পাওয়ার অফ এটর্নি দলিল রেজিস্ট্রেশন
বললো জায়গার পরিমাণ বেশি(১৫ বিঘা) আর আপনি আমার পরিচিত তাই বেশি না মাত্র ১,০০,০০০ টাকা দিয়েন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বললো জায়গার পরিমাণ বেশি(১৫ বিঘা) আর আপনি আমার পরিচিত তাই বেশি না মাত্র ১,০০,০০০ টাকা দিয়েন
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
Due to Digitized process , Uttara - Uttar Khan mouja changed to Poshchim Khan mouja. This is BD GOV has been done for system updated purposes. End of the day sufferer general people - who not able to complete mutation in early stages. Huge harassment they did with me. 3 time online process rejected without any couse.
নামজারি টাকা চাইছিল ৪০০০
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করা সেখানে আমার বাবার নাম তার নিজের আইডির অনুসারী দেওয়ার কারণে তার জন্য আমাকে বারোশো টাকা ঘুষ পরিশোধ করতে হয়েছিল।
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
চাকরি স্থায়ী করণ করতে অফিস আদেশ দেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, এর জন্যে কেরানি প্রতিজনের জন্যে ১০০০ টাকা দাবি করে।
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
আমি একটি এনজিও ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, আমার প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চাকুরীচুত ৩ জন সাবেক কর্মকর্তা দখল করে নেয়। এমতাবস্থায় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে মিথ্যা একটি মামলায় জরিয়ে দেয়।এবং প্রতিষ্ঠানটি দখল করতে সহযোগিতা করে।
NID কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে 20000/- লাগবে বলে জানিয়েছে।
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই
আমার আম্মুর বিধবা ভাতা এর জন্য আবেদন করেছিলাম। এলাকার চৌকিদার আর বিএনপি নেতা এসেছিল যাচাইয়ে। ওনারা আমাদের চিনেন, তবুও ১৫০০ টাকা দাবি করেছে।
জমি বিক্রি করেছিলাম ১০০০০ টাকা চেয়েছিল 5000 টাকা দিয়েছি উনি বলেছে দলিলে দাগ এবু নাল এই ধরনের সমস্যা আছে টাকা নেওয়ার পর সরকারি কোন ধরনের রিসিট দেওয়া হয়নি
আমি সকল দপ্তরের ঘুষের খবর জানি এমন কোনো দপ্তর নাই যে ঘুষ না খায় কে কত খায় বিস্তারিত দিব পরবর্তী আপডেটে আমার কোড নাম —
আমি সিলেটের বাহিরে কোন একটি শহর থেকে একটি নতুন বাইক ক্রয় করি। চাকুরীর সুবাদে সিলেট থাকা হয়। তাই সিলেট থেকে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ফাইল জমা দিতে গেলে নয় ছয় কথা বলে ৩ দিন ঘুরিয়েছে। তারপর দালালের মাধ্যমে ৫০০০ টাকা ঘুস চাচ্ছে ফাইল জমা নেওয়ার জন্য।
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।