anonymous(চুর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট) বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।
চর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট নিয়গ,পদায়ন,বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।প্রতারণা করে টাকা আত্মসাত করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চর কুলাঘাট হাই স্কুলের শিক্ষক, কুলাঘাট,লালমনিরহাট নিয়গ,পদায়ন,বদলীর জন্য ঘুষ নেয়।প্রতারণা করে টাকা আত্মসাত করে।
সিভিল সার্জন থেকে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হলে ৬০০০ টাকা উৎকোচ দাবি করা হয় । পরিচিত কয়েকজন এভাবেই করিয়েছে। লিগাল ওয়েতে রিপোর্ট দিলেও হয়রানি ও কালক্ষেপণ এর স্বীকার হতে হয়। একজন কর্মচারী আছেন যার আচরণ খুবই বাজে। সে বাজে আচরনের মাধ্যমেই চেষ্টা করেন যেনো সেবা গ্রহীতা টাকাপয়সার মাধ্যমে সমাধান করেন।
নামজারি করাতে গেলে ২৫০০০ টাকা চায়।আমি ১০০০০ টাকা পয়ন্ত অফার করি কিন্তু সে করবে না।এই টাকা না দিলে সে করাইতে পারবে না।এটা কয়েটা নিউজ করলেও এখনো কেউ ভালো হয় নাই
যদি কোন না রোগীকে সেবা দিতে আসে তাহলে তাকে ২০০ টাকা দিতে হবে তা না হলে সে সেবা দিবে না
টাংগাইল জেলা সখিপুর উপজেলাধীন নিম্ন ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিনে সাড়াসিয়া বাসারচালা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৯০০০০০ টাকার দূর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ জন অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করা হয়। প্রধান শিক্ষক হলেন ৬ নং কালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ বছরের দায়িত্ব পালনকারী সভাপতি। সহকারী প্রধান শিক্ষক ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সহকারী শিক্ষক হলেন,,সখিপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। ৫ম শ্রেণি পাশ করেনি এমন ব্যক্তিকে ভোয়া সনদ বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।এলাকা প্রতিবাদ করলে এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি।হামলা-মামলার হুমকি দেওয়া হয়। দ্রুত বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
আমার কাছে সরাসরি ঘুস দাবি না করে, নবায়ন খরচ হিসেবে নানান উৎস এর কথা বলে অগ্রিম পনেরো হাজার টাকা নিয়ে যায়। এবং দুইদিন পর ট্রেডলাইসেন্স দিয়ে যাবে বলে প্রতিশুতি দেয়। পরবর্তীতে আমার ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করা হলে দেখতে পাই সেখানে তারা ৬০০০ টাকার সরকারি খরচ প্রদান করেছে। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে নানান ধরনের হুমকি দেয় এবং বি এন পির লোক দিয়ে ও আমার দোকান থেকে কিছু জিনিস লুট করে নিয়ে যায়। আবার হুমকি দিয়েছে দোকানে রাতে আগুন দিয়ে দিবে।
এলজিইডি (LGED) প্রকল্পের কাজ শেষ করার পর যখন বিল পাসের সময় আসে, তখন নিচের স্তরের কর্মচারী থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের বড় কর্মকর্তা—সবার ক্ষেত্রেই “চা খরচ” বা কমিশনের নামে যে অর্থ দাবি করা হয়, তা এই ব্যবস্থার এক কঠিন বাস্তবতা।
২০১২ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সব নিয়ম নীতি মেনে আমার এসএসসি সার্টিফিকেট তুলতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চা খাওয়ার টাকা চেয়েছিলো। তখন স্টুডেন্ট ছিলাম হাতে টাকা ছিলো না তাই অপারগতা প্রকাশ করি। তবুও তারা সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছিলো। কোন ধরনের হয়রানির শিকার হইনি।
During year 2016 or 2017, for electrical lights & accessories supply more than 20 suppliers were enlisted. All the suppliers had to pay minimum 2.5 lac BDT for this.
বেতন ভাতা বিল ও চাকুরী সংক্রান্ত কোন কাজের জন্য তাদেরকে প্রকাশ্যে ঘুষ দিয়ে হয়। সারা বাংলাদেশ FC, AFC office
একটি জয়েন্ট স্টক রেজিস্টার্ড লিঃ কোম্পানিকে প্রতি বছর রিটার্ন দাখিল করতে হয় যা আমার জানা ছিল না । ২ বছর পর ২০২২ সালে আমি জানার পর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে আমাকে আরজেএসসি অফিস থেকে বলা হল ২ বছরের রিটার্ন দাখিল করতে ১৫,০০০ × ২=৩০,০০০/= লাগবে, তবে প্রথমে হাইকোর্ট থেকে পার্মিশন এনে দিতে হবে । হাইকোর্ট এর পার্মিশনের জন্য উকিল সাহেব ১৫০,০০০/= দাবি করেন যার মধ্যে ৫০,০০০/= বিচারকের পছন্দ মত প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে, সেটা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে পত্রিকার কপি সহ আবেদন করতে হবে । পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য দাবি করা হল অতিরিক্ত ৩০,০০০/= । সব কিছু প্রত্যাখ্যান করে চুপ করে বসে আছি বিগত ৬ বছর যাবত ।
No Ghush no work my file pending till today without Ghush it will not gonna move at all.
২৩ আগস্ট ২০২৬ নতুন ব্যবসায়িক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের পেমেন্ট করি। কিন্তু QR কোডে পুরোনো লাইসেন্সই দেখাচ্ছিল। ব্যাংক থেকে বলল সিটি করপোরেশনে আপডেট করে নিতে হয়। আমার বাসা মিরপুরে কিন্তু উত্তরা অঞ্চলে লাইসেন্স করা। তাই প্রথমে অনলাইনে নিজেই ট্রাই করলাম কিন্তু হচ্ছিল না। তাই উত্তরা সিটি অফিসের পূর্ব পরিচিত একজন কর্মচারীকে জানালে তিনি বললেন, উত্তরা অফিসে গিয়ে করতে হবে; অনলাইন বা মিরপুর থেকে হবে না। আমার সময় না থাকায় তিনি করে দিতে চাইলেন, এজন্য ১,০০০ টাকা ঘুষ চাইলেন! পরে মিরপুর সিটি অফিসে গিয়ে জানতে পারলাম, অনলাইনে অ্যাকাউন্ট থাকলে নিজেই নবায়ন করা যায়। আমার অ্যাকাউন্ট থাকায় একজন আমার ফোনেই ২ মিনিটেই নবায়ন করে দিলেন - কোন টাকা ছাড়াই।
সার্কেলঃ ৪০২, কর অঞ্চলঃ ১৯। সহকারির নামঃ —। ফোনঃ — আমার মা একজন গৃহিণী। ২০২৪-২০২৫ এর রিটার্নটি সাবমিট করতে দেরি হওয়ায় রিটার্নের তথ্য যাচাইয়ের জন্য নোটিশের মাধ্যমে ডাকা হয় ৫ই মার্চ, ২০২৬ তারিখে। আমরা গিয়ে উপস্থিত হয়ে অতিরিক্ত কমিশনারের সহকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজগুলো জমা দেই এবং সে দেখে বলে, "ও আপনার ফাইল তো নরমালে পড়ে গেছে। এসেস করতে হবে। সমস্যা নাই আমি করে দিব। তবে এসেসমেন্টের কিছু খরচ আছে।" জিজ্ঞেস করলাম, "(আমি তৎক্ষণাতই বুঝে গেছি আসলে ঘুষ চাচ্ছে) কত খরচ?" সহকারিঃ আপনি তো আজকে কাগজ দিলেন। আমি আপনাকে জানাবো। আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে যান। এরপর আরও দুই দফা গিয়েছিলাম অফিসে। প্রত্যেকবার সে শুধু বলে খরচ আছে, খরচ আছে। খুশি হয়ে যা দেন। ৫০০ টাকা অফার করলে বলে এত কমে হবে না। এখনো ঘুরছি।
কক্সবাজার শহর অঞ্চল ঝিলংজা তে, বিডিএস (Bangladesh Digital Survey – BDS) জরিপ শুরু হয়েছে এক বছর আগে থেকে, বর্তমানে এখানে খতিয়ান তসদিক (খসড়া খতিয়ান ও নকশা যাচাই এবং সত্যতা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া) কাজ চলছে, তাদের অফিসে বর্তমানে খতিয়ান প্রতি (যদি জায়গা কম থাকে) তাহলে ৫ হাজার টাকা এবং যদি জায়গা বেশি থাকে তাহলে ১০ হাজার টাকার নির্ধারণ এর মাধ্যমে টাকা গ্রহন চলছে, আর যদি খতিয়ানে/জায়গায় কোন সমস্যা তাহলে সেটা খতিয়ান প্রতি ১ লক্ষ টাকা উপরে চলে যেতে পারে যেটা আপনার জায়গার সমস্যার উপর নির্ভর করে, এমনকি খাস জায়গার পর্যন্ত খতিয়ান তসদিক করে দেওয়া হচ্ছে, আমার ১০ টা খতিয়ানে জন্য ১ লক্ষ টাকা এবং একটা খতিয়ানে কিছু অন্য দাগের জায়গা ৩ শতকের মত বেশি এসেছে সেটার জন্য ১ লক্ষ টাকার সহ মোট ২ লক্ষ টাকা দাবি তাদের।
মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে টাকা জমা করেছি প্রায় ৩ মাস। মাঝে একবার গেলে বলে আসবে আসবে। অফিসের বাইরের একজন বললো মামা বা টাকা ছাড়া কাজ হয় না। ফাস্ট এবং গ্যারান্টেড কাজের জন্য এগুলার বিকল্প নাই।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় বেশি মার্কস দেওয়ার বিনিময়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী হতে প্রতিজন ৫০-১০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সবার মনে আশঙ্কা যে টাকা না দিলে নাম্বার কমিয়ে দিতে পারে।
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে ঘোষ ছাড়া পাসপোর্ট এর ফরম জমা নেয় না
সিঙ্গার দেওয়া ফরই প্রত্যেকটা মানুষ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে।
ক্রেন ও উত্তোলক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য যোগ্যব্যক্তি ঘোষনা করে কলকারখানা দপ্তরের প্রধান কার্যালয়। একজন কর্মকর্তার কাছে গেলে উনি আরেকজনের সাথে কথা বলার জন্য পরামর্শ দেন। আমার বিস্তারিত শুনে ওই অফিসার বলে আগে এগুলো করতে দশ লক্ষ টাকা লাগতো, এখন পাচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা লাগে। আমি সরকারি ফি কত জিজ্ঞাসা করতে উনি জানালো এখানে অনেক টেবিলে টাকা দিতে হয়। বড় বড় স্যারদের টাকা দিতে হয় এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যন্ত সবাই এই টাকার ভাগ পাবে। পরে আমি কিছু না বলে চলে আসি।