NID Verification
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।
৯৯৯ এ ফোন দিলে কোন সরকারি এম্বুলেন্স পাওয়া যায় না
সরকারি চাকরিতে যোগদানের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার নামে ১ নং খতিয়ানের ভূমি বন্দোবস্ত দেয় সরকারের পক্ষে সহকারী কমিশনার ভূমি করিমগঞ্জ কিন্তু আমি উক্ত ভূমি নামজারীর আবেদন করলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব প্রেরন করা হয়। পরবর্তীতে কানুনগো প্রতিবেদন দেওয়ার পর সহকারী কমিশনার ভূমি শুনানির নোটিশ না দিয়ে শুনানিতে অনুপস্থিত লিখে আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। সরাসরি উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে এলআর জমা দেওয়া হয়নি তাই বাতিল/ নামঞ্জুর করা হয়েছে বলে জানান। সেই সাথে ৫০০০০/- টাকা জমা দিয়ে আবেদনটি রিভিউ করতে বলেন। আমি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি
আমার বাবা ১৯৮৩ সালে জমি ক্রয় করেছেন, রেকডিয় মালিকের কাছ থেকে,এবং বায়া দলিলও আছে, এই জমি আমরা ৪৩ বছর যাবত ফসল করে আসছি, অর্থাৎ আমাদের দখলেই জমি, বাবা কৃষক মানুষ হওয়া তিন আর খারিচ করে নাই। ফলে ২০২১ সালে এই জমি আবার আগে মালিকের মেয়ে খারিচ করে নিয়ে চলে গেছে। পার্বতী আমরা খুজ পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে যাই, ওখান থেকে এসিলেন্ড অফিসে একটা মিস কেইস করতে বলে। তাই করি, কিন্তু, এই মামলা এ্যাসিলেন্ড বাতিল করে দেই, কোনো তদন্ত ছাড়াই। পরবর্তী ভূমি অফিসের নায়েব আমাদের কে বলে ৮০ হাজার টাকা দিলে সে এবং এ্যাসিলেন্ড মিয়ে এইটা করে দিবে, আমার বাবা এত টাকা দিতে অপারকথা শিকার করে তারপর ৬০ হাজার টাকা দিলে করে দিবে। এর নিচে হলে পারবেনা। এবং এই জমিও আমরা পাবনা বলে ভয় দেখাই।
2021 shala amr name kichu match na hoyor karone erokom kore ja legal way shob kichu korar por o eta korte hoise Affidavit korer por o Uttara passport shob ekhnae office r shamne kukur bilai o jorito Dekhlam ek mohila pura borka haat muja por Ek uncle boisher dekhlam oju korse sandal pora tupi namaz r jonno daktase tarao zorito
ভুমি রেকর্ড জরিপ রেকর্ড করার জন্য দুজন সেটেলমেন্ট অফিসার তাদের দুজনের কাছে আলাদা আলাদা খতিয়ন রহিয়াছে — ১,৫০,০০০/- টাকা দাবি করে ও — সেটেলমেন্ট অফিসার ৫০,০০০/- টাকা দাবি করে তারপর আর টাকা দিয়ে খতিয়ান স্বাক্ষর করাইবা। [redacted] — [redacted] —
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
খ তফসিল এর জমি সাইনবোর্ড দিয়ে সরকারী খাসে নেওয়া হবে এই মরমে ১/১ এর দাগ দিয়ে হয়রানি করছে অম্যত সাথে আছে নাজির প্রসেস সারভেয়ার —। এরা মিলে ৫০০০০ টালা বিঘা প্রতি দিলে ১/১ এর জমি সরাসরি যে টাকা দেবে তার নামে রেকর্ড দেবে।৮/১০ হাজার নাম জারি। নোটিশ জারি ফি ৩/৫ হাজার। নকল উত্তোলন ২ হাজার৷
আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম সিটিতে। কর অঞ্চল ২ ও সার্কেল ৩২। আমি বেশ কয়েক বছর আগে আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনার চেষ্টা করেছিলাম। এটার জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা আমাকে কাজটি করে দিবেন বলে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। আমি তাতে রাজি হইনি।
জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয় টাকা ছাড়া খারিজ করা যায় না
আমার দাদা একটি জমি কিনে প্রায় ৩০ বছর আগে, পাশের জমিটি আরেকজন কিনে। পরে দেখা যায় জমিটির উভয় পক্ষের দখল ও চৌহদ্দী ঠিক থাকলেও দলিলে দাগ নম্বর ভুল। পাশের জমির মালিক দাগ নম্বর ঠিক না করে জাল দলিল বানিয়ে আমাদের জমিটি খারিজ করে। সহকারী কমিশনার এর নিকট সকল দাতা এবং জাল দলিলের সকল প্রমান করার পরেও তিনি ঐ খারিজটি বাতিল করে নাই বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি তিনি ঐ পক্ষের থেকে টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে অন্য মাধ্যমে আমার নিকট খারিজ বাতিলের জন্য টাকা দাবী করা হয়েছে আমি তা প্রত্যাখান করেছি এবং প্রয়োজনে মামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ছয়বার এই অফিস গিয়েছি । এই কাজটি সম্পন্ন করতে আমার পুরো এক ( জুলাই ২০২৬) মাস সময় লেগেছে। প্রথম দিন- কাগজ জমা রেখে দিয়েছে। দ্বিতীয় দিন- কাগজ খুঁজে পায়নি। আমাকে এক ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছে। তৃতীয় দিন - আমাকে দুই ঘন্টা বসিয়ে রেখে কাগজ বের করে বলতেছে আমাকে টাকা দিয়ে জান আমি করে রাখছি। আমি তখন বলছি আপনি কাগজ প্রিন্ট করে রাখুন আমি আগামীকাল এসে কাগজ নিয়ে যাব। চতুর্থ দিন - আমি যে আমার লাইসেন্সের কপি নিয়ে চলে আসি। পঞ্চম দিন - তিন ঘন্টা লম্বাল টাইম লাইনের টাকা জমা দিয়ে মেইন কপি আনতে যাই তখন উনি আবার টাকা চাইবে। এখন আমি মুখের উপর বলেছি এতগুলো টাকা দেওয়ার পরও আবার কিসের টাকা । পঞ্চম দিন:- চুপচাপ কাগজ নিয়ে চলে এসেছি।
বিদ্যুৎতের খুটি স্থাপনের আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিস অনৈতিক ভাবে দালালের মাধ্যমে ২ টি খুটি স্থাপনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দিতে বলে।যা দিতে আমি অপারগতা জানালে তারা খুটি গুলো আর দেয় নাই,যার দরুন আমাকে প্রায় ২০০ মিটার দূর থেকে বিদ্যুৎতের লাইন আনতে হয় যা খবই ঝুঁকিপূর্ণ।
নামজারি আবেদন করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে পাশের ভূমি সেবা সেন্টারে যেতে বলে, সেখানে দায়িত্বরত উদ্যোক্তা বলে ৯০০০ টাকা প্যাকেজে ১ টি নামজারি সম্পন্ন করতে লাগবে। অন্যথায় না মঞ্জুর হবে নিশ্চিত। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কাজ হবে না।
আমার বাবার জমি আমাকে বাবা দান করবেন, বাবা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না, কথা বলার সময় আওয়াজ কম হয়, তাই ৫০০০০ টাকা চাইছেন,
বাড়ি নির্মাণের জন্য হাউস বিল্ডিং শ্রীমংগল থেকে লোন নিতে গেছি। সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও ইঞ্জিনিয়ার ১০০০০০ টাকা ঘোষ চায়, আমি প্রত্যাখ্যান করে এসেছি। গত বছরের দিকে আমি লোন নিতে গেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ বেসরকারি ব্যাংক থেকে লোননিয়েছি কোন হয়রানি ছাড়া।
ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, সন্তোষ পৌর ভূমি অফিস, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল। এর কর্মকর্তা আমার নামজারির কাগজ ঠিক থাকার পরেও নানান অজুহাত দিয়ে বার বার বাতিল করে দিচ্ছে। উনাকে বলার পরেও উনি মানছে না। এবং এক পর্যায় ওই টাকা দাবি করে। আমি না করে দিয়েছি
সেবাটি ছিল: প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য সুবর্ণ কার্ড তৈরি করা। ঘটনা: আমি আমার প্রতিবন্ধী মায়ের জন্য সুবর্ণ কার্ডের আবেদন করতে সমাজসেবা অফিসে যাই। কথা বলার সময় একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন কার্ড করে দিতে ৩,০০০ টাকা লাগবে। তিনি বলেন টাকা দিলে আমাকে কিছুই করতে হবে না, উনারাই সব করে দিবেন। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে অস্বীকার করি। তখন তিনি বলেন "তাহলে আপনি চেষ্টা করতে পারেন"। পরে আমি সকল কাগজপত্র জমা দিলে আমাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় মেডিকেল চেকআপের জন্য। হাসপাতালে আমার ফাইল দেখার পরে মেডিকেল অফিসার ওই কর্মকর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে এবং হাসপাতাল থেকে বলা হয় আমার মায়ের "স্ট্রোক প্যারালাইজড" হয়েছে ৫ বছর হয়নি, তাই আবেদন রিজেক্ট হয়েছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় এবং আশেপাশে অনেকেই যাদের ৩ মাস বা ৫ বছরের ক
হাতিরঝিল থানা প্রাক্তন ওসি — ও তেজগাঁও থানার প্রাক্তন এডিসি — মিথ্যা মামলা দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে।