আল্ট্রাসাউন্ড
পিজি হাসপাতালের F Block এ আল্ট্রা করানোর জন্য যাই যার সেবা ফি ৩০০ টাকার আশেপাশে হবে সরকারি রেট কিন্তু এফ ব্লক থেকে জানানো হয় আল্ট্রাসাউন্ড হবেনা আগামীকাল আসেন তারপর বলে ২০০০ টাকা দিলে ১ ঘন্টার মধ্যে সব করে দেয়া যাবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পিজি হাসপাতালের F Block এ আল্ট্রা করানোর জন্য যাই যার সেবা ফি ৩০০ টাকার আশেপাশে হবে সরকারি রেট কিন্তু এফ ব্লক থেকে জানানো হয় আল্ট্রাসাউন্ড হবেনা আগামীকাল আসেন তারপর বলে ২০০০ টাকা দিলে ১ ঘন্টার মধ্যে সব করে দেয়া যাবে
নামজারি ও খাজনা দিতে গিয়ে
ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহন বা নামজারি কোন কাজই করে না।খাজনা অনুমোদন করেতে গেলে ও নামজারির প্রতিবেদন দিতে গেলে গ্রাহক কে নথি আনার কথা বলে ঘুষ দাবি করে। উদাহরণ স্বরূপ খাজনা দিতে গেলে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহককে টাকার পরিমাণ বেশি দেখায়, এরপর ঘুষ খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের তহবিলে কম টাকা জমা করে বাকি টাকা নিজে খায়। যেমন ধরেন মূল খাজানা মাত্র ২০০/- টাকা, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে গ্রাহক কে দেখায় আপনার খাজনা ৫০০০/- টাকা, পরে গ্রাহক এর কাছ থেকে ৪০০০/- খেয়ে পুনরায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে সরকারের খাজনা দেয় ২০০/- টাকা। এই অফিসের মুল দুর্নীতিবাজ কম্পিউটার অপারেটর সরকারি কর্মী না হওয়া সত্য দীর্ঘদিন এখানে কর্মরত।
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এনআইডি সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আমার কাছে **৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন**। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
নিজের পাসপোর্ট আবেদন নিজেই করে নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে যাই গিয়ে অফিসার ভুল ধরলো MD পরে এাটি ডট দেই NID তে ডট আছে, রিজেক্ট করল সাথে একজন দোকানদার আসলো এসে বলল ভাই আপনি যত চেষ্টায় করেন ভুল আপনার ধরবেই আমাকে ১৫০০/- টাকা দেন কাজটা এখনই হয়ে যাবে আমি হাল ছাড়ি নি, ঘুষ প্রত্যাখান করে আবেন বাতিলের দরখাস্ত দিয়ে পুনরায় আবার নতুন করে আবেদন করি এবার উনি বলল শুধু স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দিলে হবে না আপনার কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে আসতে হবে! আবারো সেই দেকানদার হাজির দেখেই বলল ভাই বলেছিলাম না কাজ হবে না! আমি তবুও হাল ছাড়ি নি কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র নিয়ে এসেছি আবারো ফাইল জমা দিলাম এবার উনি বলল NID কার্ডের ভেরিফিকেশন কপি আনেন, আশ্চর্য হয়ে গেলাম যেখানে NID কার্ড সাথে করে আনছি, আবার আবেদন করার সময় NID কার্ড যা
ডিসেম্বর ২০২৫ তিনি একজন মহিলা অফিসার ছিলেন। আমার ফাইল উনি দুই মাস যাবত অফিসে রেখে দিয়েছেন। প্রতি সপ্তাহে আমি দু-বার করে গিয়েছিলাম। পরে উনি বলে খরচা দিতে হবে আমি কাজ করে দিব। খরচা ছাড়া হবে না। উনি দুই হাজার টাকা চেয়েছিল।পরে আমি ওনাকে ১০০০ টাকা দিলাম বলল দুদিন পরে এসে আপনার পেপার নিয়ে যাবেন। অবশেষে ১০০০ টাকার বিনিময়ে আমার কাজটা হলো। ধন্যবাদ অফিসের ম্যাডামকে কর অফিস কালিয়াকৈর সফিপুর গাজীপুর মীর টাওয়ার।সার্কেল- ৩ ।
ভূমি জরিপে মাঠ কর্মী ইচ্ছা করে ভূল রেকর্ড করেছে । সেই ভূল যখন কোনো ভুক্তভোগী সংশোধন করতে যায় , তখন সংশোধন না করে শুধু মাত্র ঐ ভুক্তভোগীর কাজ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমাধান করে । আবার অন্য কেউ ঐ জমি নামজারি করতে গেলে প্রতি বার টাকার পরিমাণ বাড়ছে । এভাবে সারা দেশে চলছে দূর্নীতি
ট্রেড লাইসেন্স এ আমার এন আইডি নাম্বার ভূল ছিল, সিটি করপোরেশনের সার্ভারে সমস্যার কারণে বাহিরে থেকেও ঠিক করাতে পারছিলাম না। সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে গেলাম কথা বলে জানতে পারলাম ২ দিনের মধ্যে ঠিক করে দিবে কিন্তু এক্সটা ১০০০ টাকা লাগবে।
হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়।
নতুন চাকরীতে বেতন আইবাসে এন্ট্রি দিতে গেলে সব কিছু করে দেয়ার আশ্বাসে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা চায় যা আমার এক মাসের বেতনের সমান। পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করে চলি আসি পরে সামান্য টাকা ৩০০০ দিয়ে কাজ করাই। জেলা হিসাব রক্ষন অফিস, ঘুষ দাবির অফিসাসের পদবী অডিটর
এক ব্যক্তি জমি বিক্রি করার পরেও সে আবার নিজের নামে জালিয়াতি করে নামজারি করে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছে। তারপর আমি ভুক্তভোগী নামজারি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। আমার দলিলের নথিপত্র-যাচাই বাছাই করার পর ভুক্তভোগীর সঠিক হওয়ার পরও রায় দিচ্ছেনা টাকার জন্য। প্রথমে ৮০ হাজার টাকা চায় তারপর আমি দিতে রাজি না হওয়ার কারনে পরে ৪০হাজার টাকা দাবি করে
ঢাকায় সরকারি বাসা বরাদ্দে এধরনের লেনদেন হয়ে থাকে। যারা স্বাভাবিকভাবে বাসা পেতে যায় তাদের আবেদন মাসের পর মাস আলোর মুখ দেখে না এবং তাদের বেলায় সকল নিয়ম কানুন একসাথে এসে জড়ো হয়। আর যারা গোপনে চুক্তিতে বা উর্ধ্বতন মহলের তদবিরে যায় তাদের ভোরের আলো ফুটার আগেই বাসার চাবি এসে পায়ে এসে পড়ে থাকে। সৎ অফিসার এবং কর্মচারীরা কাচুমাচু করে অফিসের বারান্দায় প্রতিদিন ঘোরাফেরা করলেও কোন ঐশ্বরিক শক্তি ফিরেও তাকায় না।
পাসপোর্ট অফিসে যখন আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে সেখানে যাই তখনই শুরু হয় তালবাহানা এক মাসের ভিতরে ৪ থেকে ৫ বার যেতে হয় তবে আমি অতিরিক্ত এক টাকাও দেইনি
পুলিশের এস আই চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য প্রায় সবার থেকে ৩০০০-৫০০০ টাকা নিয়ে থাকে।
চট্টগ্রাম মহানগরীর কাট্টলী ভূমি অফিসের তহসিল — ১ গন্ডা জায়গার নামজারির জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে। অথচ নাম জারি করতে এতো টাকা লাগে না। তিনি ফাইল আটকে রাখবেন যদি আবেদন ও করি। তিনি বলেন জমি কিনছেন লক্ষ টাকার আর নামজারির জন্য ১ লক্ষ না দিলে কেমনে কি। তিনি আরও বলেন আমি তহসিলদার কমিটির সভাপতি, এসিল্যন্ড, ডিসি ও আমার কাজে কিছু বলার সাহস পাই না।
Mutation korte Taka chay. Taka cara kno kaj hoy na.
অনলাইন জুয়া সাইট। আমাদেরকে মোবাইল সার্চ করে কোন কিছু না পেয়ে তারপরও প্রত্যেকে ২ লক্ষ করে মোট সাতজনে ১৪ লক্ষ টাকা দাবি করে লালগোলা জেলা ডিবি অফিস
সবাই আনুরোধ করে পোস্টমটাম না করার জন্য পরে আফিসার টাকা দাবি করে
সর্বপ্রথম আব্বু আম্মু ডিজিটাল জরিপের জন্য গেলে তাদেরকে তাদের সামনের কম্পউটার দোকানে পাঠানো হয়। সেখানে সব কাগজ নিয়ে আসতে বলে। আমি নিয়ে গেলাম। সে নাম মিউটেশনের আবেদন করতে ৫০০ টাকা চাইল। ৩/৪ দিন পর মামলা নাম্বার এল। আমি গেলাম, দোকানে ৫০০ দিলাম আর সে আমার ফাইল আমার হাতে দিল। ফাইলে সবই ছিল জমির ভায়া দলিল, নিজের দলিল, পুরাণ মিউটেশন । তো যখন ভুমি অফিসে জমা দিতে গেলাম সেখানে আমার কাছে আসল দলিল চাওয়া হল , সেটা ছাড়া নাকি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। কোন সমাধান দিল না তারা। দোকানদারকে গিয়ে ধরলাম সে বলল, এগুলো কিছুই লাগে টাকা দিলে।দোকানদারের শুরুর থেকে প্লান ছিল আমাদের সাথে ডিল করবে। আমি ভুমি অফিসের পিওনের কাছে বলার পর সে বলল খরচা পাতি দিলে কাজ হয়ে যাবে। কত? হিসাব করে ২৫০০০ বলল। আব্বুর জমির মালিক তিনি একাই।
আমি যখন অফিসে যাই এবং লাইসেন্স নবায়নের কথা বলি তখন ওখানে কর্মকর্তা তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা আলমগাত থানা এটা করে দাবি করে