এনআইডি কার্ডের সংশোধন
আমার বাবার এনআইডি কার্ডের সংশোধন করতে টাকা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিতে পারিনি। আমার বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবার এনআইডি কার্ডের সংশোধন করতে টাকা চাওয়া হয়েছে, আমরা দিতে পারিনি। আমার বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক।
জমির দাখিলা কাটার জন্য গিয়েছিলাম। পরে ওখানে কর্মরত একজনকে বললাম আমার জমির দাখিলাটা কাঠার জন্য। উনি বললো সামান্য কাজের জন্য ৫০ হাজার টাকা লাগবে এর কিছুক্ষণ পরে আমাকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললো উনার বড় অফিসারকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে ৫০ হাজার টাকা কাজ আমাকে ৯ হাজার টাকায় করে দিবে। তখন আমার উনাদের কথায় সন্দেহ হলে আমি কাজটা না করে বাসায় চলে আসি।
ময়মনসিংহ কল্যাণ অফিস আমার বাবা মারা যাওয়ার পর কল্যাণে টাকা পাওয়ার জন্য গিয়েছিলাম, উনারা এমন ভাবে প্রসেস গুলো উপস্থাপন করে, যাতে করে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজগুলো নিজে না করে উনাদের কাছে দেই, সহযোগিতা না করে ভয় দেখিয়ে টাকা দিয়ে কাজ করাতে চায়।
নতুন পাসপোর্ট করাার জন্য
Ami NID correction korber jonno application kore still pending tai akjoner shate kota bole uni 90,000 taka chice correction kore deba. Aggorgon election office a taka diya lok dore kas korte hoi na hole approved hoi na.
আমি একজন রোড এক্সিডেন্ট করা ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল ( নিটোর ) এ ভর্তি ছিলাম, কিছু আইনে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমার একটি মেডিকেল সার্টিফিকেটের দরকার ছিল কিন্তু আমি যখন সেখানে আমার কাগজপত্র জমা দেই তারা আমার কাছে আনুমানিক ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং তা নাহলে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ফেরত দিতে অসিকৃতি জানাই । আমি আমার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কে জানালে সে বলে সেখানে টাকা না দিলে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। শুধু তাই নয় ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে এইটা পদক্ষেপে ই টাকা দিতে হয় তা না হলে সেবা মেলে না যেমন স্ট্রেসার নিতে গেলে টাকা দিতে হয় অপারেশন পরবর্তী ড্রেসিং করতে হলে টাকা দিতে হয় ইমারজেন্সিতে কেবিন এবং বেড নিতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।
১ টি নির্দিষ্ট ডেটের দলিল নম্বর সার্চিং ফি দাম ২০ টাকা সেটার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করেছে তাও অফিসের সবার সামনে, এটাই নাকি খরচ। অথচ কাজটি বালাম বই দেখে জাস্ট দলিল নম্বর বলা টা, আর কিছু না। আর কোন কাজ সরকারি ফি তে করা হয় না। সব কিছু কন্ট্রাক্ট করে মোটা টাকা চুক্তি করে করা হয়।
আমার একটি এনআইডি করার জন্য আমি প্রয়োজন কাগজ পত্র নিয়ে ভোট অফিস যাই। সেখানে পোস্ট অফিসে কম্পিউটার কাজ করে — ও তার স্ত্রী। আমার কাগজ পত্র সব ঠিক থাকা পরেও আমায় বলে আমার এগুলো ভুল আছে। আমায় বলে আমার জায়গার খতিয়ান লাগবে খতিয়ান ছাড়া হবে না। কিন্তু আমি জানি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিলেই হয়। কিন্তু তারা মানে না।আমার খতিয়ান পাবো কোথায় আমি থাকি দাদার জায়গায় যার কাগজ পত্র কোনোটাই ঠিক নাই। দাদার জায়গায় সব দলিল ও কাগজ তার ভাইয়ের কাছে।অনেক জামেলার পরে এক পর্যায়ে — আমায় বলে ৪০০০ টাকা দিলে আইডি কার্ড করে দিবে কোনো কাগজ লাগবে না কিন্তু আমি রাজি হই নাই।এই হলো সোনার বাংলাদেশ অবস্থা। আরো অনেক গুলো দুর্নীতি ভুক্তভোগী কিন্তু আজকে একটা প্রমান বললাম। সময়টা হলো ২৩ জুলাই ২০২৬।
কানুন গো রিমোট ও জায়গার শুনানি খরচ
It was supposed to be a routine errand: a trip to the Mohammadpur Regional Passport Office so my mother could renew her passport. Instead, it became a frustrating masterclass in institutional bureaucracy. She arrived with every document listed on the official form, only to be met with shifting demands. First it was one paper, then another. Finally, they insisted on a utility bill for our house. My mother returned with a copy of our water bill, but that too was arbitrarily rejected. Yet, right outside the office doors, a network of middlemen operated in plain sight. Their proposition was simple: pay 2000 taka, and the very same paperwork that was just turned away would suddenly be sufficient.
হাসপাতাল পরিচালনা করার জন্য শ্রম মন্ত্রণালয় এর শিল্প প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স করা লাগে। সেটার সরকারি ফি ৫০০ টাকা। কিন্তু রিনিউ করার জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি বলছি এত টাকা দিয়ে করা সম্ভব না।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ঢাকার আফতাব নগর ৬ কাঠার প্লট ১০ তলা বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য রাজুক এক কর্মকর্তা ১০ লক্ষ টাকা চেয়েছে। আমার পরিবারে দুটি পাসপোর্ট করতে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি।
They asked for money to give serial for appointment and this taken by some other agency and they give serial
সাভার ডেইরিতে প্রতি বৃহস্পতিবার দুধ বিপনন হয়। গত সপ্তাহে দুধ নিতে গেলে তারা দামের সাথে অতিরিক্ত ৪২০৳ চা-পানির জন্য চায়।
আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স হায়িয়ে যায়। সেই লাইসেন্স নতুন করে পাওযার আবেদন করার জন্য ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স দরকার ছিল৷ আমি কুতুবদিয়াতে চাকরি করি, একদিনের ছুটি নিয়ে কক্সবাজার যায়। আর অফিসে গিয়ে সব ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর ওনারা বলে পরে আসেন। ঘন্টা খানেক পর বলে কালকে আসেন। তারপর আবার গেলে বলে ১০০০ টাকা দিন, এখুনি করে দিচ্ছি।
প্রতিদিন এই থানার পুলিশ সাধারণ জনগণের সাথে জুলুম করে যাচ্ছে তাঁর বর্ণণা দিলাম দোকান খোলা রাখবেন রাত ১২ টার পর তাদের টাকা দিতে হবে ঘর নির্মানের সামগ্রী গাড়ি থেকে নামালে টাকা দিতে হবে রাস্তায় টমটম চলবে ঘুষ দিতে হবে থানায় জিডি করবেন ঘুষ দিতে হবেই না হই অপেক্ষায় থাকেন আওয়ামী আমালে কি হেডাম এখন —র আমলে তাঁর ২০ গুন হেডাম পুলিশের এ দেশে থাকতে চাইনা
বাবার সাথে জায়গার নাম জারি করতে গিয়েছিলাম। দুইমাসেও কিছু করতে পারি নি। উনি অপেক্ষা করিয়েছে, উপেক্ষা করেছে। কিন্তু কোনমতেই নাম জারি করে না। সব কাগজপত্র বৈধ, সবকিছুই ঠিকঠাক কিন্তু আমাদের কোনমতেই করে দেয় না। সাক্ষর করে না, যাচাই বাছাই করে না। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের এক লোকাল নেতাকে দিয়ে বাবাকে বলায়, ৪০০০০৳ দেন, ২ দিনে কাজ কমপ্লিট হয়ে যাবে। বাবা দেন নি। এটা আওয়ামী লীগের সময়ে।
দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার শহীদুল ইসলাম, আমার ৫০ শতক জমি নামজারি করতে ২০০০০ টাকা চাইছে আর না হলে সে খতিয়ান আটকে দিবে, ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দিবে, নামজারি কেস মুলতবি করবে এমন বক্তব্য দিয়েছে। পূর্বে সে যখন রনগোপালদী ইউনিয়নের তহশিলদার ছিলো সেখানে ও তার ঘুষ খাবার রেকর্ড এবং বিনা কারনে কেস মুলতবি রাখার বদনাম আছে।
আমি চাকরির লিখিত পরিক্ষায় এবং প্র্যাক্টিকেল দুটোই উত্তির্ন হই ভাইবা বোর্ড এ ৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। আমি তা পত্যাখ্যান করে আমার সকল ডকুমেন্টস নিয়ে চলে আসি।