9th grade - ibas++ account opening
৯ম গ্রেডের Pay fixation এর জন্য ৫০০ টাকা নিছে যত জন জয়েন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্ধের টাকা তুলতে নাকি ১০-২০% তাকে দিতে হয়। তার নাম :—, বাংলাদেশের ১ নাম্বার ঘুষখোর এরকম একাউন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৯ম গ্রেডের Pay fixation এর জন্য ৫০০ টাকা নিছে যত জন জয়েন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন বরাদ্ধের টাকা তুলতে নাকি ১০-২০% তাকে দিতে হয়। তার নাম :—, বাংলাদেশের ১ নাম্বার ঘুষখোর এরকম একাউন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর
সরকারী চাকুরির স্বাস্থ্য সনদ নেয়ার জন্য যেসকল টেস্ট করা লাগে সব জায়গাতেই রিপোর্ট নিতে গেলে ২০০/১০০ হাতে না দিলে বলে এখনো হয়নি পরে আসেন। অযথা ঘুরায়
রেজিস্ট্রেশন হবে না মর্মে জানানো হয়
আমার কোম্পানি একটা ডিভাইস ইম্পোর্ট করে থাকে যাতে প্রতিবার ডিভাইস কম পাওয়া যায় আর এবার ১২টা ডিভাইস কম পাইছি যার মূল্য ৩০০০০ টাকা যার কারনে আমার ডিভাইসের দাম বাড়াতে হইছে ।
এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন এর জন্য অনলাইনে কয়েকবার আবেদন করি। সর্বশেষ আগারগাঁও এনআইডি অফিসে গেলে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে। তখন অফিসের একজন স্টাফ কাগজগুলো দেখে বলে এই সংশোধন করতে আড়াই লাখ টাকা লাগবে। দুই দিনে এনআইডি পেয়ে যাবেন। ঘুষের এই টাকা রাজি না হওয়ায় ঐদিন ই আমার আবেদনটি বাতিল করে দেয়।
মিটার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু ইলেক্টিশিয়ান এসে বলে ১৩০ ফুটের বাহিরে আমার ঘর পড়েছে তাই দিবে না,পরে আমাদের এলাকার এক দালাল আমার কাছে ৩৫০০ টাকা চায় টোটাল খরচ দিলে মিটার লাগিয়ে দিবে।
আমার ক্রয় করা জমির পরিমাণ ২২ শতক , আমি যার থেকে জমি কিনেছি তার মালিকানা ১২.৫ শতক, বাকী অংশ উনার ভাইয়ের। কিন্তু দুই ভাইয়ের মধ্যে আপোস বন্টন হয়েছে। আমি যার কাছ থেকে নিয়েছি উনি আপোস বন্টন এর মাধ্যমে ২২ শতকের মালিক হয়েছে। এবং তার দলিল ও আছে। কিন্তু অফিসার ওই দলিল দেখতেও রাজি না। অফিসার বলেছে মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে রেকর্ড ঠিক করে দিবে। কাগজ পত্র ১০০০০% ওকে।
নরসিংদী জেলার মনোহরদী পৌরসভার মধ্যে জমি ক্রয় করি। নামজারি করার আবেদন করলে নামন্জরু করে দেয়। কোনো রকম শুনানি ছাড়া। ভূমি অফিসে যোগাযোগ করে পরবর্তীতে আবার নামজারি আবেদন করি। সেটা শুনানির সময় বলে জমিতে লিজমানি আছে ৪-৫.০০.০০০টাকা হবে সেটা দেওয়ার জন্য। আমরা বলি ২০২৪ সালের নতুন খাগনা ও নামজারির কাগজ দেখে জমি ক্রয় করি এখন কিসের এতটাকা লিজমানি আবার? কত টাকা সঠিক বলে না এবং কত বাকি আছে কিসের বাকি সঠিক কোনো তথ্য বলে না ও লিখিত কোনো ডকুমেন্ট ও দেয়নি। শুধু বলে যখন এই টাকা দিব তখন শুধু দেখে রসিদ দিবে। এখন পর্যন্ত নামজারি করতে পারি নি।
আমাদের জেলা নেত্রকোনা চল্লিশা ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধির নেতা আমার কাছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দাবি করে টাকা না দেওয়াই আমাকে একটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে যার কোন প্রমাণ কিছুই নেই এবং এই মামলাতে আমাদেরকে দিয়ে আমলা খারিজ করার জন্য হলে তারা হুমকি দিচ্ছে এখন আমাদের জমিজমা বেদখল দিবে এই বলে আমাদেরকে ফাঁসাচ্ছে। জনপ্রতিনিধি নেতার নাম হচ্ছে — এবং — ইউনিয়নের নাম চল্লিশা বাজার। আমি যদিও বা ওই ফ্যামিলির কোন সদস্য না আমি এটা বলতে বাধ্য হয়েছি আমার দেখতে খুব খারাপ লাগছে ওই ফ্যামিলিদের লোকজন সবাই সরল সোজা এবং খুবই নম্র ভদ্রলোক তোর উপরে বিপদ মানুষের ঠেলে দিচ্ছে বিশেষ করে এই দুইটা লোক সবচেয়ে বেশি কাজ করছে এমনকি একটি মেয়েকেও তাদের পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে মেয়েটি হচ্ছে জজ মিয়া
আসলে তারা সরাসরি বলেনি আমার কাছে, কিন্তু আমার সকল কাগজ ঠিক থাকার পরেও, নানান তালবাহানা করছিলো। বলছিলো ওই রুমে যান, এটা করা লাগবে, অইটা করা লাগবে, এটা হবে না। ওইটা হবে না এমন। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, দালাল দিয়ে করলে কিছুই লাগে না সব নিয়ম বাদ কাজ হয়ে যাবে। দালালের সাথে এদের কন্টাক্ট থাকে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাতে সময় থাকলে পড়বেন না পড়লে স্কিপ করতে পারেন তবে যারা অসুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ যাওয়া লাগবে তারা কেবল পড়ুন। জানার জন্য পড়ুন। মনে করেন আপনি রোগী ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানো জন্য বললো,আপনি মনে করলে বাইরে থেকে করে নিয়ে আসি এখানে অনেক লোকজন তাহলে থামুন❌বাইরের ক্লিনিকের রিপোর্ট দেখবে না ডাক্তার, তাহলে কি করতে হবে হাসপাতালে পরিক্ষা করতে হবে।✅ এখন পরিক্ষার জন্য সিরিয়ালে দঁাড়ালে মাত্র ১০০ জন লেখা টাকা জমা নিবে কিন্তু আসলে লোজন নেয় পুরুষ ২৫ ❌মহিলা১২ ❌ কি অবাক হলেন, না, কারণ এখানে সিরিয়ালে ২ দিন মাটিতে থাকতে হয় তার পর সিরিয়াল, এটা একটা কথা। দ্বিতীয় এক্সরে করাতে সিরিয়াল গেলেন ১ টায় এখন গিয়ে দেখেন কোনো লোক নাই, যে একজন কম্পিউটার অপারেটর আছে বললো ২২০ টাকা( সরকারি ফ্রি) ৪০০ টাকা দি
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ডাইরেক্টর, এসিসটেন্ট ডাইরেকটর এবং অফিসার, সোসাইটির ভিতর দির্ঘীদিন যাতব ৮-১০ বছর মাস্টাররোলে কাজ করছে এমন অভিজ্ঞ প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে । বাইরে থেকে অনভজ্ঞ, লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা জানি না তাদের কাছে ঘুস নেওয়া হচ্ছে কিনা। তবে যারা বঞ্চিত হচ্ছে তারা বলছে এগুলো ঘুস বানিজ্য হচ্ছে। প্রতিকার চায়।
আমার জমি সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য লিখে রেখেছিলো, খাসজমি খাতায় লিখে রাখে পেন্সিল দিয়ে, পরে টাকা চায়, টাকা দিলে মুছে দিবে
জমির নামজারি করতে সরকারি খরচ ১১৭০৳ কিন্তু তারা দাবি করে ১০০০০-১১০০০৳.এই চিত্র প্রতিনিয়ত চলছে।
আমার কাছে ৯০০০ টাকা চাইছে
গ্রামের বাড়িতে পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনে থানার অফিসার বিকাশে ১০২০ টাকা চেয়েছিল; ঝামেলা করবে বলে তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নগদে অফার করা হয়েছিল, সে নেয় নাই। সে বিকাশেই ১০২০ নিবে। ২ মাসের বেশি আটকে ছিল ভেরিফিকেশন।
Banglish likhar jnno sorry......amr elakar mouja map nite gesilam bhomi office aa. sekhan a thaka ek lok amr theke 5k tk chay ami jantam je khub ei kom fee . pore eita nie onkkhon kotha katakati hoy , then uni rege office theke ber hoe jay, then ami chole ashi.
নামজারি করার আগেই ভুমি অফিসের ন টাকা চেয়েছিল এবং নমজারি হওয়ার পর টাকা দেওয়া হয়
সরকারি ভাবে,মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, এবং সেখানে ভাতা প্রদান করা হয়, এই সব আফিসের পিওনেরা টাকা চায়, বলে নিজেরা আবেদন না করে আমাকে টাকা দিন বেশি আমি আপনাদের টিকাইয়া দিবো।
আমার একটা পণ্যের স্যাম্প্ল এসেছিলো। সেটি বিএসটিআই এর যাচাই করে নাকি ঢুকতে হয় যেখানে সে পণ্যের আই এস ও সনদ রয়েছে। এতে বি এস টি আই কে নাকি ম্যানেজ করতে হবে। সুতরাং সেটি বাবদ ৪০০০ টাকা স্যাম্পলের জন্য চাওয়া হয়েছে। যেটি অন্যায়। আমি মনে করে কাস্টম বা পণ্য আনা, লাইসেন্সিং আরো সহজ হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, তা নাহলে উদ্যোগতা সৃষ্টি হবেনা।