জমিদখল
আমার খারিজ কৃত জমি আরেকজনের দখলে।আমি এসিল্যান্ডের কাছে গেলে প্রথমে ভালো ব্যবহার করলেও পরে তার আসল রুপ দেখায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার খারিজ কৃত জমি আরেকজনের দখলে।আমি এসিল্যান্ডের কাছে গেলে প্রথমে ভালো ব্যবহার করলেও পরে তার আসল রুপ দেখায়।
আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স হায়িয়ে যায়। সেই লাইসেন্স নতুন করে পাওযার আবেদন করার জন্য ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স দরকার ছিল৷ আমি কুতুবদিয়াতে চাকরি করি, একদিনের ছুটি নিয়ে কক্সবাজার যায়। আর অফিসে গিয়ে সব ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর ওনারা বলে পরে আসেন। ঘন্টা খানেক পর বলে কালকে আসেন। তারপর আবার গেলে বলে ১০০০ টাকা দিন, এখুনি করে দিচ্ছি।
বাবার সাথে জায়গার নাম জারি করতে গিয়েছিলাম। দুইমাসেও কিছু করতে পারি নি। উনি অপেক্ষা করিয়েছে, উপেক্ষা করেছে। কিন্তু কোনমতেই নাম জারি করে না। সব কাগজপত্র বৈধ, সবকিছুই ঠিকঠাক কিন্তু আমাদের কোনমতেই করে দেয় না। সাক্ষর করে না, যাচাই বাছাই করে না। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের এক লোকাল নেতাকে দিয়ে বাবাকে বলায়, ৪০০০০৳ দেন, ২ দিনে কাজ কমপ্লিট হয়ে যাবে। বাবা দেন নি। এটা আওয়ামী লীগের সময়ে।
সাভার ডেইরিতে প্রতি বৃহস্পতিবার দুধ বিপনন হয়। গত সপ্তাহে দুধ নিতে গেলে তারা দামের সাথে অতিরিক্ত ৪২০৳ চা-পানির জন্য চায়।
প্রতিদিন এই থানার পুলিশ সাধারণ জনগণের সাথে জুলুম করে যাচ্ছে তাঁর বর্ণণা দিলাম দোকান খোলা রাখবেন রাত ১২ টার পর তাদের টাকা দিতে হবে ঘর নির্মানের সামগ্রী গাড়ি থেকে নামালে টাকা দিতে হবে রাস্তায় টমটম চলবে ঘুষ দিতে হবে থানায় জিডি করবেন ঘুষ দিতে হবেই না হই অপেক্ষায় থাকেন আওয়ামী আমালে কি হেডাম এখন —র আমলে তাঁর ২০ গুন হেডাম পুলিশের এ দেশে থাকতে চাইনা
ময়মনসিংহ কল্যাণ অফিস আমার বাবা মারা যাওয়ার পর কল্যাণে টাকা পাওয়ার জন্য গিয়েছিলাম, উনারা এমন ভাবে প্রসেস গুলো উপস্থাপন করে, যাতে করে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজগুলো নিজে না করে উনাদের কাছে দেই, সহযোগিতা না করে ভয় দেখিয়ে টাকা দিয়ে কাজ করাতে চায়।
হাসপাতাল পরিচালনা করার জন্য শ্রম মন্ত্রণালয় এর শিল্প প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স করা লাগে। সেটার সরকারি ফি ৫০০ টাকা। কিন্তু রিনিউ করার জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি বলছি এত টাকা দিয়ে করা সম্ভব না।
আমার বাবার এনআইডি কার্ডের সংশোধন করতে টাকা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিতে পারিনি। আমার বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
নতুন পাসপোর্ট করাার জন্য
জমির দাখিলা কাটার জন্য গিয়েছিলাম। পরে ওখানে কর্মরত একজনকে বললাম আমার জমির দাখিলাটা কাঠার জন্য। উনি বললো সামান্য কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকা লাগবে এর কিছুক্ষণ পরে আমাকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললো উনার বড় অফিসারকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে ৫০ হাজার টাকা কাজ আমাকে ৯ হাজার টাকায় করে দিবে। তখন আমার উনাদের কথায় সন্দেহ হলে আমি কাজটা না করে বাসায় চলে আসি।
ঢাকার আফতাব নগর ৬ কাঠার প্লট ১০ তলা বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য রাজুক এক কর্মকর্তা ১০ লক্ষ টাকা চেয়েছে। আমার পরিবারে দুটি পাসপোর্ট করতে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি।
আমার একটি এনআইডি করার জন্য আমি প্রয়োজন কাগজ পত্র নিয়ে ভোট অফিস যাই। সেখানে পোস্ট অফিসে কম্পিউটার কাজ করে — ও তার স্ত্রী। আমার কাগজ পত্র সব ঠিক থাকা পরেও আমায় বলে আমার এগুলো ভুল আছে। আমায় বলে আমার জায়গার খতিয়ান লাগবে খতিয়ান ছাড়া হবে না। কিন্তু আমি জানি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিলেই হয়। কিন্তু তারা মানে না।আমার খতিয়ান পাবো কোথায় আমি থাকি দাদার জায়গায় যার কাগজ পত্র কোনোটাই ঠিক নাই। দাদার জায়গায় সব দলিল ও কাগজ তার ভাইয়ের কাছে।অনেক জামেলার পরে এক পর্যায়ে — আমায় বলে ৪০০০ টাকা দিলে আইডি কার্ড করে দিবে কোনো কাগজ লাগবে না কিন্তু আমি রাজি হই নাই।এই হলো সোনার বাংলাদেশ অবস্থা। আরো অনেক গুলো দুর্নীতি ভুক্তভোগী কিন্তু আজকে একটা প্রমান বললাম। সময়টা হলো ২৩ জুলাই ২০২৬।
দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার শহীদুল ইসলাম, আমার ৫০ শতক জমি নামজারি করতে ২০০০০ টাকা চাইছে আর না হলে সে খতিয়ান আটকে দিবে, ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দিবে, নামজারি কেস মুলতবি করবে এমন বক্তব্য দিয়েছে। পূর্বে সে যখন রনগোপালদী ইউনিয়নের তহশিলদার ছিলো সেখানে ও তার ঘুষ খাবার রেকর্ড এবং বিনা কারনে কেস মুলতবি রাখার বদনাম আছে।
Ami NID correction korber jonno application kore still pending tai akjoner shate kota bole uni 90,000 taka chice correction kore deba. Aggorgon election office a taka diya lok dore kas korte hoi na hole approved hoi na.
১ টি নির্দিষ্ট ডেটের দলিল নম্বর সার্চিং ফি দাম ২০ টাকা সেটার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করেছে তাও অফিসের সবার সামনে, এটাই নাকি খরচ। অথচ কাজটি বালাম বই দেখে জাস্ট দলিল নম্বর বলা টা, আর কিছু না। আর কোন কাজ সরকারি ফি তে করা হয় না। সব কিছু কন্ট্রাক্ট করে মোটা টাকা চুক্তি করে করা হয়।
কানুন গো রিমোট ও জায়গার শুনানি খরচ
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
It was supposed to be a routine errand: a trip to the Mohammadpur Regional Passport Office so my mother could renew her passport. Instead, it became a frustrating masterclass in institutional bureaucracy. She arrived with every document listed on the official form, only to be met with shifting demands. First it was one paper, then another. Finally, they insisted on a utility bill for our house. My mother returned with a copy of our water bill, but that too was arbitrarily rejected. Yet, right outside the office doors, a network of middlemen operated in plain sight. Their proposition was simple: pay 2000 taka, and the very same paperwork that was just turned away would suddenly be sufficient.
সোয়া পাঁচ শতাংশ জমি নামজারি করতে ১০০০০ ৳ চাইছে, চাটখিল উপজেলা ভূমি অফিসে ঐতিহাসিক দুর্নতি চলে দেখার কেহ নাই,