বাইকের লাইসেন্স
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি। সব ওকে তবুও লাইসেন্স হয় না। টাকা দিলেই হবে যাবে। দেখি টাকা ছাড়া হয় কিনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি। সব ওকে তবুও লাইসেন্স হয় না। টাকা দিলেই হবে যাবে। দেখি টাকা ছাড়া হয় কিনা।
আমার নাম শুধু — / কিন্তু পাসপোর্ট এ কিন্তু দ্রুত নাম শেষ নাম দিতে হই আমি দ্রুত নাম এস.এম. আর শেষ নাম — দিয়াচি পুরন হয় গেলে আক জাইগা কোলে এসে তাই — না হয় —(—) এ রোকম হোয়েসে থেকে নাম a ta dekhale passport ofice polat a red color astece hobe na bole dice আমি বললাম একন আমার করোনিও কি সে এক কথা বলেতেসে এক মানুষ আসে পাশে তাই সে এক দুকান আর কথা বলে যে ওয় দুকান থেকে আবেদন ভালো লাগে আনো স্যার আর থেকে তাই কোরে আনো কোরে দিবানি আমি বুজতে পেরে ওই দুকান এ না যেয়ে অন্নো দুকান থেকে কোরে নে আয়চি আমার কাজ 100 টাকা আমি হয় গেসে oi dukan a gele amar minimum 1000 tk lagto pore sunlam ak jon ar kace amar sathe kotha bolar somoi aunno ak jon ar kaj kortacilo de
গত জুলাই ২০২৬ এ আমি কুমিল্লা বোর্ডে আমার জেএসসি এবং এসএসসির সার্টিফিকেটের নাম সংশোধনের আবেদন করি।সবকিছু আমি নিজেই অনলাইনে করি।সংশোধন এপ্রুভাল হওয়ার পর অনেক দিন সময় লাগছিলো কোনো আপডেট আসছিলো না।এমন অবস্থায় সার্টিফিকেট সংক্রান্ত ফেসবুক সাপোর্ট গ্রুপে আরও অনেকের পোস্ট দেখতে পাই এমন দেরি হওয়া আবার অনেকে কমেন্ট করছিলো সপ্তাহ খানেকের মাঝে পেয়ে গেছে।সেখান থেকে এক ভাইয়ের মাধ্যমে বোর্ডের এক কর্মকর্তার নাম্বার পাই।তার সাথে যোগাযোগ করলে সে জানায় ৩দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে ৬০০০ টাকা লাগবে।আমি পরে জানাবো বলে তার সাথে আর যোগাযোগ করি নি।প্রায় ২০/২৫ দিন পরে বোর্ড থেকে মেসেজ দিয়ে আমাকে সার্টিফিকেট আনতে বলা হয়।
৩ জনের নামে জমির নামজারি করতে হলে ৩৭ হাজার টাকা লাগবে! তাহলে ৩ দিলেই জমি নামজারি হয়ে যাবে। আর নিজে ১১৭০ টাকা ফিস দিয়ে আবেদন করলে,, সেগুলো ২-৩ মাস পরে কোন কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করে দেয়!
Uno office laksam তারা তাদের নিজেদের কর্মচারীদের টিএ বিল এবং পোশাক। বিল সহ অন্যান্য ভাতা কর্মচারীদের দেয় না বাজেট পাস করে ঠিক কিন্তু কর্মচারীদের হাতে ১০ টা কেউ পায় না এটার বিচার চাই 20/8/2026 আমার প্রশ্ন এখানে যেখানে উপজেলা প্রধান uno অফিসার উপজেলা প্রধান তিনি তার অফিসের কর্মচারীদের ভাতা দেয় না সেখানে না কেউ কি বালের সেবা পাবে
আমার একটা বিষয় তদন্ত ছিল সেই তদন্তে রিপোর্ট আবার পক্ষে করবে বলে টাকা চেয়েছিল।
ইনকাম ট্যাক্স অফিসে একটা এক্সপার্ট হেয়ারিং এর বর্ডার এসেসমেন্ট জন্য ফটোকপি চাইলে ১০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি বলছি দিবোনা পরে বলছে আপনি আমাদের কাছে আসতে হবে।
Demanded 10 percent from land acquisition compensation money, from namjari of land and land registration.
রিটার্নের সার্টিফাইড কপি তুলতে গেলে তারা স্প্রীড মানি হিসেবে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে কাজ বিলম্ব হবে বলে মেনশন করেন।
জন্ম নিবন্ধন এর অনলাইন এন্টির সময় তারা সামনের মোঃ পিছনের ইসলাম বাদ দিয়ে এন্টি করছে, এখন সংশোধনের আবেদন করলে নানা প্রক্রিয়া বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন, হোল্ডিং ট্যাক্স ইত্যাদি চাই। কিন্তু বলে কিছু খরচা দলে ওগুলো কিছুই লাগবে না।
আমি একজন প্রবাসি, এম্বাসিতে ও এত কষ্ট হয়না যতটুকু কষ্ট হচ্ছে নিজ শহর কিশোরগঞ্জে সেবা নিতে। পাসপোর্ট রিনিউ করতে এসে আমার এই পেপার অই পেপার্স এটা সেটা লাগবে সব কিছু দেয়ার পর বলে অর্জিনিয়াল লাগবে। এখন আমার NID অর্জিনিয়াল কপি নির্বাচন কমিশনে যদি থাকে আমিতো PDf কপিই দেখাতে হচ্ছে। আমার মেরিড স্টেটাস মেরিড দেখানোর জন্যে কাবিন নামা কপি দিয়েছি তারা সেটাও মানেনি, আবার পরিচালককে রিকোয়েস্ট করেছি তিনিও কাজটি করে দেয়নি। বাহিরে দালালরা বলতেছে ভাই ১৫০০ টাকা দিন কাজ হয়ে যাবে নো টেনশন এমন সমস্যা আমি নয় বহু লোকের সাথেই হচ্ছে মানুষজন কেউ সমস্যার প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা ঝামেলায় না ঝরিয়ে ১৫০০-২হাজার বড় সমস্যা ৫/১০/১৫/২০ হাজার পর্জন্ত গড়াচ্ছে ঘোষের ফাইল। আমার মত সেবাগ্রহীর সাথে আলাপ করে এমনটি জানা যায়।
সেবাটি ছিল: প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য সুবর্ণ কার্ড তৈরি করা। ঘটনা: আমি আমার প্রতিবন্ধী মায়ের জন্য সুবর্ণ কার্ডের আবেদন করতে সমাজসেবা অফিসে যাই। কথা বলার সময় একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন কার্ড করে দিতে ৩,০০০ টাকা লাগবে। তিনি বলেন টাকা দিলে আমাকে কিছুই করতে হবে না, উনারাই সব করে দিবেন। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে অস্বীকার করি। তখন তিনি বলেন "তাহলে আপনি চেষ্টা করতে পারেন"। পরে আমি সকল কাগজপত্র জমা দিলে আমাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয় মেডিকেল চেকআপের জন্য। হাসপাতালে আমার ফাইল দেখার পরে মেডিকেল অফিসার ওই কর্মকর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে এবং হাসপাতাল থেকে বলা হয় আমার মায়ের "স্ট্রোক প্যারালাইজড" হয়েছে ৫ বছর হয়নি, তাই আবেদন রিজেক্ট হয়েছে। কিন্তু আমাদের এলাকায় এবং আশেপাশে অনেকেই যাদের ৩ মাস বা ৫ বছরের ক
রাস্তায় দার করিয়ে কাগজ পত্র যাচাই করে সব ঠিক পেয়ে আমাকে পাসের দোকানে চা এর অফার করে আমি খেতে রাজি না হওয়ায় প্রথমে আমাকে বেয়াদব বলে। আমার বাবা পুলিশ ছিলেন বললে। তারা ৩ জন ছিলেন তারা বলেন বুঝেন না আমাদের কিছু খাওয়ান, আমি বলি নেন যা খুশি খান তখন তারা টাকা দাবি করে ৫০০০। আমি না দিলে আইন ভংগ করেছি মামলা হবে। তখন যে অফিসার ছিল আমাকে ডেকে নিয়ে বলে ৫০০ দিয়ে চলে যেতে। আমি জামেলা এড়াতে ৫০০ দিয়ে চলে আসি, রিসিট চাইলে মামলা দেয়ার ভয় দেয়। পরে অনেক কথা কাটা কাটির পর আমাকে একটা নিল কাহজের রিসিট দেয়।
রাজধানীর প্রতিটি ব্যত্যয়কৃত নির্মাণাধীন বিল্ডিং হতে রাজউকের ইমারত পরিদর্শকরা ক্ষেত্রবিশেষে ৫-৫০ লক্ষ টাকা ঘষ আদায় করে থাকেন মোবাইল কোর্ট বা উচ্ছেদের হাত থেকে উক্ত বিল্ডিংকে বাঁচানোর কথা বলে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এই পরিমাণ অর্থ যদি সরকার বৈধ জরিমানা হিসেবে আদায় করত তবে তাতে কমপক্ষে ২ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতো।
নিশিন্দারা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ৪ শতক জমির নামজারি করতে আমার আম্মুর কাছে ৩৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার আম্মু প্রত্যাখান করেছে। এখনো নামজারি হয়নি।
Amr ssc , birthday, jsc certificate a name vhul chilo Tara fast kore dite 10 k taka dabi kore . Pore Amar Abba ta deini .
চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আমার এলাকায় কাগজ যায়। ভেরিফিকেশনের জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে তখন। যার জন্য আমার বাবাকে বিরক্ত করা হয়। বাবাকে বলেছি ঘুষখোর পুলিশ যেন আমাকে কল দিয়ে টাকা চায়। যদিও আমার কাছে চাওয়ার সাহস পায়নি পরে।
সরকারী কর কমিশনার, — , সার্কেল ৫,বৈমানিক, আমার ট্যাক্স উকিলের মাধ্যমে ২লাখ টাকা চায়। আমি বলেছিলাম যা টাকা জরিমানা দেয়,ওটা আমি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিবো।এতে করে কর অফিসের এই লোক,তার ইন্সপেক্টর, এবং তাদের আরো দুই জন উধ্বোতন কতৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে ভয়ঙ্কর ভাবে ফাঁসিয়ে দেয়।পরে সবাই মিলে আমার কাছ থেকে নয় লাখ টাকা নিয়ে ঐ মামলা খারিজ করে। আমি আক্ষরিক অর্থেই কনদপ শূন্য হয়ে যাই।এটা ১৪/৫/২০২৪ এর ঘটনা।
নামজারি আবেদন করার পরে বল্ল আপনার খতিয়ান অবসিষ্ট জমি নেই, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি পরে ৬০০০০ হাজার অফার করে, আমি রাজি হয়নি, কিছুদিন পর তহশিলদার ৩০০০০ হাজারে করে দিবে বলে তাও দেয়নি টাকাও রিটার্ন না করে ৬ মাস পরে মারা গেছে, তবে কোন জমি ৮০০০ হাজার টাকা কমে খারিজ করা সম্ভব হয়নি
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর তসিলদারকে মোটা অংকের ঘুষ না দিলে লাখ টাকা খাজনার রসিদ ধরাই দেয়। আর মোটা অংকের ঘুষ দিলে সেটা মাত্র কয়েকশ টাকায় নেমে আসে। আমি এর ভুক্তভোগী।