পাসপোর্ট তথ্য সংশোধন
পুর্বের পাসপোর্টের সাথে নতুন আবেদনে বয়স সংশোধন ছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুর্বের পাসপোর্টের সাথে নতুন আবেদনে বয়স সংশোধন ছিল
রাজউক থেকে লীজ নেওয়া জমি যখন নিজের নামে নামজারী করতে যাই, তখোন এই ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় যে, এভাবে না করলে বছরের পর বছর ধুরলেও নামজারী পাবোনা।
Taka chara hobe na, onek niyom dekhay. Jhulay rakhe
আমি একটি সরকারি দপ্তরের উপজেলা শাখায় কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে পরিবারের কাছাকাছি থকতে নিকটবর্তী কোন একটা শাখায় বদলি হতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় প্রধান কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটা হচ্ছে না। কারণ জানতে চাইলে আমার কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বদলি করিয়ে দেওয়ার শর্তে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করি।
Ghotona goto bochor er ami rajsahahi ttc te welding course e vorti hoisilam. surur dike valo kore koita class hoilew kichu din pore theke sir der khuje pawa jai na trade e eta sudhu oi trade ei na onno trade gular o same obosta. prothom koi din hat e dhore dhore koraito kaj kichu din pore theke sobai nijer iccha sadhin kaj kore sir ra khoj e nei na ke kaj korlo ba kar koto tuku hoilo ba kar kothai fault ache. dekhte dekhte assessment er date aslo oi din bole je 3000 kore dewa lagbe ak ak jon ke hoile pass sure korai dibe kintu eta r to kono kotha holo na course er time e sir ra kono koj nei nai abar exam time e aise taka chai. ttc te ei rokom akhon oo hoi ami eta just 1 tar kotha bollam.
ট্রেড লাইসেন্স করলে একটা ভ্যাট রিটার্ন চালু করতে হয়। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন চালু থাকে।বন্ধ করতে গেলে 10000 টাকা চায়।আবার এক মাস জিরো রিটার্ন দিতে ভুলে গেলে তখন অটো সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা হয়। এভাবে প্রত্যেক মাসে 10000 টাকা করে জরিমানা হতে থাকে। আর তাদের কাছে গেলে তখন তারা ঘুস চায় এই জরিমানা ক্লোজ করে দেয়ার জন্য। আসলে আমার ব্যবসা তো বন্ধ আমি জরিমানা কেন দিব???? সরকার ইচ্ছে করেই এই কার্যক্রমটা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করে না।
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
অত্র দপ্তরে আমি আমার নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। আমি ভেবেছি অল্প কিছু টাকা চা নাস্তার জন্যে এই ৫০০ বা ১০০০টাকা। কিন্তু উনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি সেই সাথে এইখানে প্রতিটি প্রত্যয়ন নিতে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এক প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এখনও পর্যন্ত আমার কাজটি হয় নাই। গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষায় ৪ হাজার টাকা দিলে আপনাকে ড্রাইভিং এ পাশ করিয়ে দিবে।অন্যথায় আপনাকে ফেইল দিবে।এতে আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ চালক ও হয়ে থাকেন তাও আপনাকে ফেইল করিয়ে দিবে।আর মানুষ ২মাস অপেক্ষা করার পর এই পরীক্ষার সুযোগ আসে,তাই বাধ্য হয়ে অনেকেই ৪হাজার টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে পাশ করিয়ে নেয়।
আমি কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছি তার তদন্ত PBI কে দেওয়া হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট আমার পক্ষে দিবে আমি বলছি আপনি যেটা সঠিক আপনি সেটা দিবেন আমার পক্ষে বা বিপক্ষে দেওয়ার দরকার নেই ।
আমার প্রাণপ্রিয় রাজশাহী সব ইচ্ছে থাকবে কেন এটা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে যেহেতু করা হয়েছে তাই যে কেউ যেকোনো এমাউন্ট বসিয়ে আপলোড করতে পারবে
পটুয়াখালী পৌরসভার সকল শাখা ঘুষের বানিজ্য
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া জন্য অথ দিতে হয়
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস স্টেশন এ একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পণ্য চালান ছাড় করতে আমার কাছে ততকালীন ডিসি — আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। না দেওয়াতে আমার চালান ৪মাস আটকে রাখে পরবর্তীতে নতুন সহকারী কমিশনার মহোদয় সানুগ্রহে চালান খালাস করি।
এন আইডি কার্ডে ঠিকানা সংশোধনের জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলেও আবেদন এপ্রুভ হয়না।পরে উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে, এক কম্পিউটার অপারেটর উনার কাছে যেতে বাধা দেয়।
বেড ভাড়া চেয়েছিল ৩০০ টাকা
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময়ে কল দিয়ে বললো, এই কাজ সম্পাদনের জন্যে টাকা লাগবে। সরকারী খরচ। বললাম, আমি তো ব্যাংকেই দিয়েছি। উনি বললেন, কিরে ভাই, আপনি দেখি খরচের ব্যাপারটা ধরছেন না। হয়, খরচ দিয়ে কাজ তাড়াতাড়ি হবে, নাহলে আমরা থানায় পাঠাবো, সেখান থেকে লোক কল করবে, আপনাকে থানায় যেতে হবে, কাগজ পত্র দেখাতে হবে, অনেক ঘোরাঘুরি। পরে আমি জানাচ্ছি বলে, অন্য একজন পুলিশের এডিসিকে দিয়ে ওনাকে ফোন দেয়াইসি, জাস্ট ৩ দিনের মাথায় কোন টাকা পয়সা ছাড়া কাজটা হয়ে গেল। কি আজব একটা দেশ!
বিএস পচায় আমার নামে না হয়ে আরেক জনের নামে হয়ে যায়, কিন্তু আমি কাগজ সম্পর্কে বুঝতে পারতাম না পরবর্তীতে ৪২ ক করি কিন্তু আমার নামে বন্টন নামা রেজিস্ট্রার দলিল, নামজারি খতিয়ান, হালসন পযন্ত দাখিলা রয়েছে, শুনানি কালে অন্য পক্ষকে সহকারি শুনানি অফিসার আমাদের বিএি দলিল দিতে বলেন অন্য পক্ষকে তারা বলে আমাদের বিএি নাই পরবর্তীতে আমাদের কে শুনানি কমকতা প্রস্তাব দেয় আমরা দেই নাই আর অন্য পক্ষ ১৮০০০০+ দিয়ে তাদের নামে বহাল রাখায়
For price Declaration approval