TA/DA Allowance
TA/DA এর ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রতি ১০০০০ টাকায় ১ হাজার টাকা ঘুষ নেয় Army FC Pay-1
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
TA/DA এর ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রতি ১০০০০ টাকায় ১ হাজার টাকা ঘুষ নেয় Army FC Pay-1
আমার বেতন বেশি না হওয়ায় শূণ্য রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য ১ পেজের শূণ্য রিটার্ন ফরম পূরণ করে ঢাকা ১১ সার্কেলে রিটার্ন জমা দিতে যায়। তারা আমার ১ পেজের ফরম দেখে বিভিন্ন ভাবে বোঝায় এইটা দেওয়া উচিৎ না। বিভিন্ন সমস্যা হবে। ডিটেইলস না থাকলে পরে ধরবে৷ সেজন্য এটা থেকে তাদের বড় ফরমে সব লিখতে হবে। তাই তারা কিছু হাত খরচ চায় আমার কাজ টা করে দেওয়ার জন্যে। কিন্তু আমার বেতন বেশি না, আর সরকার থেকেই তো এই ফরম দেওয়া হয়েছে বললে তারা সেটা শুনতে অস্বীকার করে এবং পরে সমস্যা হবে এইসব বলে। তারপরও আমি কোন টাকা না দিয়ে, সমস্যা হলে সেটা আমি তখুন দেখবো বলে জমা দিয়ে চলে আসি। তারা আমায়াকে রিটার্ন কপি সিল দিয়ে দেয়।
পুরানো এক অর্থ বছরের কর পূনঃ নিরীক্ষা করার নামে ব্যাপক টাকা দাবি করে, বিশেষ করে ঈদের আগে আমার উকিল এর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে বসে নয়তো সে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিবে। আমি প্রত্যাখ্যান করলে সে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়ে দেয়।
খরচার টাকা ছাড়া হবে সুচী সংশোধন না, সার্বেয়ার কে দিতে হবে, আমার অল্প কিছু থাকবে
পুলিশ ডিপার্টমেন্টে এখনো বদলী বানিজ্য বিদ্যমান। নির্দিষ্ট পরিমান টাকা না দেয়া ছাড়া খুব কম সংখ্যক অধস্থন কর্মকর্তা কর্মচারিরাই তাদের চাহিত জেলা বা ইউনাটে চাকরি করার সুযোগ পায়। বিশেষ করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের কুমিল্লা, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,চট্টগ্রাম এবং ফেনি জেলাতে বদলী হতে হলে কমপক্ষে ৮০% অফিসারকেই ২,৫০,০০০-৩,০০,০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়। যদিও বিষয়টি পুলিশে ওপেন সিক্রেট ।
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স কালেকশন বিভাগে দায়িত্বরত নবাবপুর সার্কেলের অফিসার জিনি আছেন হোলল্ডিং ট্যাক্স নেয়ার পরে অফিস খরচার নাম দিয়ে আরো বেশি টাকা দাবি করে না দিলে হোলল্ডিং ট্যাক্স দেয়ার মুল রশিদ ফেরত দিতে চায় না। ১০০০ - ২০০০ টাকা দিলেই তারপর মুল রসিদ ফেরত দেয়।
আমার একটা কাপড়ের শোরুম আছে মিরপুরে । মিরপুর ভেট অফিসার এসে আমার কাছে ঘুস চাইছে ৫লাখ টাকা। আমি বলেছি দিবো না, যা করার করেন। আমার টেক্স, ভেট সব ক্লিয়ার । তাও হয়রানি করতেছে।
হযরতপুর-৩ মৌজার- নামজারী করতে গেলে বলে দুই পর্চার নামজারী/খারিজ বন্ধ আছে কিন্তু মোটা অংকের টাকা দাবি করে যেমন এক লক্ষ থেকে আর বেশি টাকা দিলে নামজারী/খারিজ করে দেয় আর টাকা না দিলে নামজারীর আবেদন না মুঞ্জর করে দেয়
পে ফিক্সেশনের জন্য ঘুষ দাবি করেছে।
খরচার টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া কাজ করতে পারবো না।
যে কক্ষে এই সার্ভিসটি দেওয়া হয় সেখান লোকেরা টাকা দাবির করেছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না এমনকি এ কাজে দীর্ঘদিন লাগতে পারে।
পাশ করার পর সার্টিফিকেট নিতে গেলে, প্রতি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রতি ৫০০-১০০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে থাকে যে সার্টিফিকেট প্রদান করে।
আমার বড় চাচা আমার আব্বু সহ তার আরো দুই ভায়ের নামে কিছু জমি লিখে দেন ২০০০ সালের আগে। কিন্তু আমার আব্বু বা অন্য চাচারা কেউ ই সেই জমি মিউটেশন করেন নি। এখন আমার আব্বু সহ আমার অন্য চাচারা সবাই মারা গেছেন। কিছুদিন আগে আমি আমার সেই দুই চাচার ওয়ারিশদের কাছে থেকে সেই জমি ক্রয় করি কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় সেই জমি আমার আব্বু ও চাচাদের নামে মিউটেশন করার প্রয়োজনে আমার শশুরকে ( আমার শশুর একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক) বললে তিনি ভুমি অফিসে কথা বলেন। তখন আমার শশুরের কাছে এসি ল্যান্ডের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। সেটি না দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি। অনলাইনের আবেদনের তারিখে হাজির হলে এসি ল্যান্ড পুলিশ ডেকে দালাল আক্ষা দিয়ে আমার শশুরকে ধরিয়ে দেন। বিষয়টি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য কতটা লজ্জার ছিল?....
পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট অফিসে গেলে কোনো দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ বা কমিশন না দেওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সরাসরি দালাল ধরতে বলা না হলেও বারবার “এটা হবে না”, “ওটা লাগবে”, “কাগজ ঠিক নেই” ইত্যাদি অজুহাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমাকে দীর্ঘ সময় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘোরানো হয়। বিপরীতে, দালালের মাধ্যমে আসা আবেদনকারীদের তুলনামূলক দ্রুত ও গুরুত্ব দিয়ে সেবা দিতে দেখা যায়। একই সরকারি সেবায় সবার জন্য সমান নিয়ম ও আচরণ নিশ্চিত করা উচিত। দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানকারীরা অগ্রাধিকার পেলে এবং সাধারণ আবেদনকারীরা হয়রানির শিকার হলে তা সেবার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। আমার আশঙ্কা, আর্থিক সুবিধার উদ্দেশ্যে সাধারণ
আমার একটা কাপড়ের শোরুম আছে মিরপুরে । আমার টেক্স, ভেট সব ক্লিয়ার । মিরপুরের ভেট অফিসার এসে আমার কাছে ঘুস চাইছে ৫লাখ টাকা । আমি বলেছি দিবো না যা করার করেন । সে নানা ভাবে হয়রানি করতেছে , অফিসে যেতে বলে।
Hospital er emergency te giyechilam amk age dhukte Dewar jnno 500 taka dabi koren . Taka na deway ansar sodosso Ra amk rekhe jara taka diyechen tader age dhukte den . Jodio Tara pore chilen. Ak porjaye back Ditonda lege jay
আমার ব্যক্তিগত কোনো কাজ নয় এটা ইউনিয়নের সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য উপকারী স্বার্থে এই অভিযোগ করা
সিলেট সদর ভুমি অফিস এর কানুনগো কুমিল্লার মানুষ এই টাকা চায়।
RAJUK ..open secrete issue
বলেছিল ওই দাগে খাস আছে। ওখানে সরকারি আই মাত্র ৩৫০০ টাকা