অনলাইন নামজারি
নিশিন্দারা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ৪ শতক জমির নামজারি করতে আমার আম্মুর কাছে ৩৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার আম্মু প্রত্যাখান করেছে। এখনো নামজারি হয়নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিশিন্দারা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ৪ শতক জমির নামজারি করতে আমার আম্মুর কাছে ৩৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার আম্মু প্রত্যাখান করেছে। এখনো নামজারি হয়নি।
আমি একটা নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে চেয়েছিলাম, আমাকে বলেছে আবেদন করলে ৬-৭মাস লাগবে। কিন্তু ১০০০০ টাকা দিলে ১০ দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে।
আমি বর্তমানে রাঙাামাটিতে চাকুরী করি। পারিবারিক কারণে চট্টগ্রামে বদলী হতে চাই। চট্টগ্রামে পদ ফাঁকা থাকা সাপেক্ষেও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নানান আইন কানুন দেখায়। পরবর্তীতে আকারে ইঙ্গিতে আর্থিক লেনদেনের কথা বলেন। আমি সেটা দিতে রাজি হয়নি। পরে একই পদে অন্য একজনকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পদায়ন দেয়। সম্প্রতি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৩ কোটি টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রামের ডিসি হবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
আমাদের খতিয়ানের জায়গা, আমার দাদি মসজিদের নামে জায়গা দান করে মৃত্যু বরণ করেন।কিন্তু আমার ফুফুত ভাই এরা মসজিদে দান কবলা গোপন রেখে জায়গা বিক্রি করে।যারা জায়গা নিয়ে তারা এই জায়গা নামজারি খতিয়ান করে নেন।এই নামজারির বিরোধে আমি মিস মামলা করি।এসি ল্যান্ড এক তরফা শুনানি করেন।কিন্তু অফিস আদেশ করার জন্য নাজির কমপক্ষে ১৫-২০ হাজার টাকা খোজতেছে।টাকা না দেওয়া কারণে এখনও অফিস আদেশ করে নি। এই অফিসে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
Amr ssc , birthday, jsc certificate a name vhul chilo Tara fast kore dite 10 k taka dabi kore . Pore Amar Abba ta deini .
আমার সকল বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্তেও চর ফ্যাশন ভূমি অফিস থেকে আমাকে নামজারি করাতে পারিনি। সংশ্লিষ্ট অফিসে কাগজপত্র সহ দেখা করতে গেলে টেবিল খরচের টাকা বলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে। বিশেষ করে এসিল্যান্ডের ড্রাইভার — নামের ব্যাক্তির নিকট পুরো ভূমি অফিস জিম্মি।
At Sher e Bangla Agricultural University, a group of teacher panel claimed the amount for getting recruited there though I was the right candidate. I rejected and that's why didn't get the job.
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবী গত ৯ আগস্ট আমার তিন বছর চাকরির মেয়াদ হওয়ায় শ্রান্তি বিনোদন ভাতার প্রাপ্য হই।কিন্তু অফিসের প্রধান সহকারী আমার মত আরো পাঁচজনের কাছ থেকে জন প্রতি ২ হাজার টাকা দাবি করেন। তার দাবি বাজেট আনতে এক হাজার এবং অ্যাকাউন্টস অফিসে এক হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তার নাকি কোনো লাভ নাই।
শিবগঞ্জ থানার বিহার ভুমি অফিসে প্রতি নামজারিতে ২০০০০ টাকা থেকে ঘুষ দাবি শুরু।না দিলে কাজ হয় না।
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস এর সকল কর্মকর্তা ঘুষখোর
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
নামজারি সেবা ছিল আমি অনলাইনে আবেদন করি করার পর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয় উপজেলা ভূমি অফিস ওই প্রতিবেদন প্রেরণ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছে 20000 টাকা চেয়েছে এরপরে বলে বাকি কাজ আপনি করে নেবেন
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হওয়ার পর, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে পিয়ন বলে পছন্দের স্কুলে চাকরি করতে পারবো, দিতে হবে ৪০০০০ টাকা। পরে শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলি, উনি আরও কয়েকজন কে নিয়ে বসে, এবং বলে কোন স্কুল তোমাদের পছন্দ দেখ। বেশ কিছুতে দাগ দেওয়া ছিল বললো, এগুলো Already booking, বাকি যেগুলা আছে সেগুলো choice কর। অনেক বলাবলির পর ৩০০০০ হাজারে রাজি হল। এর আগের বছর এক ভাইয়ের চাকরি হয়েছিল, অনেক দূরে চর অঞ্চলে তার posting দেওয়ার সে কিছুদিন Absence ছিল, তারেও বলছে ২ লাখ দিলে সে চাকরি করতে পারবে নইলে তার নাম এ বিশাল মামলা হবে.. টাকাই যেন সব সমস্যার সমাধান
সরকারী কর কমিশনার, — , সার্কেল ৫,বৈমানিক, আমার ট্যাক্স উকিলের মাধ্যমে ২লাখ টাকা চায়। আমি বলেছিলাম যা টাকা জরিমানা দেয়,ওটা আমি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিবো।এতে করে কর অফিসের এই লোক,তার ইন্সপেক্টর, এবং তাদের আরো দুই জন উধ্বোতন কতৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে ভয়ঙ্কর ভাবে ফাঁসিয়ে দেয়।পরে সবাই মিলে আমার কাছ থেকে নয় লাখ টাকা নিয়ে ঐ মামলা খারিজ করে। আমি আক্ষরিক অর্থেই কনদপ শূন্য হয়ে যাই।এটা ১৪/৫/২০২৪ এর ঘটনা।
নামজারি আবেদন করার পরে বল্ল আপনার খতিয়ান অবসিষ্ট জমি নেই, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি পরে ৬০০০০ হাজার অফার করে, আমি রাজি হয়নি, কিছুদিন পর তহশিলদার ৩০০০০ হাজারে করে দিবে বলে তাও দেয়নি টাকাও রিটার্ন না করে ৬ মাস পরে মারা গেছে, তবে কোন জমি ৮০০০ হাজার টাকা কমে খারিজ করা সম্ভব হয়নি
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর তসিলদারকে মোটা অংকের ঘুষ না দিলে লাখ টাকা খাজনার রসিদ ধরাই দেয়। আর মোটা অংকের ঘুষ দিলে সেটা মাত্র কয়েকশ টাকায় নেমে আসে। আমি এর ভুক্তভোগী।
রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোনো সেবার জন্য গেলে সেখানে ঘুষ দিতে হয় নাহলে মুখ কালা করে বসে থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আকারে ইঙ্গিতে বোঝান যে দিলে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে। সহজ কাজ কে জটিল আকারে উপস্থাপন করে ঘুষ দিতে বাধ্য করান। অনেক সময় ঘুষ দিতে না চাইলে স্কুল/কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান কে কল দিয়ে দুজন মিলে যোগসাজশ করে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেন।
ফাইল সাইন করার জন্য পিওন, হিসাব রক্ষক কর্তৃক টাকা চাওয়া হয়। অফিস প্রধান টাকা খেতে না পেরে ফাইল ১ মাসেও সাইন করেনা!
জায়গা দখল তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার চট্টগ্রাম আদালত থেকে পটিয়া ভূমি অফিসে আদেশ করেন। পটিয়া ভূমি অফিস তা বুধপুরা ভূৃৃমি অফিসে রেপার করে।ভূমি অফিসের এক জন কমকর্তা আমার কাছে রিপোর্ট দিয়ার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে।দাবি না মানাই আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। ২ বছর পার হলে ও তদন্ত রিপোর্ট এখন ও দে নাই