নামজারি
আড়াইহাজারের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বাইরের দালালের মাধ্যমে এই প্রতারণা গুলো করে, আমি যদি তাদেরকে টাকা না দেই তাহলে নামজারি বাতিল করে দেয় ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আড়াইহাজারের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বাইরের দালালের মাধ্যমে এই প্রতারণা গুলো করে, আমি যদি তাদেরকে টাকা না দেই তাহলে নামজারি বাতিল করে দেয় ।
আমি মোটরসাইকেল Drive করি ১৫ বছর। তাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম বান্দরবান BRTAতে কোন দালাল ছাড়া অনলাইনে Apply করে। পর্যাপ্ত পড়ালেখা করেই পরীক্ষা অংশগ্রহণ করার পর যেহেতু আমার পরীক্ষা দিয়েছি তাই ভালোভাবে উত্তর দিতে পেরেছিলাম। আমার পাশে অনেককে দেখেছই ভাল করে লিখতেই জানেনা,তারা কোন মতে নাম আর রোল নাম্বার লিখে খাতা জমা দিয়ে দিয়েছে। আমি ওদের জিজ্ঞেস করেছিলাম এভাবে তো পরীক্ষায় পাশ হওয়া যাবে না। ওরা নাকি দালালের মাধ্যমে আসছে পরীক্ষার অংশগ্রহণ করে নাম আর রোল নাম্বার দিলেই বাকিটা দালালেরা দেখবে।পরীক্ষা শেষে তার বাস্তব প্রমাণ দেখলাম সবাইকে ডেকে ডেকে মার্ক দেয়া খাতা দিয়েছে, আমাকে মার্ক তো দূরের কথা খাতাটাও দেয়নি।একজনের কাছে জিজ্ঞেস করে উত্তর পেলাম কারো মাধ্যমে না আসলে রেজাল্টও দেওয়া হয়না।
Although he was the top candidate, the VC and his syndicate requested a payment of $15,000 to issue the appointment letter in 2023. The payment has not been made, and the appointment has yet to be received. The position remains unfilled to this day! His associate, Mr. S, has brought in numerous relatives for recruitment. There is no one to challenge this situation. Seleucus!!
আমাদের সবার জন্মনিবন্ধন ছিল। নম্বর দিয়ে অনলাইনে খুঁজে দেখলাম, বিভিন্ন জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনলাইনে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যায়। কিন্তু সিটি অফিসে গেলে তারা বলে আদালত থেকে অ্যাফিডেভিট করতে হবে, নোটারি করতে হবে, আরও অনেক কিছু লাগবে। প্রতি ব্যক্তির জন্য ২,৫০০ টাকা দিলে তারা সব ব্যবস্থা করে এনে ঠিক করে দেবে। এই দেশে টাকা ছাড়া কোনো অফিসে কোনো কাজই হয় না।
Farants name ar age thiek korte Dhaka education abroad ar ak officer 2500 taka gush dabi kore
কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে
জমির নামজারি করতে গিয়ে হয়রানি। কম টাকায় নামজারি করতে আগ্রহী নয়.....।
প্রতিদিন নোয়াখালী জেলা পাসপোর্ট অফিসে শত শত পাসপোর্ট আবেদন পড়ে, বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনের তথ্য বা ডকুমেন্টস সমস্যা দেখিয়ে, আবেদন বাতিলের চেষ্টা করা হয়, অন্যথায় পাসপোর্ট অফিসের বাইরে থাকা ভাসমান কিছু লোক অথবা কম্পিউটার দোকানদারেরা ২ হাজার টাকা নিয়ে পুনরায় পাঠালে সহজেই 'ভুল' বলে বাদ দেওয়া আবেদন গৃহিত হয়। সরকারি নাগরিক সেবা পেতে এভাবেই প্রতি মাসে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয় এখানে। মানুষ নিরুপায়।
বদলির জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরে গিয়েছিলাম ওখানে অনেক দালাল আবেদন করলে কোন জবাব পাওয়া যায় না, কোন খবর থাকে না এবং কিছু অফিসেরই লোকজন আছে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করিয়ে দেয় এবং বদলি হয়ে যায়। এক অফিস সহায়ক আমাকে এক লোকের সাথে দেখা করে দিয়েছে ১২০০০০ টাকা চাইছে বদলিতে করিয়ে দেওয়ার জন্য আমি দেইনি যার কারণে আমার বদলি হয়নি। কিন্তু আমার পরিচিত অনেকেই টাকা দিয়েই বদলি করেছে।
আমার বাড়ি নবাবগঞ্জ উপজেলা দিনাজপুর জেলা আমার পরিবার কৃষি কাজ করে সংসার চালায়, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ার পরে এবং জ্বালানি সংকট হয় এই জন্য আমি সেচ লাইসেন্স জন্য আবেদন করেছিলাম উপজেলা বিএডিসি ক্ষুদ্র সেচ অফিস৷ কিন্তু বরেদ্র আর বিআরডিবি ২ জন কর্মকর্তা আমার কাছে ঘুস চায় কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করি। পরে তারা আরেকজন ব্যক্তি কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করে তাকে সেচ লাইসেন্স প্রাদান করার জন্য চেষ্টা করতেছে।
সাভার নির্বাচন কমিশন অফিসে যাই NID কার্ড এর আবেদনের জন্য। ফরম তুলি, প্রয়োজনীয় কাগজ সহ ফরম পূরন করে জমা দিতে যাই। তারা বারবার ঘুরাতে থাকে। বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায়। ইলেকট্রিসিটি বিল, তাতে আবার নিজের বা বাবার নাম লাগবে। চারিত্রিক সনদ, একবার নিলাম ওয়ার্ড কমিশনার থেকে, বলতেছে হবে না। পরে নিলাম পৌরসভা থেকে। এরপর আরো ডকুমেন্ট চাচ্ছিলো। ৩ দিন বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ালাম, পুরো দিন গেলো। তো এরমধ্যে লক্ষ্য করলাম, সেখানে নির্বাচন কমিশন অফিসে আসলে কোনো কাজ হয় না, কাজ হয় তার সামনে থাকা ফটোকপির দোকানে। যারা নতুন nid বা সংশোধন, জন্ম নিবন্ধন, যেকোনো কাগজপত্রর কাজই ওইসব ফটোকপির দোকানে হয়। তো নিরুপায় হয়ে গেলাম সেখানে। তারা বললো সব প্রসেস করে দিবে। ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। অনেক দর কষাকষি র পর সর্বশেষ ১০ হাজার বললো।
Driving license not issued. Asked Tk 10000/- via a lady official. I didn't agree, Result: licence not issued. The other people who paid got the DL
আমি বদলি জনিত কারণে আমার শেষ বেতনের প্রত্যয়ন পত্র নিতে গিয়েছিলাম, ওরা বলে ২৫০০ টাকা দিলে ২,দিনের মধ্যে দিয়ে দেবে, অন্যথায় ওদের হাতে অনেক কাজ আছে, সিরিয়াল অনুযায়ী দেবে,কিন্তু আমি দেখলাম ওরা ফ্রী আছে।
ইপাসপোর্ট আবেদনের পর অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয় লম্বা একটি লাইনের ঝামেলা ফেস করে। সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম লাইনের সামনে দিয়ে লাইন অমান্য করে পেছন থেকে লোকদের এনে টাকার বিনিময়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে এতে লাইনে থাকা লোকদের ভোগান্তির শেষ নাই। সেখানে পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর থাকার পরেও ভিতরের অফিসারদের সাথে লিয়াজু করে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট জমা ও পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছে যা জনসাধারণের ভোগান্তির অন্যতম কারণ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি সিন্ডিকেট আছে যেটি বদলি বা প্রোমোশনের কাজ করে। উচ্চ পদস্থ কর্মচারীরা বিভিন্ন কাজের জন্য আবেদনপত্র নেয় ও সেটি ঝুলিয়ে রাখে এবং তাদের অনুগত কিছু কর্মচারী তথা কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক সহ একটি সিন্ডিকেট প্রার্থীর কাছে মোটা অংকের টাকা আদায় করে, না হলে বদলি ঝুলে থাকে বছরের পর বছর।আবার তারা বিভিন্ন এজেন্ট এর মাধ্যমেও কর্মচারীদের কাছ থেকে এক লক্ষ থেকে দু লক্ষ টাকা পর্যন্ত বদলির জন্য নেয়। —, —, —, —, — আপনাদের জয় হউক।
আমার মেয়ে অসুস্থ ছিল । আমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যায় সেবার জন্য । সেখানে বলা হয় হাতে ক্যানোলা পরাতে হবে সেজন্য নার্স রা ১০০ টাকা দাবী করে । আমি দিতে অস্বকীর করলে তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার কেরে ।
আমি ভোটের ডিউটির জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে, আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়, দাবি করে — এবং — নামের ২ জন আনসার সদস্য
টিটি টাকা নেয় কিন্তু টিকেট দেয় না, যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া থেকে ১০/২০ টাকা কম দেয় সেহ্মেত্রে টিটি মহা খুশি। সরকার প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে লহ্ম টাকা। সুপারিশ হচ্ছে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।
একাটি লাইসেন্স করতে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অথচ সরকারি ফি ৬০০০ টাকা।অনলাইন করার পরও মোবাইল নম্বরে কল করে ঘুষ চাওয়া হয়।
সরকারি স্ট্যাম্পের নিচে বড় বড় অক্ষরে নীতিবাক্য লেখা থাকে, অথচ সেই স্ট্যাম্পে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলেই শুরু হয় ওপেন দুর্নীতি! নিজের পারিবারিক সম্পত্তির একটা আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) দলিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বরিশালের বাকেরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র একশভাগ ঠিক থাকার পরেও সেখানে দালালের/ভেন্ডারের মাধ্যমে আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। হয়রানি এড়াতে আর কাজটা ঝামেলা ছাড়া শেষ করতে প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রারের জন্য চাওয়া ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে আমি রাজিও হয়েছিলাম। কিন্তু এদের লোভের তো কোনো শেষ নেই! এরপর আবার নতুন করে "অফিস খরচ" বা টেবিল খরচের নামে আরও ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। দলিল রেজিস্ট্রেশনের যে আসল সরকারি ফি, সেটা দিতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্ত