মিউটেশন
আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে, এবং বর্তমান সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে হবে আগামী জেনারেশনের জন্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে, এবং বর্তমান সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে হবে আগামী জেনারেশনের জন্য।
আজকে আমি আমার স্কুলের এক সহকর্মীর এসিআর আনতে AUEO স্যারের কাছে যাই। ৪.১৫ বিকালের দিকে। উনি সাইন করে আমাকে বলে আমার ওই সহকর্মী নাকি বলেছে লাঞ্চ করাবে। আমি সহ শুক্রবার অথবা রবিবার লাঞ্চ করতে চায়। আমি বলি স্কুলে আসলে আমার ওই সহকর্মী ম্যাডাম লাঞ্চ করাবে। তারপর আমাকে বলে আচ্ছা ঠিক আছে তুমি আমার জন্য তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকা নিয়ে আসবে কম্পিউটার এর দোকান থেকে। আমি দোকানে এ গেলে তারা বলে প্রিন্ট করা নাই দেরি হবে। আমি স্যারকে ফোন করে বলি স্যার ফটোকপি এর দোকানে এ তো প্রিন্ট করা নাই আমি অর্ডার দিয়ে গেলাম ওরা আপনার কাছে পাঠিয়ে দিবে। উনি আমাকে বলে তুমি টাকা দিয়ে দিও। উক্ত তিন সেট মূল্যায়ন নির্দেশিকার দাম ৭০০ টাকার উপর। পরবর্তীতে ম্যাডাম অন্য কাজে তার কাছে গেলে ওই তিন সেট ফটোকপি করে দিয়েছেন।
একাটি লাইসেন্স করতে ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অথচ সরকারি ফি ৬০০০ টাকা।অনলাইন করার পরও মোবাইল নম্বরে কল করে ঘুষ চাওয়া হয়।
আমার ফাইল গায়েব। ফাইলটি পাওয়া যায় এখনো। তিন বছর ফাইল খুজে না পেয়ে নতুন করে আবার প্রক্রিয়া করতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন এ বয়স সংশোধন পাসপোর্ট এর মত করে এতে সংশোধনে ১৫ হাজার টাকা চায়।যাহা সরকারি ফি ৫০ টাক।
নামজারীর আবেদনের পর কাট্টলি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদারের প্রতিবেদনের জন্য ছিলো, কাগজপত্র দেখে প্রতিবেদন দিতে টাকা চাই। দিতে পারি নাই বলে কাগজপত্র ঠিক নাই, শুনানী যায় নাই মর্মে বাতিলের প্রতিবেদন দিয়ে নামজারি আবেদন বাতিল করে।
আমার জমি খারিজ করা প্রয়োজন তাই আমি একজন দলিল লেখক এর কাছে যায় আমার দাদার সম্পত্তি খারিজ করার জন্য তিনি বলেন আগে বন্টন নামা দলিল করতে হবে বোনটার নামা দলিল বাবদ খরচের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন ৪০ হাজার টাকা লাগবে. আমি এখন পর্যন্ত আমার জমিটির বন্টননামা দলিল করতে পারেনি খারিজও করতে পারেনি কিছুদিন পরে দেশের আমার এলাকায় বিডিএস জরিপ আসতেছে.
সরাসরি টাকা দাবি করেছে UDA
ফরিদপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ চলছে ভয়াবহ দূর্নীতি। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাচমেন্ট যাওয়ার জন্য প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে পার স্টুডেন্ট প্রতি 500 টাকা করে নেওয়া হয় । কাঁচামালের জন্য যদিও বোর্ড থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে টাকা দেওয়া হয়। আমাদের জন্য এ টাকা অনেক বোঝা। এছাড়া প্রতি সেমিস্টারে বিবিধ নামে ১০০ টাকা+খেলাধুল জন্য টাকা নেওয়া হয় তা কোথায় খরচ করা হয় তা হিসাব প্রিন্সিপাল প্রকাশ করে না। সুষ্ঠ তদন্ত চাই।
প্রথমে প্রত্যাখ্যান করেছি। কিন্তু আমার বিষয়টি জরুরী ছিল। নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। যে শ্লায় টাকা দাবি করেছিল, সেই শ্লায় পৌরসভা থেকে সরকারী কলেজে ইতিহাসের টিচার হিসেবে লবিং করে ঢুকে গেছে। মালুর বাচ্চার কাছে তখন আমি অসহায় ছিলাম।
আমার গাড়ির লাইসেন্স ড্রাইভিং লাইসেন্স কিছুই নেই তারা আমাকে ধরার পর হাজার টাকা চাচ্ছিল আমি তখন বলেছিলাম যে আপনারা মামলা দেন যত টাকা লাগবে আমি দিব তবে আপনাদের হাতে কোন টাকা দিব না। পরে তারা আমাকে তিন হাজার টাকার মামলা দেই আমি সেটা অনলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করি।
As I am from a reputed public university and knew the OC of the thana the officer responsible for the verification backed off from taking the 500 tk.
ফোন হারানো তে পুলিশ ফোন টি উদ্ধার করতে ৫০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা টা দেন পরে লাগলে আবার দিতে হবে। থানার পাশে সেলুনে দেখা করতে বলে কল করে। পুলিশ টা কুকুরের মতো আচরন ছিল।
জনাব/জনাবা, আমি বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে আমি বিস্ফোরক পরিদপ্তরে একটি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে২০ (বিশ) লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী ঘুষ প্রদান না করলে আমার লাইসেন্সের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে না বলে জানানো হয়। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের অনুরোধ করছি। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
আমি নামজারি করতে যাই তখন তারা আমার কাছে শুরু করে পরে আমি বুঝতে পারি তারা আমার কাছে টাকা দাবি করছে আমি টাকা ছাড়াই কাজ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার কাজটি হচ্ছিল না পর আমি দেখলাম যে আমার কাজটি সম্ভবত সঠিকভাবে করা সম্ভব হবে না আমাকে অফিসের কিছু কর্মকর্তা এই টেবিলে উই টেবিল যেতে বলে নানাক কাগজ থাকা সত্ত্বেও হয়রানি করতে থাকে। পড়া পর আমি কয়েকদিন যাই। যখন দেখলাম যে কাজটি হচ্ছে না তখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে কিছু খরচের প্রয়োজন। আপনার কাগজগুলো রেখে যান আমরা একটা সমাধান করে দিব। পরে বড় স্যারের কাছে পাঠায় কিছুদিন পরে আপনি আপনি কাজটি হয়ে যায়। তারা আমার কাছ থেকে টাকাটা আগেই চেয়ে নেয়। ভূমি অফিসের প্রত্যেকটা কর্মকর্তাই এর সাথে যুক্ত ছিল।
আমাদের KNGC তে প্রাকটিকাল পরীক্ষা ছিল। তো সেখানে আমাদের রসায়ন পরীক্ষা ছিল।পরীক্ষা যথাযথ ভাবে না নিয়ে তারা আমাদের থেকে ৩০ টাকা করে চাদা বা ঘুষ চায়।।।আমার সকল বন্ধু দিলেও আমি দেইনি।
আমরা একটি সরকারি অফিসের 40 জন এর সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে সেই অফিসের কর্মকর্তা আমাদের প্রত্যেকের কাছে 5000 টাকা চায়। আমরা এই টাকা দিতে নারাজ হলে তারা হুমকি দেয় যে আপনাদের কারও ইনক্রিমেন্ট সংযুক্ত হবে না।
সেবা ছিল আমার বউ এর এবং আমার ছোট ভাই এর জন্য নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র জন্য নবায়ন করা । টাকা দিলে ওনারা কাজটি তারাতাড়ি করবে না হলে অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার দরকার ছিলো ইমার্জেন্সি ছোট ভাই এর পাসপোর্ট তৈরির জন্য ।
Uthharidikar Southray namjari
জাহাজে ভিসিট এ গিয়ে সব ঠিক থাকলেও টুকি টাকি এর জন্যই মামলা র ভয় দেখিয়ে ঘুষ চাইসে