পেনশন ভেটিং
অডিটর কর্তৃক পেনশন ভেটিং সম্পন্ন করার জন্য চাহিদা করেছে। না দিলে বিভিন্ন অযুহাতে পেনশন হতে টাকা কর্তনের সুযোগ খোজেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অডিটর কর্তৃক পেনশন ভেটিং সম্পন্ন করার জন্য চাহিদা করেছে। না দিলে বিভিন্ন অযুহাতে পেনশন হতে টাকা কর্তনের সুযোগ খোজেন।
আমি বাড়ির প্লান পাশের জন্য পিরোজপুর পৌরসভায় আবেদন করেছিলাম ,পৌরসভার একজন ইন্জিনিয়ার বড় অংকের টাকা দাবি করে না দেওযায় আমার বাড়ির প্ল্যানটি দুই বছরেও পাশ করেনি । এভাবে সে প্লান পাশের জন্য কেউ গেলে টাকার জন্য হয়রানি করে ।
নাম জারির জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছিলো। এখনো সে নাম জারি করি নি, টাকা ছাড়া নামজারি হবে না বলে দিছে
জাতীয় ক্যান্সার হাস্পাতাল, মহাখালী, মেডিকেল অনকোলজি বিভাগ বিভিন্ন ঔষধ কম্পানির কাছ থেকে পগ্রামের নাম করে টাকা ঘুষ চাচ্ছে। প্রতিটি কোম্পানির কাছ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা করে। যেই কোম্পানি টাকা দিতে পারবে সেই কোম্পানির ঔষধ লিখবে। যারা দিতে পারবে না তাদের ঔষধ লিখবে না। যার ফলে দিনে দিনে মেডিসিন এর দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ হয়রানির সিকার হচ্ছে। এর প্রতিকার চাই।
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিস এর রিজার্ভ অফিসার এসআই — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পুলিশের অধিনস্থদের ভালো থানায় বদলী করে দিবেন মর্মে বদলী বানিজ্য করে আসিতেছেন।
আমি অনেকবার হোল্ডিং খোলার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। বারবার আবেদন খারিজ করে দিচ্ছে বড়ঘোপ ভুমি অফিসের দালাল — যার কোন অফিসিয়াল পোস্ট নাই। তবে তার নিয়ন্ত্রণে ভুমি অফিসের তহসিলদারের আইডি। টোটাল খাজনা আসে ৩ হাজার প্লাস টাকা আর দাবি করেছিলো ৭ হাজার টাকা।আমি প্রত্যাখান করেছি। আজ পর্যন্ত সরকারকে খাজনা দিতে চেয়েও খাজনা পরিশোধ করতে পারছিনা।
আমার বাবা মারা গেছে 2011 সালে। 2024 সালে আমার মা বিধবা ভাতার আবেদন করা জন্য ইউনিয়ন আমাদের ওয়াডের মেম্বারে কাছে গিয়ে ছিলেন মেম্বার এটি করার জন্য 1000 টাকা ঘুস চেয়েছে । বাঘা ইউনিয়ন সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়ন আমাদের বাড়ি । ওনার facebook Id- — নাম — 3 নং ওয়াড বাঘা ইউনিয়ন
Amake join korabe but 1.5 m taka chaise
আমি ২০২৫ সালের ২৯ জুন সিভিল সার্জনের কার্যালয় বরিশাল এ স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে জোগদান করি।এর পরে আমাকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, গৌরনদীতে পদায়ন দেয়া হয়।গৌরনদী হাসপাতালে — নামে এক ৪৫ বছর বা ৪৮ বছর বয়ষি লোক চাকুরী করে প্রধান সহকারী হিসেবে।অই ব্যক্তি আমাদের ব্যাচের পাচ জনের কাছে বেতন ফিক্সেসন এর জন্য ১০০০ টাকা করে দাবী করে,আমি ছাড়া বাকি সবাই দিয়েছেন,আমি রিজেক্ট করায় আমার বেতন অতিরিক্ত দেড় মাস ঘুরপাক খায়।আবার অফিসিয়াল কাজ করতে — ভাই(প্রধান সহকারী) এর কাছে গেলে অযথা বকাঝকা করত।আমার কাজ গায়ে লাগাইয়তো না।কতৃপক্ষকে জানাইলে ও কাজ হইত না,মা হার্টের রোগি বাবা রোড এক্সিডেন্ট এ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ঘুষের টাকা দিয়ে আমার বেতন উঠাই।কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেসন টা আজ ও হয়নি।টাকা দেইনি বলে।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বরিশাল জোন নিজে যেকোন ধরনের কাগজ যাতে তার স্বাক্ষর লাগবে সেটা তিনি টাকা ছাড়া করবেন না। টাকা না দিলে কাগজ রেখে দেন বারবার ফোন করেন টাকার জন্য।
আমার জাতীয় পরিচয় পত্র হয়নি। আমি ফরম জমা দিয়ে ঐদিনই ভোটার হতে চাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন অফিস কর্মকর্তা বলে যে ১৫ দিন এক মাস পরে আসতে কিন্তু হেড অফিসের খোঁজ নিয়ে জানলাম দিনে দিনে ছবি তুলে সংগ্রহ করার নিয়ম। কিন্তু সেটা তারা করেনা। এনআইডির জন্য দিনের পর দিন অসংখ্য নাগরিক ঘোড়া ঘোড়া এটা অবান্তর
বিভাগ : রাজশাহী, জেলা: পাবনা, উপজেলা: সাঁথিয়া আমাদের এলাকার ভূমি অফিস গুলো খারিজ এর আবেদন তফসিল অফিস থেকে করলে ৭-৮ দিনের মধ্যে বের করে দেয় বদলে টাকা নেয় ৮০০০-১০০০০ টাকা।। কিন্তু নিজে নিজে আবেদন করলে মাস এর উপর লেগে যায় তাও ফাইল আগাতে চায় না সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও। আর খাজনা দেয়ার আবেদনের জন্য অনুমোদন দিতে চায় না বিভিন্ন কারণ দেখায়। তারা একই কাজ না সবার থেকে আলাদা আলাদা ভাবে টাকা নেয় আর একটা করে কপি দেয়।মানে খাজনা একবার দেয়া লাগে কিন্তু সবার থেকে টাকা নেয় বার বার যার যখন লাগে।। আর টাকা ছাড়া ফাইল নড়তেই চায় না। এটি একেবারে সত্য ঘটনা দরকার হইলে লোক লাগিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন। আমরা যারা সাধারন মানুষ তাদের তো টাকার গাছে ধরে না কষ্টের টাকা দিয়ে সব কাজকর্ম করতে হয় না করেও কোন উপায় নাই
প্রাথমিকের পাঠদান অনুমতির ফাইল জমা দিতেই ২০,০০০ ঘুষ দিতে হবে। অনলাইনে ফাইল জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বলা হয়েছে অফিসে সরাসরি ফাইল জমা দিতে। অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে ঘুষ দিতে হয়।
প্রথমবার অনলাইন চিটিং এর মাধ্যমে খারিজ বাতিল করে। পুনরায় আবেদন করার পর দীর্ঘসুত্রিতা করে। ১ম ও ২য় বার মিলে প্রায় ৩ মাস পর শুনানির তারিখ পড়ে। ঐদিন পূর্ব মালিকের খাজনা বাকি থাকায় অফিস প্রধান জমি খারিজ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং জমি অধিগ্রহণের হুমকি দেয়। পরে অফিস সময়ের মধ্যে অনেক হয়রানি স্বত্ত্বেও প্রতিনিধি খাজনা পরিশোধ করে রশিদ জমা দিলে তা খারিজ হয়।
আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকার ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে নির্ধারিত ফি করে দিয়েছেন এর বাইরে কোনো টাকা দেওয়া লাগে না কিন্তু আধুনগর, হাশমল ভূমি অফিসের কর্মরত এই মহিলা এবং তার সাথে যারা আছে সবাই সরকারি নির্ধারিত ফি এর বাইরে আরও টাকা দাবি করে এটা এক প্রকার ঘুষ। এবং তারা উভয়ে টাকার বিনিময়ে নির অপরাধ মানুষ কে কষ্টে ফেলার জন্যে টাকা খাইয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে মিথ্যে মামলা করার জন্যে যার থেকে টাকা নেই তাকে সুযোগ করে দেই। আমি একজন ভোক্তভোগী হিসেবে এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের এই অপকর্মের বিচার চাই। তারা সবাই মিলে সরকারি দলের বদনাম জুটাচ্ছে। উচ্চ মহলের ওপর বিনীত অনুরোধ আপনারা সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের সবাইকে এবং বিশেষ করে এই মহিলা কে শাস্তির আওতায় আনবেন।
Regarding of Machine & Spare parts import, Importing Of Machine & spare parts under select SRO mentioned HS Code does not matching, Weight variation, Every now & then they are creating an issue and demanding One lac taka for each Documents. In that case, despite submitting every documents by the shipper, we did not get any solution. The company is being threatened with a lawsuit for irregularities.But the issue has not been resolved yet because foreign companies are reluctant to pay unwanted bribes in this regards.
ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের এসি ল্যান্ড অফিসে বাতিলকৃত খ-তফসিলের নামজারীর রেট করে ঘুষ খায়। অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো বাইরের ভাড়াটে দালাল রাখে যাতে করে তাদের বিরুদ্ধে কোন সেবা প্রার্থী বা সাধারণ জনগন অভিযোগ দিতে না পারে। আমার একটি ১/১ খতিয়ানের অর্থাৎ বাতিলকৃত খ-তফসিলের জমি নামজারী করতে গেলে তাদের নিয়োজিত দালাল প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। আমি সেটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার নামজারীটি বাতিল করে দেয়। কারণ হিসেবে নামজারীর জন্য সার্ভারে আপলোডকৃত জমির কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে দেখানো হয়। অথচ আমি যথাযথভাবে সকল কাগজপত্র আপলোড করে নামজারীর জন্য আবেদন করেছিলাম এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহসিল অফিস) হতে আমার জন্য খসড়া খতিয়ান প্রস্তুতও করা হয়েছিলো।
১৪৪ ৪৫ ধারা জারির জন্য
আমি একজন কর আইনজীবী। সাথে চট্টগ্রাম ট্যাক্স বারের মেমবারও। আগ্রাবাদ, CGO Building..ট্যাক্স অফিস সার্কেl ২৮. সেখান থেকে আমি আমার এক cliant এর ২০২২-২৩ সালে জমা করা মেনুয়াল ফাইলটা তুলতে চাই।যাহেতু সেটি দেখেই আমার পরবর্তী ফাইল এর সম্পদ ও দায় carry forward করে আনতে হবে। কিন্তু তারা এটা দিতে আমাকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। আমি দিতে না করি। সে বলে তাহলে ফাইল দেয়া যাবে না। ফাইল নাকি অনেক ভিতরে। এটা হলে আমার cliant এর ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট কিভাবে করব আমি? আইনে এটার ব্যপারে কিছু বলা নেই। এখানে আমি এটা লিখার কারণ হল আমি পরবর্তীতে DCT থেকে যদি কোন নোটিশ পাই তাহলে এই লিখা টা আমি দেখাব। আমি তার কাছ থেকে এত টাকা দিয়ে ফাইল নেইনি।
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা পনেরো টাকা দিতে হবে । আমি বললাম একটু কম রাখেন। তিনি বলেছিলেন সরকারের খাতায় এগারো হাজার টাকা জমা দেবো এবং ৪০০০ টাকা কাগজ পাতি ঠিক করার মূল্য লাগবে। এর কমে পারবোনা