কলকারখানা লাইসেন্স নবায়ন
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কলকারখানা লাইসেন্স নবায়নের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শকের কার্যালয়, দিনাজপুর অফিসে দশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য সহকারী পরিদর্শক এর কার্যালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, দিনাজপুর অফিসে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন এর জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে পনের হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
জমি রেজিষ্ট্রির জন্য ঘুস চাওয়া হয়।
আমার জরুরি ভিত্তিতে একটি দলিল এর নকল উত্তোলন করা প্রয়োজন ছিল। তাই নকল এর জন্য গেলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে। পরে শেষ ২৫০০ টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে বিগত ১৪ মে, ২০২৬ আমি সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানকার কর্তব্যরত আনসার আমার থেকে ৫০০/- টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে, ৫০০/- না দিলে ফাইল ঠিক টাইমে প্রসেসিং হবে না। যথাযথ সময়ের থেকে দেরী হবে। পরবর্তীতে আমি আমার পরিচিত এক ভাই যিনি পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তার থেকে নিশ্চিত হই যে, ঐ আনসার সদস্য ঘুষ দাবি করেছে এবং টাকার সাথে ফাইল প্রসেসিং এর কোনো সম্পর্ক নেই।
সরকারি নথিতে বরাদকৃত জমির পরিমান ভুল আসে, যা সংশোধনের জন্য একটি চিঠি প্রয়োজন। এক পাতার একটি চিঠির জন্য ১০০০০ টাকা দাবী করে।
প্রত্যয়ন পত্রের জন্য তাকে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা এবনং জন্মনিবন্ধন বানানোর জন্য যার থেকে যেমন পারে নিচ্ছে যেমন ২ হাজার থেকে ৩ পর্যন্ত
আমাদের একটা মামলার রায় হইছে। কিন্তু মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে উকিল আমাদের থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে কিন্তু লিগাল ভাবে নিতে গেলে এর জন্য ম্যাক্সিমাম খরচ হবে ২ হাজার টাকা।
Trade license er renewal jonno Dutch Bangla Banke Taka joma diye DNCC Uttara 6 office print copy ante giyesilam. Oi sectioner — amar kase print copy pete 200tk cheyesilo r bolesilo na dile Post Office copy-er jonno oppekha koren… ami na diye chole asi
১০০০ টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে
আমি আমার NID কার্ড করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে কাজগ অফিসে জমা দিতে যাই যাওয়ার পর নির্রবাচন অফিসের চোকজন বলে আরো কাগজ লাগবে যে কাগজ গুলোর কথা বলে ওগুলো নিয়ে আসার পর জানায় এগুলো সপ্তায়িত করা লাগবে তারপর তাই করলে বলে জমা দিয়ে চলে যেতে। তারপর ২ মাস পর যাইতে বলে গেলেে বলে আরো ২ মাস পর আসতে তারপরও গেলে বলে তোমার কাগজ দেখা লাগবে তখন বলে আমার কাগজ নাকি জমা দেওয়া নাই। ভালো করে খুজে দেখে কাগজ ডয়ারে এমনি পরে আছে ওরা আমাকে তারপর বলে কাগজ রেজিস্ট্রার করে জমা দাও মাই কেনো।তারপর রেজিস্ট্রার করে রেখে দেয় বলে পরের মাসে আসতে। তারপরের মাসে গেলে বলে আজকে সার্ভার বন্ধ কালকে আসিও পরের গিয়ে দেখি আমার এলাকার আরো কয়েজন ছবি তুলার জন্য আসছে ওদের বলল্লে ওরা বলে আমরা ৩০০ করে টাকা একজনকে দিছি সেই সব কাজ করে দিছে।
উক্ত রেজিস্ট্রি অফিসে সাব রেজিস্টার সাহেব প্রতিদিনই মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাড়ি যান বলে শোনা যায় তবে এর চাক্ষুষ প্রমাণ হিসেবে দেখলাম উক্ত সাব রেজিস্টার নিবন্ধনকৃত দলিল লেখকের মাধ্যমে 30 হাজার টাকা সে শুধু পার্সোনালি গ্রহণ করে এবং সাব রেজিস্ট্রি অফিস কর্মকর্তা কর্মচারীগণ প্রত্যেকটা দলিলে দলিল মূল্যের 0.5% করে ঘুষ গ্রহণ করে থাকে। উল্লেখ্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উক্ত টাকা কোন জমির ক্রেতার কাছ থেকে সরাসরি গ্রহণ করেন না মাধ্যম হিসেবে দলিল লেখক কে ব্যবহার করেন।
সাবরি রেজিস্ট্রি অফিসার দলিল করতে গেলে জমি বিক্রেতার নামে যদি নামের বানানে সামান্য পার্থক্য থাকে — থাকে তার জন্য সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা দিতে হয় আর প্রতি লাকি ৫০০ টাকা এবং প্রতি দলিলে তিন হাজার টাকা ঘুশ নেই
এনআইডি কার্ড সংশোধন জন্য
৩৫ হাজার একটা অনুদান। সে আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে চাইছিল। বাদ বাকি টাকা সে নেবে
কারা ক্যান্টিন ম্যানেজার হতে হলে জেল সুপার এর বউকে এ পরিমাণ টাকা দিয়ে আসতে হয় , তিনি সব নিয়ন্ত্রণ করেন পোষ্টিং
Ami khajna na dia cole asci....
তাদের সাথে আলোচনা হয়েছে আমার সমস্ত জমি (২ একর) নামজারি করে দিবে । তার বিনিময়ে ৮০'০০০ টাকা গ্রহণ করবে। কাগজ পাতি বিষয়ে সমস্ত ঝামেলা তাদের।
আমাদের জেলা নেত্রকোনা চল্লিশা ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধির নেতা আমার কাছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে টাকা না দেওয়াই আমাকে একটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে যার কোন প্রমাণ কিছুই নেই এবং এই মামলাতে আমাদেরকে দিয়ে আমলা খারিজ করার জন্য হলে তারা হুমকি দিচ্ছে এখন আমাদের জমিজমা বেদখল দিবে এই বলে আমাদেরকে ফাঁসাচ্ছে। জনপ্রতিনিধি নেতার নাম হচ্ছে — এবং — ইউনিয়নের নাম চল্লিশা বাজার। আমি যদিও বা ওই ফ্যামিলির কোন সদস্য না আমি এটা বলতে বাধ্য হয়েছি আমার দেখতে খুব খারাপ লাগছে ওই ফ্যামিলিদের লোকজন সবাই সরল সোজা এবং খুবই নম্র ভদ্রলোক তোর উপরে বিপদ মানুষের ঠেলে দিচ্ছে বিশেষ করে এই দুইটা লোক সবচেয়ে বেশি কাজ করছে এমনকি একটি মেয়েকেও তাদের পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে মেয়েটি হচ্ছে জজ মিয়া