জমির খারিজ বিবরণ
পঞ্চগড় সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী মিউটেশন কর্মকর্তা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী মিউটেশন কর্মকর্তা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
Mitford hospital a vorti aci test er jonno dalal ese bole 1130tk lagbe test er apni 1500diben ami sob kore dibo pore ami nije giye kore dekhi 890tky sob hoye gece sei hisabe se amr theke 610tk ghus ceyechilo ar prokas korce 370 mane ghuser upor ghus
আমার কাগজপত্র সব ঠিক ছিলো। কিন্ত দালাল ধরে পাসপোর্ট করতে আসে নি তাই আমার কাগজে ভুল ধরা শুরু করেছিলো। কিন্ত যারা দালাল ধরে এসেছিলো তাদের কোনো ভুল ধরে নি। দালাল একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় কাগজের মধ্যে।
আমার সিরিয়াল আসে আমি যখন গাড়িতে বসি তখন আমাকে বলে বকশিশ আছে কী না করায় আর কিছু বলেনী। আর আমাকে কথা বলতে বলে বেস্ত রাখে আর আমি বেগ গিয়ার দেয়ার সময় নিসানে লেগে যায়
I was listed in top 10 candidates-list(Assistant Manager (Technical)) after successfully passed in all short+written exams. But after a very good performance(correctly answered all questions to the point) in final viva, I was asked to pay 10,00,000.Tk to someone who was linked to deal this recruitment process. I was shocked and proudly denied to gave them bribe. Therefore my name was not recommended finally. I hate them shameless people who asked illegal money. May Allah provide them perfect justice as their work.
আমি গত বছর ঢাকা সায়েদাবাদ স্বামীবাগের একটি ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার জন্য সিটি কর্পোরেশন অফিস অঞ্চল ৬ যাই। সেখানে — নামে একটি লোক আমাকে সর্বনিম্ন চার হাজার টাকা দাবি করে ট্রেড লাইসেন্স বানিয়ে দেওয়ার জন্য। উনাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমি বলি যে পরবর্তী সময়ে এসে আপনার থেকে বানিয়ে নিব, উনি আমাকে ওনার নাম্বার দিয়ে দেন।
I want to renew my passport that time I filled up my form by myself but they say you need to submit different different paper . If I filled up this with any agency they charge 1000 taka extra and everything ok . Then I went to passport office 2 days then they take my paper and accept it
Vomi office hoirane korse
Sonali Bank er Kaj sehse bill submit kora hoile 5000 tk kore na dile bill processing kore na, mas er por mas ghuriye bill dey na
Ami police TRC poder Jonno filed work e pass Korar por Amar kach theke 1400000 tk chawa hoi. misty khawar Jonno. Ami dei ni, and job o korini. in sah Allah Amar aro valo chakuri Hobe.
যারা দালালকে পাঁচ হাজার টাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১০ হাজার টাকা দিয়েছে তাদের ভাইভা আলাদা করে নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে খুব সহজ প্রশ্ন করা হয়েছে এবং তারা অতি সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়ে গেছে। কিন্তু আমি দালালকে টাকা না দেওয়ার কারণে আমাকে প্রশ্নের মাধ্যমে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং আমাকে ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা পাস করেছে তাদের থেকে আমার যোগ্যতা শতগুণ বেশি হওয়ার পরেও আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাই নাই।
১৯৪০ সালে ২০৮১ নং দলিলে কেনা মুসলমান মালিকদের জমি ক তালিকা ভুক্ত দেখিয়ে নামজারি দিচ্ছে না। হাইকোর্ট দেখায় , বিশাল বড় এলাকায় জমি , তাই সংশোধন না করে প্রতি বার নামজারিতে লাখ লাখ টাকা খাচ্ছে । অথচ মুসলমান মালিকদের জমি কখনো অর্পিত বা শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ক তালিকা ভুক্ত হতে পারে না । ইচ্ছা করে ভূল করে , সেই ভূল সংশোধনে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থায়ী সমাধান করছে না ।
ট্রেড লাইসেন্স এ আমার এন আইডি নাম্বার ভূল ছিল, সিটি করপোরেশনের সার্ভারে সমস্যার কারণে বাহিরে থেকেও ঠিক করাতে পারছিলাম না। সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে গেলাম কথা বলে জানতে পারলাম ২ দিনের মধ্যে ঠিক করে দিবে কিন্তু এক্সটা ১০০০ টাকা লাগবে।
আমি জয় কালী মন্দিরের পাশে ভূমি অফিসে গিয়েছি খাজনা দিতে, আমাকে বলতেছে খাজনা এখানে দেওয়া হয় না, আবার বলতেছে সাইট এ আসেন কাগজ পত্র দেন। পরে দিলাম বলতেছে আপনার আজীবন বাকি আছে। টাকা পরিশোধ করা যাবে আমায় ১০০০০ টাকা দেন। উনি একজন পিওন।
ভূমি জরিপে মাঠ কর্মী ইচ্ছা করে ভূল রেকর্ড করেছে । সেই ভূল যখন কোনো ভুক্তভোগী সংশোধন করতে যায় , তখন সংশোধন না করে শুধু মাত্র ঐ ভুক্তভোগীর কাজ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমাধান করে । আবার অন্য কেউ ঐ জমি নামজারি করতে গেলে প্রতি বার টাকার পরিমাণ বাড়ছে । এভাবে সারা দেশে চলছে দূর্নীতি
**বিষয়: পাসপোর্ট করতে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও হয়রানির অভিযোগ।** আমি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করার জন্য গেলে নির্ধারিত সরকারি ফি **৫,৭৫০ টাকা** হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছ থেকে **৭,৫০০ টাকা** নেওয়া হয়। এছাড়া অফিসের বাইরে থাকা কিছু দালালের সঙ্গে অফিসের কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে বলে আমার অভিযোগ। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কাগজপত্র বা আবেদনে ভুল দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে এবং অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করে। বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও দালালদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
নিজের পাসপোর্ট আবেদন নিজেই করে নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে যাই গিয়ে অফিসার ভুল ধরলো MD পরে এাটি ডট দেই NID তে ডট আছে, রিজেক্ট করল সাথে একজন দোকানদার আসলো এসে বলল ভাই আপনি যত চেষ্টায় করেন ভুল আপনার ধরবেই আমাকে ১৫০০/- টাকা দেন কাজটা এখনই হয়ে যাবে আমি হাল ছাড়ি নি, ঘুষ প্রত্যাখান করে আবেন বাতিলের দরখাস্ত দিয়ে পুনরায় আবার নতুন করে আবেদন করি এবার উনি বলল শুধু স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দিলে হবে না আপনার কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে আসতে হবে! আবারো সেই দেকানদার হাজির দেখেই বলল ভাই বলেছিলাম না কাজ হবে না! আমি তবুও হাল ছাড়ি নি কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে এসেছি আবারো ফাইল জমা দিলাম এবার উনি বলল NID কার্ডের ভেরিফিকেশন কপি আনেন, আশ্চর্য হয়ে গেলাম যেখানে NID কার্ড সাথে করে আনছি, আবার আবেদন করার সময় NID কার্ড যা
নামজারি ও খাজনা দিতে গিয়ে
২০২৫ সালে উপরোল্লিখিত ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমাদের বাড়ির জমির জেলা জজ কোর্টে চলনাধীন আপীল মামলার জমা-খারিজের বিষয়টি সামনে এনে প্রতিপক্ষকে জমা-খারিজ করে দেবে এই ভয় দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। এর আগেও ২০২৩ সালে ওই ব্যাক্তি আমাদের কাছ থেকে একই বিষয় বাবদ ১০,০০০ টাকা ঘুষ নেয় (আমি প্রত্যক্ষ সাক্ষী)। পরবর্তীতে আমরা আমাদের মামলার আপিলের কাগজ, আর্জি ও প্রয়োজনীয় আনুষাঙ্গিক অন্যান্য কাগজপত্রসহ উপজেলা ভূমি অফিস বরাবর আবেদন করি, যার কারণে এই ব্যক্তি আর আগানোর সাহস পায় না। উল্লেখ্য এই ঘুষের টাকার দাবির সময়ে সে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার নামও জড়ানোর দুরভিসন্ধি করে। শুনেছি এই ইনি প্রচুর দূর্নীতিগ্রস্ত, মানূষকে জিম্মি করে ঘুষের অর্থ আদায় করে। বর্তমানে সে আর উক্ত ভূমি অফিসে নেই, বদলি হয়েছে
ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহন বা নামজারি কোন কাজই করে না।খাজনা অনুমোদন করেতে গেলে ও নামজারির প্রতিবেদন দিতে গেলে গ্রাহক কে নথি আনার কথা বলে ঘুষ দাবি করে। উদাহরণ স্বরূপ খাজনা দিতে গেলে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহককে টাকার পরিমাণ বেশি দেখায়, এরপর ঘুষ খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের তহবিলে কম টাকা জমা করে বাকি টাকা নিজে খায়। যেমন ধরেন মূল খাজানা মাত্র ২০০/- টাকা, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহক কে দেখায় আপনার খাজনা ৫০০০/- টাকা, পরে গ্রাহক এর কাছ থেকে ৪০০০/- খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের খাজনা দেয় ২০০/- টাকা। এই অফিসের মুল দুর্নীতিবাজ কম্পিউটার অপারেটর সরকারি কর্মী না হওয়া সত্য দীর্ঘদিন এখানে কর্মরত।