ভোটার আইডি
আমার ভোটার আইডি করতে চাইলে আমাকে বলে এক বছর লাগবে, আর যদি পাঁচ হাজার টাকা দেই তো চারদিনে কাজ হবে।পরে আমি চার হাজার টাকা দিয়ে কাজ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ভোটার আইডি করতে চাইলে আমাকে বলে এক বছর লাগবে, আর যদি পাঁচ হাজার টাকা দেই তো চারদিনে কাজ হবে।পরে আমি চার হাজার টাকা দিয়ে কাজ করি।
No Ghush no work my file pending till today without Ghush it will not gonna move at all.
আমার নতুন পাসপোর্ট 5 বছর এর মেয়াদ এর জন্য 5 হাজার টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে দিছি, কিন্তু পাসপোর্ট অফিস এসে দেখি টাকা নাকি আসে নাই । তার পরে পাসপোর্ট অফিসের সামনের কম্পিউটার এর দোকানে গেলাম 2000 টাকা দিলাম সে একটা ফোন দিল কাজ হয়ে গেছে ।
আমার কাছে সরাসরি ঘুস দাবি না করে, নবায়ন খরচ হিসেবে নানান উৎস এর কথা বলে অগ্রিম পনেরো হাজার টাকা নিয়ে যায়। এবং দুইদিন পর ট্রেডলাইসেন্স দিয়ে যাবে বলে প্রতিশুতি দেয়। পরবর্তীতে আমার ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হলে দেখতে পাই সেখানে তারা ৬০০০ টাকার সরকারি খরচ প্রদান করেছে। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে নানান ধরনের হুমকি দেয় এবং বি এন পির লোক দিয়ে ও আমার দোকান থেকে কিছু জিনিস লুট করে নিয়ে যায়। আবার হুমকি দিয়েছে দোকানে রাতে আগুন দিয়ে দিবে।
নারায়ণগঞ্জ দেউলি ভুমি আসিসে আমি UNDP ভুমি অটোমোশন প্রকল্পে DEO হিসেবে 4 মাস যুক্ত ছিলাম এই ভুমি অফিসে দেখেছি জমি বিক্রি করলেও খাজনার তথ্য 26 সালের গুলো সব পকেটে রেজি ২ তোলে না জমি অবশিষ্ট থাকলে মালিকের আবার শুরু থেকে দেয়া লাগে — নামের এক অইট সোষ্টসিং ও — এই কাজের মুল হোতা আগে ULO — ও — তারা বর্তমানে বন্দর ভুমি অফিসে আছে প্রচুর ঘুস খাই ভাগ খায় এখন নতুন ULO ও
হাইকোর্টের এনেক্স ৩২ নং আদালতে মামলা লিষ্টের সিরিয়াল আগায় না। আগাতে হলে ১০ হাজার টাকা কমপক্ষে ঘুষ দাবী করেছে উকিলের সহকারী। বলে বেঞ্চ অফিসে টাকা না দিলে মামলা সিরিয়ালে আসবে না। এখন দেখছি সত্যিই তাই। টাকা দেইনি বলে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ইস্টার্ন হাউজিং পল্লবিতে তিন দশক পর রাস্তা করা হয়েছে যা রাজউকের প্লানের থেকে অনেক নিচু। এর একমাত্র কারন এখানে বসবাসরত উচ্চ পদস্থ রাজনৈতিক নেতার বাসাটা নিচু । এ কারনে এখানের ৭০-৮০ ভাগ বাড়ির মালিককে রাস্তা হয়ে যাবার পর গ্যারেজ পুনরায় নির্মাণ করতে হয়েছে। এবং অনেকে অনেক চেষ্টার পরও রাস্তার লেভেলে আনতে পারেননি। শুধু এটাই নয় উনি ন্যাক্কারজনক ভাবে হাউজিংএর প্রতিটা কাজে হস্তক্ষেপ করেন, এমনকি মালিক সমিতি নির্বাচনও আটকে রেখেছেন এবং নিজ পছন্দের লোক দিয়ে একটি কমিটি করে রেখেছেন। উনার অনুগামিদের চাদাবাজিতে মিরপুর সাড়ে এগার থেকে হাউজিং এর সমস্ত রোড এবং ফুটপাথ পরিনত হয়েছে গ্যারেজ, ভাঙ্গারির দোকান , কাচাবাজারে। ৬ লেনের রাস্তা ২ লেনে পরিনত হওয়ায় সরবক্ষিক জ্যাম লেগে থাকে।
যদি কোন না রোগীকে সেবা দিতে আসে তাহলে তাকে ২০০ টাকা দিতে হবে তা না হলে সে সেবা দিবে না
Court er pion r peskar Naogaon joudge court er kub besi tk khai....per mamla filing er Jonno peskar 100 tk nai and abar sign korar somoy pion Abar 200 tk nai...tacara sing nai na....ghurai manus... follow plz Naogaon joudge court
আমি যখন জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি জন্য মতিঝিল ইত্তেফাকের পাশে নির্বাচন অফিসে যাই, প্রথমত আমাকে বিভিন্ন হয়রানির মাধ্যমে সাত থেকে আট দিন ঘুরানো হয়। সর্বশেষ প্রক্রিয়ায় আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তোলা কাজ শেষ হলে, আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করা হয় কিন্তু পরবর্তী সময়ে স্টুডেন্ট হওয়ার কারণে ২০০ টাকা আমার থেকে নেয়। কিছুক্ষণ পর আমি সেই ব্যক্তির কাছে আবার গিয়ে বলি: আপনি যেটা করছেন সেটা হালাল নয় আল্লাহর কাছে এর জন্য জবাব দিতে হবে। আমি আপনাকে অন্য কোন সময় অন্যভাবে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব এরপর উনি আমাকে আমার টাকা ফেরত দেন।
নামজারি করাতে গেলে ২৫০০০ টাকা চায়।আমি ১০০০০ টাকা পয়ন্ত অফার করি কিন্তু সে করবে না।এই টাকা না দিলে সে করাইতে পারবে না।এটা কয়েটা নিউজ করলেও এখনো কেউ ভালো হয় নাই
চর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট নিয়গ,পদায়ন,বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।প্রতারণা করে টাকা আত্মসাত করে।
During year 2016 or 2017, for electrical lights & accessories supply more than 20 suppliers were enlisted. All the suppliers had to pay minimum 2.5 lac BDT for this.
আমির ভোটার হওয়ার সময় সকল কাগজ পএ আমার স্থানীয় ঠিকানায় দেয় বাট তারা তাদের ভুলে এটা অন্য এলাকায় লিপিবদ্ধ করে। এখন তাদের ভুলের জন্য আমার আবেদন করতে হচ্ছে আর ২০০০৳ চাচ্ছে ।
নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে।
২০১২ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সব নিয়ম নীতি মেনে আমার এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চা খাওয়ার টাকা চেয়েছিলো। তখন স্টুডেন্ট ছিলাম হাতে টাকা ছিলো না তাই অপারগতা প্রকাশ করি। তবুও তারা সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছিলো। কোন ধরনের হয়রানির শিকার হইনি।
সিভিল সার্জন থেকে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হলে ৬০০০ টাকা উৎকোচ দাবি করা হয় । পরিচিত কয়েকজন এভাবেই করিয়েছে। লিগাল ওয়েতে রিপোর্ট দিলেও হয়রানি ও কালক্ষেপণ এর স্বীকার হতে হয়। একজন কর্মচারী আছেন যার আচরণ খুবই বাজে। সে বাজে আচরনের মাধ্যমেই চেষ্টা করেন যেনো সেবা গ্রহীতা টাকাপয়সার মাধ্যমে সমাধান করেন।
আমি ময়মনসিংহ ডি সি অফিসে যাই জমির সি এস খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি তুলতে, গিয়ে জিজ্ঞেস করি, আসতে কতদিন সময় লাগবে? বলা হয় ২৫-৩০ দিন, আমি বলি আরো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না? বলা হয়, যাবে তবে টাকা লাগবে ২০০০, অথচ সরকারি খরচ হয় ১২০ টাকা। তখন আমি আর কাজটা করাই নি।
একটি জয়েন্ট স্টক রেজিস্টার্ড লিঃ কোম্পানিকে প্রতি বছর রিটার্ন দাখিল করতে হয় যা আমার জানা ছিল না । ২ বছর পর ২০২২ সালে আমি জানার পর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে আমাকে আরজেএসসি অফিস থেকে বলা হল ২ বছরের রিটার্ন দাখিল করতে ১৫,০০০ × ২=৩০,০০০/= লাগবে, তবে প্রথমে হাইকোর্ট থেকে পার্মিশন এনে দিতে হবে । হাইকোর্ট এর পার্মিশনের জন্য উকিল সাহেব ১৫০,০০০/= দাবি করেন যার মধ্যে ৫০,০০০/= বিচারকের পছন্দ মত প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে, সেটা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে পত্রিকার কপি সহ আবেদন করতে হবে । পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য দাবি করা হল অতিরিক্ত ৩০,০০০/= । সব কিছু প্রত্যাখ্যান করে চুপ করে বসে আছি বিগত ৬ বছর যাবত ।
টাংগাইল জেলা সখিপুর উপজেলাধীন নিম্ন ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিনে সাড়াসিয়া বাসারচালা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৯০০০০০ টাকার দূর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ জন অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করা হয়। প্রধান শিক্ষক হলেন ৬ নং কালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ বছরের দায়িত্ব পালনকারী সভাপতি। সহকারী প্রধান শিক্ষক ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সহকারী শিক্ষক হলেন,,সখিপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। ৫ম শ্রেণি পাশ করেনি এমন ব্যক্তিকে ভোয়া সনদ বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।এলাকা প্রতিবাদ করলে এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি।হামলা-মামলার হুমকি দেওয়া হয়। দ্রুত বিচারের দাবী জানাচ্ছি।