খারিজ খাজনার আবেদনের জন্য তওশীলদার নিজের ইচ্ছে মত ঘুষের পরিমান দিয়ে ঘুষ নেন। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়
খারিজ খাজনার আবেদনের জন্য তওশীলদার নিজের ইচ্ছে মত ঘুষের পরিমান দিয়ে ঘুষ নেন। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
খারিজ খাজনার আবেদনের জন্য তওশীলদার নিজের ইচ্ছে মত ঘুষের পরিমান দিয়ে ঘুষ নেন। রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়
আমি পঞ্চগড় রোর্ডস এন্ড হাওয়ে অফিস থেকে ইজিপি লটারি মাধ্যমে একটা ২৪ লাখ টাকার কাজ পাই,,এই কাজটি সম্পূর্ণ করলে বিল নেওয়ার সময় আমার কাছে ২৫০০০০ টাকা পিসি দাবি করে,,আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করি,,এর পর জামানত এর টাকা আটকায় রাখছে
বাবার নামে মোহাম্মদ এভাবে না থেকে মোঃ এভাবে ছিলো তাই বন্টন নামা দলিল করতে ৬০০০০/- (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ চান।
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
আমি আমার আপনজনের চিকিৎসার জন্য গিয়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্য পাইনি।
আমার বাবার নামে আর এস রেকর্ডকৃত জমি নামজারি আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব করা হয় কিন্তু এসিলেন্ট সাহেব তার সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ যাবে দাবি করে। আমি উক্ত টাকা না দিলে আমার বাবার নামের নাম জারি আবেদন নামঞ্জুর করে দেই।
উনারা এমন ভাবে সাজায় ঘুষ ছাড়া পাস করা সম্ভব না।
আমার ফ্যাক্টরির জন্য অবস্থানগত সার্টিফিকেট না নিয়ে পরিবেশগত সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছিলাম। আমাকে যতনগত সার্টিফিকেট এ বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আমি ফ্যাক্টরি নির্মাণ অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন করি, তারা আমাকে এই ভুলটা উল্লেখ করে ও শৃঙ্খলা হবে এই হুমকি দিয়ে অবস্থানগত সার্টিফিকেটের জন্য ৫০হাজার টাকা দাবি করে তারপর পরিবেশ গত সার্টিফিকেট জন্য আবেদন করতে বলে এবং সেটার সরকারি খরচ ২৫ হাজার টাকা। এবং তার জন্য তার আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে যেন আমি পরিবেশগত সার্টিফিকেট দ্রুত পাই। সর্বমোট তার ২৫ হাজার এর ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব রাখে। অর্থাৎ আমার এক লাখ টাকা তার খরচ হবে। যেখানে আমার সরকারি খরচ এ সর্ব ২৫ হাজার টাকা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল।
চশমা মাপার সময় ডেট দিয়েছিল চার মাস পরে। এ সময় চক্ষু বিভাগের একজন ডাক্তারের সহকারী মহিলা, একজন মহিলা, বয়স্ক মহিলা এসে আমাকে বলে যে তোমার এটা আমি আজকে চোখের চশমার পাওয়ারটা মাপিয়ে দেবো। বিনিময়ে 100 টাকা দেওয়া লাগবে।
সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে মানুষ পোস্ট অফিসে কথা দিতে হয়, সঞ্চয়পত্র ফরম কিনতে গেলে ১৫০ টাকা দেওয়া লাগে, মেন ফ্রেমের সিগনেচার করাতে গেলে ৩০০ ৪০০ টাকা দেওয়া লাগে না হলে স্বাক্ষর করতে চায় না,
Govt.Hospital e doctor er bodole compounder surjery korse and tk dabi korse
আমার চাচা আহত অবস্থায় মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তাকে এমবিবিএস ডাক্তার দেখে নি বা চিকিৎসাপত্র দেয়নি নার্সরা শুধু নরমাল ঔষধ দিয়ে ২ দিন পরে ছাড়পত্র দিবে বলে জানায় এবং ছাড়পত্রের জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দেয়ার ছাড়পত্র দেয় নি এবং দুব্যবহার করে
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স এর ইংরেজী ভার্সন এর প্রিন্ট কপির জন্যে অফিসে গেলে তারা বলে আগের মত সম্পূর্ণ ফিস পরিশোধ করতে, বাস্তবে ইংরেজী ভার্সন এর ডুপ্লিকেট ওঠাতে এত টাকা লাগার কথা না. তারপরও তারা আমাকে বলে সম্পূর্ণ টাকা প্রদান করতে আমি না করে দিয়েছি
জন্মসনদের আর বোটার আইডির জন্মসাল পরিবর্তন করতে গেছি সালায় আমারে বলে যে চা খাওয়ার পয়সা দিলে ভালো হইতো বাতিজা, নজরে থাকতো আমি জিগাস করলাম যে কত দিমু 🙄 কয় দাও ২ হাজার হইলেই হইবো যাতে তুমি পাসপোর্ট বানাইবা জলদি কইরা দিমু😂
আমার তিন স্টুডেন্ট দিনাজপুর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাইক নিয়ে ঢুকে এসময় এম দিয়ে শুরু নামের এক পুলিশ তাদের আটকায়, প্রথমে গাড়ির চেসিস নাম্বার খুঁজে না পেয়ে চোরাই গাড়ি বলে ভয় ভীতি দেখায় , পরে চেসিস্ নম্বর খুঁজে পেলে সাইডে ডেকে নিয়ে এক হাজার টাকা ঘুষ চায় এবং ৩০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, এই সময়ে বাইকের মালিক ছেলেটিকে দিনাজপুর বড়বন্দর এলাকায় নিয়ে যায়।।। এর মধ্যে ছেলে দুইজন টাকা ম্যানেজ করতে তাদের ভাইকে ফোন দিলে পুলিশ তাদের থানার সামনে নিয়ে গিয়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ১৫০০০০ টাকার মামলা দেয় এবং আরও নানান ধরনের হয়রানি করে।।। ঘটনা এক মাস আগের।।
রেনু করতে আসে পাঁচ হাজার দিতে হয় ১৩ হাজার দালালকে
7000 টাকা লাগবে নামজারী করতে
টাকা না দেয়ার কারনে দূরে পদায়ন দিয়েছে
Bumi Office kor dithe gush chay
আমার জমির নামজারি, ও বাবার যে জমি আছে কিছু দাগ নাম্বার ভুল আছে, এগুলো সঠিক করে দিবে যদি ১ লক্ষ টাকা দেই তাহলে। পরে আমি টাকা দেইনি এখনও আমার কাজ ও হয়নি।