ইন্সট্রাকশন
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির জন্য উপজেলা পর্যায়ে যে কমিটি হয়েছে, সেই কমিটির সভাপতি ২ লক্ষ টাকার কমে কোন বদলির অনুমোদন করেন না।
He was SB staff to varify my information and asked taka through bkash. I referred higher official name than he argue many things and delayed my application
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
ডিলার হিসেবে নিয়োগ করার জন্য ঘুষ দাবি করেছে
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস এই সিটে কর্পোরেশন অফিস। এখানে মানুষ ট্যাক্স প্রদান করতে গিয়েও দুর্নীতির শিকার হয়। মানুষ হোল্ডিং আলাদা করে ট্যাগ দিবে তাতেও তারা বিভিন্ন কাগজ পাতির ভুল ধরে মানুষকে ঘুষ প্রদানের বাধ্য করে। আমি নিজে একাধিকবার এসব বিষয় নিয়ে ঝামেলায় পড়েছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ের উপর সরাসরি মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৩৭০/২৪ এর আদেশ থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে মব সৃষ্টি করে মসজিদ দখল করে দানের টাকা লুটপাট করে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবানের জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করছেনা। এই বিষয়ে আপনাদের সহায়তা একান্ত কাম্য।
আমি একটি পন্যের লাইসেন্স নয়ায়ন কালে, টেস্ট রিপোর্ট পাস করাতে ৩০০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিলো
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট স্ক্যান ও এমআরআই করাতে গেলে দীর্ঘ লাইনে ১০-১২ ঘণ্টাও বসে থাকা লাগে। সকালে ৯ টায় কাগজ জমা দিশে রাত ১০ টায় কাজ সম্পন্ন হয়। সেটাতো সমস্যাই কিন্তু অভিযোগ হলো অনেক লোক ১০ মিনিটে এসে আনসারের হাতে ১০০-২০০ টাকা গুজে দিয়ে স্ক্যান/এমআরআই করে বের হয়ে যায় কিন্তু সকাল থেকে বসে থেকেও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। কোন রোগী সিরিয়াস কন্ডিশন হলে সেটা মেনে নেওয়া যায় বা তাকে সুযোগ দেওয়া যায় তবে এটা গণহারে যে টাকা দিতে পারে তার কাজই আগে শেষ করে দেয়।
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
আমার কাছে সরাসরি টাকা চাওয়া হয়
লম্বা সিরিয়ালে দাড়াতে হয় , একবার জমা - একবার যাচাই - তারপর বায়োমেট্রিক ............ ২০০০ টাকা দিলে কোনো সিরিয়াল লাগবে না। না দিলে অধিকাংশই প্রত্যাখ্যাত............... উত্তরার বাসিন্দা হওয়ায় আর স্টুডেন্ট হওয়ায় দুইবার হয়রানি করতে চেয়েও পারেনি তবে আশে পাশের সবাই (৭০% আবেদনকারী) হয়রানির শিকার হয়েছে। সামান্য কিছু কারণ দেখিয়ে হয়রানি করা হয়, যাতে দালালের মাধ্যমে কাজ করানো যায়। রেট পার পার্সন ২০০০ টাকা, এর বেশি কেও দেবেন না, দালাল ছাড়া যেহেতু কাজ হয়ই না সেহেতু ১০০০ বা ১৫০০ তে দামাদামি করাই ভালো ।
জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার বন্ধ এটি উপরের লোক দিয়ে করাতে হবে। ইউনিয়ন নাগরিক সেবা কর্মী।
জমির খাজনার কাগজ দিচ্ছিলো না কৌশলে বুঝাচ্ছিলো যে ঘুষ লাগবে এটার সাথে ইওওনও সরাসরি যুক্ত
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
জমি সংক্রান্ত টাকা চাচ্ছিলো আমরা দেইনি
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
জমি নামজারি করতে গেছিলাম 15000 টাকা নিছে
তেজগাঁও BRTC ট্রেনিং ইনস্টিটিউট য়ে SICIP এর চার মাস মেয়াদে মোটরযান ড্রাইভিং ও মেইনটেনেন্স প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার সময় যে ব্যবহারিক পরীক্ষাটা নেওয়া হয় সেটা একটি নামমাত্র পরীক্ষা। এখানে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়ার সাথে বিআরটিসি এবং বিআরটিএ উভয়েই জড়িত।