রার এই ধরনের ঘুষ লেনদেন ছাড়া জমি কেনা/বেচার দলিলে স্বাক্ষর করেন না। এই দপ্তরের ঘুষ লেনদেন কখনো বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
সরকারি বিনামূল্যে ভাতা
টাকা চেয়ে ছিলো, দেই নাই বলে তারা নাম ওহ দেই নাই, সরকার ভাতা বিনামূল্যে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলো৷ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান —, টাকা না দেওয়ার কারলে আবেদন বাতিন করেন
জাতীয় সংবাদ সংগ্রহ সংস্থা এনএনসি National News Collection Foundation এর আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে অব্যবহৃত ২টি ১ম তলা ভবনে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পাশাপাশি সংবাদ জাদুঘর পরিচালনার অনুমতি প্রদান না করে ছাড়পত্র দেওয়ার সুযোগ নাই বলে আমার দরখাস্ত না মঞ্জুর করেছেন। ১০ লাখ দিলে ঠিকই ছাড়পত্র প্রদান করা হলো মর্মে চিঠি পেতাম
আমি জমির জমির খাজনা দিতে ৩ নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন তসিল দার এর কাছে যাই উনি আমার কাছ থেকে ২০০ টাকার খাজনার জায়গায় ১২০০ টাকা দাবি করে
মোবাইল খুজে পেতে জিডি করার পরে সিসি ক্যামেরার আড়ালে ডেকে টাকা দাবি।
নামজারি করার জন্য লাগে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু চাই ৮ হাজার ন্স হলে হবে না। কাজটা
নতুন দলিলের খরচ বাবদ অযৌক্তিকভাবে ২০,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল, যা আমি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করি। পরবর্তীতে অন্য বিকল্পের মাধ্যমে মাত্র ১০,০০০ টাকায় আমার কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার কেন্দুয়া মৌজায় সরকারি ভূমি জরীপ আসে৷ সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জরীপ করিয়ে দেওয়ার নাম করে সব জমিট মালিকেদর থেকে অনেক বড় অংকের টাকা দাবি করে৷ প্রায় প্রতিটি জমির মালিকের থেকে টাকা নেয়৷ আমাদের থেকে ৫০০০০/- টাকা দাবি করে আবার বলে আপনারা যাদের কাছে বিচার দিবেন তারা আমাদের লোকই৷ সাংবাদিকদের জানিয়ে কোনো কাজ হয় নি৷
হাসপাতালের রুগীর বেড চাইলে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে যা সরকারি হিসেবে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা।
বিএসটিআইয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং বাজারে পণ্যের মান ও সঠিক পরিমাপ নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান তার কারখানার প্রয়োজনীয় মানোন্নয়ন ও বিধিবদ্ধ শর্ত পূরণ না করেও যদি কোনো অনৈতিক উপায়ে লাইসেন্স বা সনদ গ্রহণ করে, তাহলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর। কখনো কখনো অভিযোগ পাওয়া যায়, কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানে সহযোগিতা করেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাগজপত্র বা নানা অজুহাত দেখিয়ে লাইসেন্স বা সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে অবৈধ আর্থিক সুবিধা দাবি করার অভিযোগও উঠে আসে। এ ধরনের অনিয়মের সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হলো সাধারণ জনগণ ও ভোক্তা