বাসা registration
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
My mother payed money to গৃহায়ন অধিদপ্তর from 1984 to 2009 as monthly instalment and had all the documents with her . Still the treasury office at sadarghat , Dhaka claimed 150000 taka for clearance letter to me.
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
যেকোনো চাকরিজীবীর হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে টাকা লাগে
ফেনী বিআরটিএ অফিসে দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ ফেনী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজে আবেদন করে নিয়ম অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অন্যদিকে, দালালের মাধ্যমে কাজ করালে সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এর জন্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী বিআরটিএ অফিসের আশপাশে দালালদের নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
জন্মসনদের আর বোটার আইডির জন্মসাল পরিবর্তন করতে গেছি সালায় আমারে বলে যে চা খাওয়ার পয়সা দিলে ভালো হইতো বাতিজা, নজরে থাকতো আমি জিগাস করলাম যে কত দিমু 🙄 কয় দাও ২ হাজার হইলেই হইবো যাতে তুমি পাসপোর্ট বানাইবা জলদি কইরা দিমু😂
জমির খাজনা দেয়ার জন্যে অনলাইন এ আবেদন করেছি সব ধরনের ডকুমেন্টস দিয়ে। এইটা নাকি সরাসরি অফিসে গিয়ে প্রথমবার aprove করতে হয়। খাজনা এসেছিল ৩৫৪ টাকা। আর তাকে নাকি খুশি হয়ে ২০০ টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে। অনেক কষ্ট করে অনলাইন আপ্লিকেশন আপ্রুভ করতে হয়েছে নাকি তাকে। মানুষ নাকি তাকে খুশি হয়ে বকসিস দেয়🫡। তার চেহারা তো ভয়ংকর, খুশি হয় কিভাবে বুঝি না ভয় পাবার বদলে🥴। কাছে টাকা নাই বলে চলে এসেছিলাম।
না দেওয়াতে আমার হাওর ভাতা পোস্টিং দেয়নি TFPA
নামজারি, মৌখিকভাবে দাবি করা হয়েছিল
জমি রেজিস্ট্রির করতে ১% অলিখিত ভাবে দিতে সাবরেজিস্টার কে এবং যে হাতের আঙুলের ছাপ নিবে তাকে ২০০-৫০০ টাকা পূযন্ত কারন টাকা না দিলে দেরী করে এবং পিছনে পিছনে আসে..এটা অলিখিত ঘুষ সবাই অবস্হ
আমি আমার নামজারী করতে ভূমি অফিস নারায়নগঞ্জ(সিদ্দিরগঞ্জ AC LAND OFFICE দুই বার Apply করি। ঘুষ না দেয়ায় দুই বার ই রিজেক্ট হয়।
আমি নারায়নগঞ্জ জেলা প্রশাসক অফিসে, অফিস সহকারী হিসেবে রিটেন পরিক্ষা দেই এবং পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হই। তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। কিন্তূ ১৩,০০,০০০ টাকার বিনিময়ে অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়ে দেন।
এ এস ও অফিসার তদন্ত প্রতিবেদন আমার পক্ষে দেবার জন্য টাকা দাবি করে। কিন্তু আমার কাগজপত্র সব সঠিক। টাকা না দেবার কারনে আমার বিপক্ষে রিপোর্ট দেয় । আমি চূড়ান্ত শুনানি তে হেরে যায়। রেকর্ড আর আমার নামে হলো না। অবৈধ মালিকের নামে রেকর্ড হলো
জন্ম নিস্বন অনলাইন করতে।
অভিযোগের বিষয়: বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষে দালালদের মাধ্যমে ফাইল অনুমোদন ও সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ মিরপুর-১৩ বিআরটিএ কার্যালয়ের ৩১৪ নম্বর কক্ষকে কেন্দ্র করে একটি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু দালালের ফাইলে একটি বিশেষ ধরনের চিহ্ন/সংকেত ব্যবহার করা হয়। ওই চিহ্নযুক্ত ফাইল দেখলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই দ্রুত ফাইলটি অনুমোদন করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে এসব দালালের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অর্থ নেওয়া হয়। অন্যদিকে, যেসব ফাইলে ওই বিশেষ চিহ্ন থাকে না এবং যারা কোনো দালালের সহযোগিতা না নিয়ে নিজেরাই নিয়ম মেনে কাজ করতে চান, তাদের বিভিন্ন ছোটখাটো অজুহাত দেখিয়ে বারবার ফেরত পাঠানো হ
নামজারি আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সকল কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছি। অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর দেখি মনজুর হয়নি। পরে টাকা পয়সা দেওয়ার কথা ইঙ্গিত দিয়ে বুঝিয়েছে। পরে কয়েকজনের সাথে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম যেগুলো টাকা দেয় তাড়াতাড়ি হয় যেগুলো টাকা দেয় না অনেক দেরি হয় অথবা একসময় না মঞ্জুর হয়ে যায়। উপজেলা ভূমি অফিসের অবস্থা ও এরকমই ফাইলের সাথেএকটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিলে ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই ছাড়া দ্রুত হয়ে যায়। আর ফাইলের সাথে কোন টাকা পয়সা না দিলে সেটা হতে অনেক সময় লাগে অথবা একসময় নামঞ্জুর হয়ে যায়।
আমি নিবন্ধন করতে চাইছি, আইনজীবী বলেছেন এতে ১০,০০০ টাকা খরচ হবে এবং বিষয়টি কর্মকর্তাকে সামলাতে হবে। আমি অপেক্ষা করছি, এখন আমার কী করা উচিত?
ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম সংশোধন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা চেয়েছে পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি
আমার বাবার নামে, নামকজারি করবো জায়গা, এতে করে ওসখালী ভূমি অফিস থেকে ১২০০০ টাকা চাওয়া হয়, বললাম কিসের টাকা এইটা, ওনারা বলে সরকারি ফিস, সাথে আমরা যে যাবো সেই খরচ
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার