নামজারি
নিজে নিজে জমির নামজারি করতে গেলে অনেক ভুল দেখিয়ে দেয় এবং একই জমির নামজারি দালাল দিয়ে করলে হয়ে যায় কেমন করে। দালাল আমার কাছ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা চেয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিজে নিজে জমির নামজারি করতে গেলে অনেক ভুল দেখিয়ে দেয় এবং একই জমির নামজারি দালাল দিয়ে করলে হয়ে যায় কেমন করে। দালাল আমার কাছ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা চেয়েছে।
একটা শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদের জন্য এসি ল্যান্ড এর মতামতের জন্য উপ পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর চিঠি দেন। প্রথমে চিঠি খুঁজে পাওয়া যায় নাই। পরবর্তীতে অনেক দৌড় ঝাঁপ করে চিঠি পাওয়া গেল। বাহাদুর এসি(মহিলা) র সাথে কথা বললাম।উনি সহকারীর কাছে চিঠি পাঠানোর জন্য বললেন। উনাকে একটা টেক্সট মেসেজ করে রাখতে বললেন। উনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মতামত চেয়ে চিঠি ফরোয়ার্ড করলেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সার্ভে করে অনুকূলে প্রতিবেদন দিলো। এসি ল্যান্ড রাজস্ব অফিসে একবার এসি, একবার কানূনগুহ একবার সহকারীর কাছে ধর্না দেয়া শুরু হলো। একপর্যায়ে এসি কানুনগো কে আলোচনা করতে বললেন। আলোচনা আর শেষ হয় না, কানুনগো বললেন তিনি সরেজমিনে যাবেন। সিএনজি যোগে আসলেন, রাস্তা দিয়ে হাঁটলেন। এরপর বললেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের রিপো
জমি ক্রয় বিক্রয় করার ক্ষেত্রে কর দিতে হয়। তাই কর দিতে গেলে ওয়েবসাইট এ পেমেন্ট অপশন আছে। কিন্তু এই অপশন বন্ধ করে রেখেছে সংশ্লিষ্ট যারা আছে। অন্য জেলায় জমি থাকায় সেই জমির করে দিতে গেলে পেমেন্ট অপশন আসে ।। কিন্তু ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার কাউন্ডিয়া ইউনিয়নের জমির কর দেয়া যায়না । কারণ কাউন্দিয়া ব্রিজ কাজ চলমান থাকায় এখানকার জমির দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে এবং কেনা বেচা বেড়েছে। যেহেতু জমির মালিক জমি বিক্রি করবে সেহেতু কর দিতে হবে। এখন কর না দিতে পেরে আপনি ভূমি অফিসে গেলে টাকা ঘুষ দিলে আপনার জমির কর এর পেমেন্ট অপশন ওয়েবসাইটে চলে আসে। ফলে আপনি এবার ওয়েবসাইট থেকে কর পেমেন্ট করলে জমি বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিদিন এর অনেক জমির ভূমি উন্নয়ন করের পেমেন্ট অপশন অন করে অনেক টাকা ঘুষ নিচ্ছে ।
আমি গত দুইদিন আগে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে এলার্জির সমস্যার কারনে টিকিট নিয়ে সিরিয়ালে ২ ঘন্টা দাঁড়িয়ে চিকিৎসার জন্য ডাক্তার কক্ষে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি ডাক্তার সাব একপাশে চেয়ারে শোয়ে আছেন আর উনার ইন্টার্নিরা আমার মতো চিকিৎসা সেবা গ্রহনকারীদের ১/২ মিনিট করে দায় সারা চিকিৎসা দিচ্ছেন। এখন আমার প্রশ্ন হলো একজন ডাক্তার উনার সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে টাইমপাস করে প্রাইভেট চেম্বার করতে চলে যাওয়া কি দুর্নীতি বা ঘুষের চেয়ে কম।
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে হালিমপুর ইউনিয়ন ব্যাংক এশিয়ার উদ্দোক্তা — আমি সহ একাধিক মানুষের কাছ থেকে ৬ হাজার, ৭ হাজার টাকা করে দাবি করেন, অনেকই টাকা দিয়েছে যারা না দেয় তাদের কার্ড হয়না। টিসিবির কার্ডের ক্ষেত্রে সেইম সমস্যা যাদের আগের কার্ডের সমস্যা হয়েছে নাম্বার বা অন্য কিছু এগুলো ঠিক করার জন্য প্রায় অনেক মানুষের কাছ থেকে ৩শ + করে টাকা নিয়ে কাজ করেনি এমন উদাহারন অনেক আছে। এছাড়া এই ব্যাংকের উদ্দোক্তা পরিষদের সকল কাজ করে থাকেন সেখানে প্রচুর পরিমান অনিয়ম হয়, আপনার চাইলে হালিমপুর ৫০০ মানুষের কাছে জরিপ করে তথ্য নিতে পারেন ৩+ লোক অভিযোগ করবে আমি নিশ্চিত যদি তাদের সেপ্টি দেওয়া হয়
এসএফসি আর্মি ঢাকা সেনানিবাস অফিসে অধিকাল বিল পাশনকরানো শতকরা হিসেবে ১০% টাকা এবং টিএডিএ বিল থেকে শতকরা ২৫% দাবি করে। কয়েকজনের অধিকাল বিল একসাথে যদি এক লক্ষ টাকা হয় তাহলে অডিটরকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ না দিলে পাশ করে দেয়না এমনকি বাজে ব্যবহার করে। এমনকি মোট হিসেব করে ঘুষের টাকা থেকে দু চার শো টাকা কম দিলে তাদের নাকি লস হয়ে যায়..এ বাবে জিম্মি করে যখন টাকা আদায় করে তখন তাদের গালাগলি কিংবা মারতে ইচ্ছে করে কিন্তুু সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী সরকারী কর্মচারির গায়ে হাত তোলা অপরাধ তাই কিছু করতে পারিনা। এই এসএফসি অফিসটায় ঘুষের রমরমা বিজনেস চলে ঠিকাদার থেকেও জিম্মি করে টাকা নেয়..একটা বিল ডেসপাচ করতে ২০০-৫০০ টাকা পযন্ত নেয়।বিল পাশ হলে চেক নিতেও এসএফসি আর্ম অফিসে যাহা সেনানিবাসের লগ এরিয়া অফিসের ভিতরে অবস্থিত
বাংলাদেশ কর অধিতপ্তরের ভিতরের দুর্নীতি আকাশ ছোয়া। ১২ লাখ টাকার কর মাত্র দুই থেকে তিন লাখ টাকায় মওকুফ করা হয়। এমনকি ভিতরের কর্মচারীরা কিভাবে কর প্রদানকারীর বর্তমান সম্পত্তি উধাও করে তার কর ফাঁকি দেওয়ার ব্যাবস্থা করে। এতে কর অফিসের সবার টাকার পাহার হয় তবে সরকারের টাকা থাকেনা।
আমি যথারিতি আমার পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য যাই,আমি সমস্ত কাগজ সাবমিট করার পর সরকারি চার্জ অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে গেলে ওখানকার একজন বলে এ টাকায় হবেনা,আপনাকে মোট ১৫০০০ টাকা দিতে হবে,,কিসের জানতে চাইলে ঝামেলা করে,,অতপর আমি না বলে চলে আসি।
প্রতি মাসে দোকানের সিটি কর্পোরেশনের ভাড়া বাবদ জমা দিতে যাই সে ক্ষেত্রে সে চা খরচ দাবি করে প্রতি মাসেই এবং যে ৯১৬ টাকা জমা নেওয়ার কথা সে ক্ষেত্রে দেখা যায় সে উত্তর এসব থেকে বেশি টাকা রাখে প্রায় ১০০ টাকা ৫০ টাকা ৩০ টাকা
এটা আমদানি ডকুমেন্টস শুল্কায়নের সময় এআরও এবং আরও কে দেওয়া নূন্যতম পরিমান
দক্ষিন আইচা কলেজ চরফ্যাশন, ভোলা অধ্যক্ষ মহোদয় ব্যাপক অনিয়ম করে থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক কলেজে না এসে বিল তুলে নেয়,কলেজে অধ্যক্ষকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে।
আমি ঠাকুরগাঁও জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে তারিখ দিয়ে দলিল খুঁজতে যায় । আমার কাছে তারিখ প্রতি ১ হাজার টাকা চায়। আমি ১৯৭০ সালের দলিল খুঁজতে যায়। একটা নকল দোয়ানি নিচ্ছে ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকা।। আমি চাই ঠাকুরগাঁও দুদক সাধারণ মানুষ হিসেবে অফিসে গিয়ে খবর যেন নেয়।
দিল পাস করতে গেলে পার্সেন্টেজ। পেনশনে ১৫ থেকে ২০ হাজার। সকল কাজে এক থেকে দুই হাজার টাকা
আমার একটা মামলা রায় হয়েছে, কুমিল্লা চান্দিনা এসিস্ট্যান্ট অফিসের মধ্যে আছে, কিন্তু ঘুষ ছাড়া কাজ করবে না।2025সালের অফিসের মধ্যে গেলে ফাইল খুজে পায়না। মামলা নাম্বার 1999/16
ভুমি যে কোন সেবা গ্রহণে জন্য রংপুর মাহিগঞ্জ ভুমি অফিসে ঘুস ছাড়া কাজ হয় না। বিশেষ করে ইনামজারীর, এবং জমির বিভিন্ন সমস্য সমাধানে কর্মকতা কর্মচারী মোবাইলে যোগাযোগ করে সেবা গ্রহন কারিকে সেটিং দেয়। যাহা আইনত অপরাধ মনে করি।
চট্টগ্রাম গ্রাম আয়কর অঞ্চল ৪ — তার অফিসে বাহিরে বিকাল ৬ টা থেকে জিসির মোর কুসুমবাগ অফিস করে দুই কোটি টাকা একটা ফাইল ৮০ লাখে করে দিবে তাকে বিশ হাজার দিতে। করার কিছু নাই না আমার কাজ আটকে থাকবে
আমি আমার ক্রয় কৃত জমির নামজারী আবেদন অনলাইন সহ যাবতীয় কাগজ কমপ্লিট করার পড় নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য ফাইল জমা দেয় ফাইল টা চেক করে উনি শুধু এপ্রোভ করবেন তার জন্য উনার সহকারী ৩০০০টাকা নাস্তা খরচ চাই
এখানে একজন কর্মচারী আছে, নাম —, উনার বাবাও ডিসি অফিসে কাজ করতেন, উনার ভাইও ফতুল্লা ভুমি অফিসে কাজ করেন। এরা সবাই নামজারি বা যেকোন ভুমি সংক্রান্ত কাজে ঘুষ দাবি করেন, অথবা আপনার কাজ আটকে থাকবে। এরা এলাকায় একাধিক বাড়ি, জমি কিনেছেন, যার মুল্য সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা। অথচ এদের বেতন দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হওয়ার কথা। এই লোক আবার নিট কর্ন্সার্ন নামক গার্মেন্টস এর জমি সংক্রান্ত কাজ করে, কারো জায়গা জোর করে দখল করতে হলে এরা সাহায্য করে।
আমার মার পাসপোর্ট করার সময় তার বাবা অর্থাৎ আমার নানা মৃত হওয়া স্বত্তেও, এপ্লাইয়ের সময় আমি তার পেশা (পূর্বের পেশা মনে করছিলাম) দিছিলাম। আর আমি টাকাটা বিকাশের মাধ্যমে দিছিলাম। তাই এটা ক্যানসেল করলে আমার টাকাটা নষ্ট হতো। এমতাবস্থায় দালালচক্র ৪০০০ টাকা দাবি করছিল। তা শেষে আমি সেটা না দিয়ে যথাযথ কতৃপক্ষকে সমস্যা জানালে তারা বিষয়টি টাকা না নিয়ে সমাধান করে দিছিল। এটা ২০২৫ সালের ঘটনা।
আমি করোনা ভ্যাকসিন কার্ড নিবন্ধন করতে চেয়েছিল, আমি কলেজের মাধ্যমে ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম যার জন্য পরবর্তীতে এটি অনলাইন নিবন্ধন করার প্রয়োজন ছিল আমি আমার প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট দেয়,উনি ৫০০ টাকা প্রবর্তন যে আমি টাকাটি না দেওয়ার কারণে আমার কাজটি হয় নাই,ব্যবহারও অনেক বাজে ছিল।