প্লান পাশ
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ দাবি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ দাবি
নামজারি টাকা চাইছিল ৪০০০
Due to Digitized process , Uttara - Uttar Khan mouja changed to Poshchim Khan mouja. This is BD GOV has been done for system updated purposes. End of the day sufferer general people - who not able to complete mutation in early stages. Huge harassment they did with me. 3 time online process rejected without any couse.
চাকরি স্থায়ী করণ করতে অফিস আদেশ দেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, এর জন্যে কেরানি প্রতিজনের জন্যে ১০০০ টাকা দাবি করে।
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।
২০২৫ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা চার ধাপে (এমসিকিউ, লিখিত, ব্যবহারিক ও ভাইভা) অনুষ্ঠিত হয়। ৪র্থ ধাপে দুইদিন ভাইভা হয় ৩৮ জনের ১৫ পদের বিপরীতে, প্রথম দিন আমার ভাইভা হয় এবং সেটি খুব ভালো হয়েছিল। ২য় দিন ভাইভা চলাকালীন ওখানকার এক স্টাফ ফোন দিয়ে চাকুরি নিশ্চিত করতে ৭ লাখ টাকার প্রস্তাব দেয়। এবং আমি তা প্রত্যাখ্যান করি, ওই রাতেই চূড়ান্ত রেজাল্ট দেয় আর আমি বাদ পরে যাই।
আমি নামজারি করতে গিয়ে ছিলাম তখন তহসিলদার নামজারির প্রস্তাব করানোর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করে
NID কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে 20000/- লাগবে বলে জানিয়েছে।
আমি একটি এনজিও ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, আমার প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চাকুরীচুত ৩ জন সাবেক কর্মকর্তা দখল করে নেয়। এমতাবস্থায় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে মিথ্যা একটি মামলায় জরিয়ে দেয়।এবং প্রতিষ্ঠানটি দখল করতে সহযোগিতা করে।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ আদায়
আমার আম্মুর বিধবা ভাতা এর জন্য আবেদন করেছিলাম। এলাকার চৌকিদার আর বিএনপি নেতা এসেছিল যাচাইয়ে। ওনারা আমাদের চিনেন, তবুও ১৫০০ টাকা দাবি করেছে।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
ঢাকা এজি অফিসে জিপিএফ থেকে অগ্রীম উত্তোলনের জন্য ৫০০০ টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় চেক পাস করেনি।
ভোলা হিসাব রক্ষণ অফিসের — (অডিটর) । তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ভোলা সদর উপজেলার সকলের বেতন, বোনাস, অবসর ভাতার কাজ করেন। প্রতিটি কাজে তাকে টাকা দিতে হয়। অবসর প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকেন, যা আমি নিজ চোখে দেখেছি। প্রবীণ শিক্ষক গণ ভয়ে তার দাবি কৃত টাকা দিয়ে দেয়। সে খুব কৌশলে কাজ করে। কাজ সমাপ্ত হলে আড়ালে গিয়ে টাকা নেয়। আমার কাছে দাবি কৃত টাকা প্রত্যাখ্যান করলেও অন্য অন্য কাজে ৫০০ করে দিতে হয়েছে।
Sob thik thaka sorteo ami oder nirdisto loker kache abedon korini ei jonno
বললো জায়গার পরিমাণ বেশি(১৫ বিঘা) আর আপনি আমার পরিচিত তাই বেশি না মাত্র ১,০০,০০০ টাকা দিয়েন
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করা সেখানে আমার বাবার নাম তার নিজের আইডির অনুসারী দেওয়ার কারণে তার জন্য আমাকে বারোশো টাকা ঘুষ পরিশোধ করতে হয়েছিল।
Nid কার্ডে নামের বানান ভুল ছিলো। এভিডেভিড কপি দিয়েছি তারপরেও সাব রেজিস্ট্রার সাহেব মানিবেন না। তার পাইটু দিয়া টাকা চাওয়ায়। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। নিয়ম মেনে সব কাগজ দেবার পর ক্যানো রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। সে স্পতাহে হয়নি পরের সপ্তাহে লোকাল সাংবাদিকদের দিয়ে চাপ দিয়ে করে দিয়েছিলেন।
আমার বাবার নাম সংশোধনের আবেদন করি। নাম সংশোধন ও মিউটেশন সহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করেন যার কোন প্রমাণাদি নাই।
জমি বিক্রি করেছিলাম ১০০০০ টাকা চেয়েছিল 5000 টাকা দিয়েছি উনি বলেছে দলিলে দাগ এবু নাল এই ধরনের সমস্যা আছে টাকা নেওয়ার পর সরকারি কোন ধরনের রিসিট দেওয়া হয়নি