সার্টিফিকেট ভুল সংশোধনের জন্য।
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে সার্টিফিকেটে নাম সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে প্রায় প্রতিটি কর্মচারি টাকা চায়। আমার চোখে দেখা সবচেয়ে বেশি ঘুষ বানিজ্যের জায়গা এটি। আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। প্রায় প্রতিটি রুমের কর্মচারী এমন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে সার্টিফিকেটে নাম সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে প্রায় প্রতিটি কর্মচারি টাকা চায়। আমার চোখে দেখা সবচেয়ে বেশি ঘুষ বানিজ্যের জায়গা এটি। আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। প্রায় প্রতিটি রুমের কর্মচারী এমন।
This incident happened in August 2025. The official property mutation fee was only BDT 1,100, but the person asked my mother for BDT 25,000. Without my knowledge, my mother paid him BDT 8,000. When I later found out about this, I refused to pay him any more money. After that, he entered or processed my information incorrectly, which caused further problems for me. As a result, I had to complete the process again from the beginning. Later, I was able to complete the same work properly by paying only BDT 1,100 as the official fee.
মোবাইল সেট ঘুষ হিসেবে চেয়েছিল। বিনিময়ে কাজ দ্রুত করে দেবে, না হলে ফাইল আটকে রাখবে in the Year of 2015
পরে সে কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।
আমার ছয়টি খতিয়ানে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বকেয়া ছিল কিন্তু দায়িত্ব রত কর্মকর্তা ১২০০০ টাকা দাবি করে তাও সব টাকা দাখিলার কাগজে লেখা থাকবে না পরবর্তীতে অনেক বাক বিতর্ক হল কিছুদিন পরে ৯০০ টাকা দিয়ে ছয়টি খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিষদ করি।
মাদ্রাসা জমি ক্রয় হয় এবং সে নিজে দলিল করে কিন্তু বর্তমান সে নিজে এই জমির পাশে জমি ক্রয় করে গোপন সুত্রে এবং মাদ্রাসা জমিটি তার নিজের নামে ক্রয় করা হয়েছে দাবি করে। সেই দাবী অনুযায়ী জমির দাম ৩০ লক্ষ টাকা চায়। মূলতঃ সে একজন দলিল লেখক এভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে।
খাজনা দেওয়া হয়েছে ১৮ সালে। এখন যাওয়ার বলছে ২০ বছর যাভৎ দেওয়া হইনি। নিয়েছে ১৮০০ টাকা রশিদ দিয়েছে৮০০ টাকার। ঘটনা আমার বড় ভাইয়ের সাথে ঘটে ছে৷ ভাই একজন প্রবাসী।
আমার জনতা ব্যাংকে চাকরি সুবাদে প্রাইমারি স্কুলের চাকরি ছাড়তে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। এর পর জিপিএফ এর ২৩৫৫৩ টাকা উত্তোলন করতে গেলে ১২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করলে আমি প্রত্যাখ্যান করি। ফলে সেই টাকা এখনো ঝুলে আছে আমি টাকা পাই নাই। শালিখা উপজেলা শিক্ষা অফিসার — এই ঘুষ দাবি করেন এবং নানা সময়ে আমাকে হুমকিও দিয়ে থাকেন।
“আমি একটি নামজারি বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিস কেস করি । তিনি আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ।আমার সকল কাগজপত্র ধারাবাহিকতা ঠিক থাকার পরও আমার আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেননি । আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই।”
এনআইডি সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সব প্রমাণ থাকার পরও সংশোধন করতে নারাজ। পাসপোর্ট জন্ম নিবন্ধন স্কুল সার্টিফিকেট এফিডেফিডে ওয়ারিশান সনদ ভাই বোনের সম্মতি পত্র ওনা প্রতিপত্র সহ যা কিছু চেয়ে ছিল সবই দিয়েছিলাম তারপর আমার বিপক্ষে রিপোর্ট দিয়েছে উপজেলা অফিসার টাকা চেয়েছিল টাকা দেই নাই বলে।
বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কপোরেশন ফানিচার পরিবহন করতে গিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কমকর্তা গাড়ি প্রতি ৫০০০/ টাকা করে ঘুষ দাবি করে আমি রাজি না-হওয়ার আমার থেকে বেশি বিড কারিকে কাযাদেশ প্রদান করেন। অনলাইনে অভিযোগ দেওয়ার মতো কোন ফ্লাট ফরম খুঁজে পাইনি। সুন্দর একটা ফ্লাট ফরম তৈরি করার জন্য আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ
এনআইডি সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম পাসপোর্ট সার্টিফিকেট জন্ম নিবন্ধন ওয়ারিশান সনদ ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ সবকিছুই দিয়েছিলাম তারপরে আমার বিপক্ষে রিপোর্ট দিয়েছিল টাকা দেয়নি বলে
ঢাকা উত্তরের ফুড ফেসটি অফিসার আমার রেস্তোরাঁতে অভিযান চালায়। তারা আমার রান্নার তেলের সেম্পল নেয়। তখন সেই অফিসার বলেন, "আমরা এটা পরিক্ষা করতে তেলে সমস্যা পাবোই তখনব৩ লাখ টাকা ফাইন হবে। আপনি কি এটা চান?" আমি বললাম, সমাধান কি? ফুড অফিসার বললো ৫০০০০ টাকা দিল৩ আমরা কোন সেম্পল নিবো না। ঘটনা এখানে শেষ। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি এবং বলি পরীক্ষায় যদি আমার তেল খারাপ হয় তাহলে আমি সরকারি তহবিলে টাকা দিবো কিন্তু আপনাকে ১ টাকাও দিবো না। তারপর উনি সেম্পল নিয়ে চলে যান। গত পরশু হঠাৎ আমাকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে চালান করে। কারন আমার নামে খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ২০১৩, ৫৮ ধারায় মামলা হয়ে গ্রেফতার ওয়ারেন্ট বের হয়। কিন্তু আমাকে কোন পরীক্ষার রিপোর্ট বা মামলার সমন কিছুই পাঠায় নি।
আমার ১৭ শতাংশ জমি ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে আবেদন করলে একটি ব্যাংক বন্ধক এর এপ্রোভাল দেয়। নিয়ম অনুযায়ী এটা সংশ্লিষ্ট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি করতে গেলে উক্ত সাব রেজিস্ট্রার ৯০০০০০ টাকা দাবি করে। ১০০ ভাগ নির্ভেজাল এবং জেনোয়িন এই কাজে আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ৫ মাস পার হয়েছে তবু এই রেজিস্ট্রেশন আমি এখনো করাতে পারি নাই।
আমার স্বামী প্রবাসে থাকে, তার পাসপোর্ট যে জন্ম নিবন্ধন দেওয়া সেটা ইউনিয়ন অফিস থেকে তুলতে গেছি বলেছে অনলাইন নাই, তাই নতুন করে জমা দিতে হবে, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন ১৭ ডিজিট নাম্বার আছে তার পর বলছে করতে হবে, তখন আগে তথ্য সাথে বর্তমানে শাশুড়ী নামে বানান ভুল আছে পরে স্বামী পাসপোর্ট সমস্যা হবে, তা বলায় ২.৪০ মিনিট বসা রাখছে ামি বার বার বলছিলাম ৯ মাসের বেবি আছে বলতাছে ওয়েট, পরে সবাই চলে যাওয়ার পর সচিব ৩০০০ টাকা চায় ভাবছি মজা করে, পরে বলে চলে যেতে, একই সমস্যা আরেকজনের তখন সেটা ছেলে নিয়ে আসে তাকে ৭০০ টাকায় করে দিছে, আমি চলে আসি পরে ২ বার ভাই ও শ্বশুর কে দিয়ে পাঠায় তখন টাকার কথা অস্বীকার করে, বরে এটা দিয়ে জন্মনিবন্ধন সম্ভব না, তার জন্য আমার মেয়ে ও জন্ম নিবন্ধন হচ্ছে না
Sitikorporeson thake dokan boraddo hoyecilo kalibri bajare. Age jara dokan krece tader name, amr babar nam cilo. Ami giye jigasa krci bolce nam ace jokhn ami kagoj niye jai tokhn amk ble nam nai. Amr babar dokantai kicu din pre dekhi tar salar name diye dice. 3 jon loker thake 100000, 230000, 100000 tk niye dokan gulo dice. Ami proman soho dekhate parbo. R amr babar nam seikhne ace ami tao sure kintu amader pokkhe ato tk deoa somvob hyni.
আমার ওয়াইফের NID নতুন করে সংশোধন এর জন্য অনলাইনে আবেদন কলে বিভিন্ন প্রকার কাগজ পত্র কালেক্ট করার নামে হয়রানি শুরু করে। সব কিছু এরেঞ্জ করার পর ও কাজটি বিভিন্ন অজুহাতে ঝুলিয়ে রাখে। পরবর্তীতে কাজ সমাধানের নামে ৩৪০০০ হাজার টাকা ঘোস দাবি করলে আমি পত্যাখান করি। এখনো কাজটি হয় নাই। কারণ এতো বড় এমাউন্ড খরচ করার সামর্থ্য নেই।
সরাসরি অফিসে ৫০০০ টাকা দাবি
amra 5 bondu gurte jai to sekhane ekta somoy ekta cng hire kori somuddro soikot e jete 2din age ,pore okhane jawer post e cng ula amader polic er kase niye thamay polic kono signal e dei ni ,pore amader ke haresment kore amader phon bektigogot jinis dekhe juear site na peye search history dekhe pr*n er e silo ek bondur pore eita niye dore and 2k taka dabi kore gupon e cng ula ke then 1k dite hoi
ব্যাংকে একটি সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৩ জন ও বাহিরে শতশত দালালের সাথে খাতির করে প্রতিটি লোন বাবাদ ২০-৩০ হাজার করে টাকা নেয়। আপনারা মিষয়টি গুরুত্বের সহিত তদন্ত করে দেখেন। তবে প্লিজ আমার নাম যেন পৃরকাশ না হয়। প্রকাশ হলে আমি খুব বিপদে পড়বো। আমার জীবন ঝুঁকিত পড়বে।