জমিদখল
আমার খারিজ কৃত জমি আরেকজনের দখলে।আমি এসিল্যান্ডের কাছে গেলে প্রথমে ভালো ব্যবহার করলেও পরে তার আসল রুপ দেখায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার খারিজ কৃত জমি আরেকজনের দখলে।আমি এসিল্যান্ডের কাছে গেলে প্রথমে ভালো ব্যবহার করলেও পরে তার আসল রুপ দেখায়।
Hhhhhh!gfgh hjnbv hhjjbvv hbb
ইচ্ছাকৃত ভাবে চাকরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ টেস্টে মনগড়া রিপোর্ট বানিয়ে টাকা দাবি
Nid correction er jonno taka chaise 40000
মিরপুর ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসের মনোনীত কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবার জন্য মানুষ আসে। নাগরিক সনদের জন্য টাকা চেয়েছে। স্বাস্থ্য মোটা করে এক লোক বসে। উনি টাকাটা চেয়েছিলো।
লেখার মত কিছু পাচ্ছি না কিভাবে প্রকাশ করব সরকারি লোক গুলো এতো চুদানির পুয়া আগে জানতাম না এদের কে কুকুরে চুদি বাহির করছে
থানার মামলার কাগজ কোটে প্রেরণ করতে এএসআই — ৫০০০ টাকা দাবি করে
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। একজন আইটিপি এসে আমার নিকট ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে একটি ফাইলের ট্যাক্স অনৈতিকভাবে কমিয়ে দিতে বলে। আমি তাকে নিষেধ করায় বা আমার আপারগতার কথা জানালে সে আমাকে তার পাওয়ারফুল লিংক লবিং এর কথা বলে এবং আমার রেপুটেশন সে চাইলেই অপবাদ দিয়ে খারাপ করে দিতে পারে এমন আকারে ইঙ্গিতে ভদ্রভাবেই আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করে প্রচ্ছন্ন হুমকি দেয়।
নতুন গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করতে ঘুষ সিন্ডিকেট ১২-১৫ হাজার টাকা নেয় সবার থেকে। বিশাল এক চক্রে! দিনের আলোতে টাকা নিচ্ছে কুকুরগুলো, সন্ধার পর টাকা ভাগাভাগি চলে লাইট অফ করে। এক স্টুপিড কান্ট্রির স্টুপিড সিস্টেম!
চৌগাছা সাব রেজিস্ট্রার সকল দলিলের মূল্যের উপর পার্সেনটেজ আকারে ঘুস নেন। এছাড়া দলিল লেখকরা সমিতি ও সিন্ডিকেট করে দলিল রেজিস্ট্রেশন এর মূল্য নির্ধারন করেন। যেখানে ৫০০০ টাকায় বন্ঠননামা দলিল হওয়ার কথা, সেখানে চাচ্ছে ৭৫০০০ টাকা
শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একজন এটিও আমার বদলী করার নাম করে এক লক্ষ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছি। এবং পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমি বদলী হতে পারি। যে বদলী হয়েছে সে এক লক্ষ বা তার বেশি টাকা দিয়ে বদলী হয়েছে। যে এটিও বদলী হয়েছে সে ইতিমধ্যে ঘুষের টাকা দিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মান করেছে। এই চাকুরী করে এত টাকা কোথায় পেল এই প্রশ্ন কি কারো মাথা আসে না?
বর্তমান আমাদের ৮নং চাতুরী ইউনিয়নে ৫আগষ্ট ২০২৪ সাল থেকে চেয়ারম্যান এর নেই তাই আমাদের ওয়ারিশচেয়ারম্যান সাটিফিকেট প্রত্যয়ন পত্র জন্মনিবন্ধন নিতে বেহাল দশা পুহাতে হচ্ছে। তাই এই সেবা গুলো আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার — দায়িত্ব নিয়েছে বিশেষ করে এক একি ওয়ারিশ সনদে একাদিক বেক্তি হয় অনেকে ঢাকাও প্রবাসী হয়ে তাকে ইউনো কাছে ওয়ারিশ সনদ নিতে গেলে নাকি সব ওয়ারিশকে উনার সামনে উপস্থিত হতে হবে না হলে ওয়ারিশ সনদ দিবে না। এটা নিয়ে আমরা চাতরী বাসী অনেক কষ্ট আছি
jomi r namjari korte partesi na barbar shudu reject kore ei kagoj sei kagoj er nam kore. Kanungo computer operator soho puro team jorito kono action neya hoy na .Ghure fire tarai . Eder aktu action neya hok kono kaj to korei na saradin khali ghuser jonno boisa thake. pore ses mes dalaler maddhome 50000 taka dabi korse . Matlab dhakkin upojela vumi office . kissu hobe na ei ghus khor der tara sara jibon beche thak .
জমি রেজিস্ট্রারি জন্য সময় বিকাল ৪টা পার হয়ে গেছে বলে লেইট পাইন ১০হাজার। জমি এওয়াজ বিনিমন করলে সাবরেজিস্টার বলে কর পাকি দিছে বল ষোস চাই ১০ হাজার। দানপত্র দলিল করলে বলে কর পাকি দেওয়ার জন্য দানপত্র দলিল করছে বলে বলে ১০হাজার ইত্যাদি বানিজ্য চলছে
The land papers name are supposed to be updated to Inheritors. The official government fees itself is very low but the unofficial amount asked was 8 to 9 carores for 1 biga land in dhanmondi.
মসজিদের দরখাস্ত জমা জমা দিতে গিয়ে
বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য গেলে সর্বমোট ৪৫০০ টাকা দাবি করা হয় তা না হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থানা থেকে দিবে না অন্য জায়গায় থেকে আনতে হবে, এছাড়াও সোনাইমুড়ি পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার জন্য একই চিত্র গুনতে হয় ভূমি অফিস, সহ সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক রাকম।
তিনটি মিস মোকদ্দমা মামলার প্রতিবেদন এবং নিষ্পত্তি আদেশের প্রত্যয়িত অনুলিপির জন্য কোর্ট ফি এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফলিও কাগজ সহ আবেদন করার পরেও আমার কাছে এক একটি মামলার অনুলিপির জন্য ৩০০০ টাকা করে সর্বমোট ৯০০০ টাকা দাবি করে! ঘটনাটি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের, যেখানে আবেদন গ্রহণ করা হয়!
হয়রানির শীর্ষে আছে সরিষাবাড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিস,,,আর স্টাফদের খারাপ আচরণের কথা নাই বললাম,,,নতুন ভোটার হইতে যে পরিশ্রম করতে হয়,,,সেই পরিশ্রম ১০টা বাচ্চা জন্ম দিতেও হয় না,,,,,তাড়া ক্লিয়ার করে কোন কথা বলবে না,,,,২টা প্রশ্ন করলে ১টা উত্তর দিবে,,,দিনের পর দিন ঘুরাবে ভোটার আবেদনের জন্য!!!নতুন ভোটার হবার জন্য নিজের অনলাইন জন্মনিবন্ধন,,বাবা মার এনআইডি,,চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট,, কারেন্ট বিলের কাগজ,,, মার্কশীট , আবেদন ফরম,,আরো কি প্রয়োজন আছে,,,এতো গুলা কাগজ দেওয়ার পর ও দুই তিনবার ফেরত দিছে??আসলে কি টাকা ছাড়া আমাদের এই প্রাপ্য অধিকার পাবো না??এই হয়রানির শেষ কোথায়???
আমি নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করি কিন্তু অফিসের কর্মকর্তা তা সংশোধন করতে পারবেনা বলে প্রত্যাখান করে,পরবর্তীতে আমি একজনের দারস্ত হোই যিনি নির্বাচন অফিসের কর্মী, তিনি আমার কাছ থেকে ৮০,০০০ দাবি করে বসেন আর অফিসে না আসার অনুরোধ করেন আর লেনদেন বিকাশ কিংবা ব্যাংকিং চ্যানেলে করার জন্য বলেন, আমি যেহেতু একজন প্রবাসী , সেহেতু আমার হাতে ওরকম পর্যাপ্ত সময় আর অর্থ নেই, তাই আমি ওনার প্রস্তাব প্রত্যাখান করি