পদায়ন
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
সরকারী কর কমিশনার, — , সার্কেল ৫,বৈমানিক, আমার ট্যাক্স উকিলের মাধ্যমে ২লাখ টাকা চায়। আমি বলেছিলাম যা টাকা জরিমানা দেয়,ওটা আমি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিবো।এতে করে কর অফিসের এই লোক,তার ইন্সপেক্টর, এবং তাদের আরো দুই জন উধ্বোতন কতৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে ভয়ঙ্কর ভাবে ফাঁসিয়ে দেয়।পরে সবাই মিলে আমার কাছ থেকে নয় লাখ টাকা নিয়ে ঐ মামলা খারিজ করে। আমি আক্ষরিক অর্থেই কনদপ শূন্য হয়ে যাই।এটা ১৪/৫/২০২৪ এর ঘটনা।
ফিংগার ও চোখের স্ক্যানের জন্য জন প্রতি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা নিয়েছে। যখন ছোট্ট কক্ষে ফিংগার নেওয়া হয় তখন ওখানের একজন থাকে যে টাকা চেয়ে নেয়।
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা
সংক্ষেপে : সাইপ্রাসে স্টুডেন্ট ভিসা পাই। ১ম ফ্লাইট টিকেট, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের কারনে বাতিল হয়।যার জন্য সাইপ্রাস সরকার ভিসা মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়।২৭/৪/২৬ দ্বিতীয় ফ্লাইট টিকেট , সব কাগজ সঠিক থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন অফিসার 'স্টাডি গ্যাপ বেশি ' এই কথা বলে যাইতে দেয় নাই।২৯/৪/২৬ তৃতীয় ফ্লাইট টিকেট , 'ব্লু পেপার ভিসা মেয়াদ শেষ'(যেটা যুদ্ধের কারণে বাড়ানো হইছিলো) এই কথা বলে বোর্ডিং পাস দেয় নাই। এজেন্সি আমাকে আগেই সতর্ক করেছিল যেন ঘুষ দিয়ে দেই।কিন্তু আমি ঘুষ দেই নাই।যখন ফ্লাইটের সময় খুব নিকটে, তখন (কাতার এয়ারলাইনসের) সিকিউরিটি এজেন্ট বলে, "ঘুষ ছাড়া পারলে যা, আমার কাছে প্রধানমন্ত্রীরও টাইম নাই।" এরপর তাদের অফিসে গিয়ে এবং মুঠোফোনে বহুবার যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তারা বিভ্রান্তিকর কথা-বার্তা বলে।
আমার ১২ টি ঠিকাদারি লাইসেন্স আছে কাজের জন্য ব্যাংক লোন করতে চেয়েছি।। ব্যাংকের কর্মকর্তারা শতকরা ৬.৫% করে ঘুষ চেয়েছেন।। ঘুষ চেয়েছেন ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এই হল অবস্থা তাতে আমার লাভ কি আমি এই সুদ ও আসল সব মাথায় নিয়ে ঘুরতে হবে।।
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এর তসিলদারকে মোটা অংকের ঘুষ না দিলে লাখ টাকা খাজনার রসিদ ধরাই দেয়। আর মোটা অংকের ঘুষ দিলে সেটা মাত্র কয়েকশ টাকায় নেমে আসে। আমি এর ভুক্তভোগী।
পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম রিজেক্ট করেছে পরবর্তীতে আনসার ছিল যার করে দেওয়ার করেছিল তো আমি আরো চার বার ঘোরার পরে আমি আমার পাসপোর্টটি রিনিউ করতে সক্ষম হয়েছিলাম টোটাল আমার প্রায় ৭ মতো পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছিল তাই ভুল দ্বিতীয় সপ্তাহে ভুল এই কাগজ নেই ওই কাগজ নেই এখান থেকে সংশোধন পরবর্তীতে আর সময় টিমের সাংবাদিক — তার পরিচয় দেওয়ার পরের দিন জমা নিয়েছেন।
রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে কোনো সেবার জন্য গেলে সেখানে ঘুষ দিতে হয় নাহলে মুখ কালা করে বসে থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আকারে ইঙ্গিতে বোঝান যে দিলে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে। সহজ কাজ কে জটিল আকারে উপস্থাপন করে ঘুষ দিতে বাধ্য করান। অনেক সময় ঘুষ দিতে না চাইলে স্কুল/কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান কে কল দিয়ে দুজন মিলে যোগসাজশ করে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেন।
ফাইল সাইন করার জন্য পিওন, হিসাব রক্ষক কর্তৃক টাকা চাওয়া হয়। অফিস প্রধান টাকা খেতে না পেরে ফাইল ১ মাসেও সাইন করেনা!
বদলী বিষয়ক। প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে প্রধান শিক্ষকদের (সহকারি ও প্রধান শিক্ষক) বদলীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে কেউ টাকা দিয়েছে অথবা রাজনৈতিক কোন নেতা /ডিপিও দিয়ে ফোন করিয়ে অন্যায়ভাবে সুবিধামত স্কুলে চাকরি করছে। কিন্তু একই নীতিমালার আলোকে একজন এই সুবিধা পেলেও অন্যরা পাচ্ছেনা।
আমি বর্তমানে রাঙাামাটিতে চাকুরী করি। পারিবারিক কারণে চট্টগ্রামে বদলী হতে চাই। চট্টগ্রামে পদ ফাঁকা থাকা সাপেক্ষেও দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা নানান আইন কানুন দেখায়। পরবর্তীতে আকারে ইঙ্গিতে আর্থিক লেনদেনের কথা বলেন। আমি সেটা দিতে রাজি হয়নি। পরে একই পদে অন্য একজনকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পদায়ন দেয়। সম্প্রতি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৩ কোটি টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রামের ডিসি হবার খবর ছড়িয়ে পড়ে।
ট্যাক্স এর ইনস্পেকটর অডিটে থাকা নথি ক্লিয়ার করে দেয়ার কথা বলে ২,০০,০০০/- চেয়েছিল
ইউ এন ওর কাছে বিচার দিছি লাভ হয়নি
At Sher e Bangla Agricultural University, a group of teacher panel claimed the amount for getting recruited there though I was the right candidate. I rejected and that's why didn't get the job.
নিশিন্দারা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ৪ শতক জমির নামজারি করতে আমার আম্মুর কাছে ৩৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার আম্মু প্রত্যাখান করেছে। এখনো নামজারি হয়নি।
সরকারি ফি ৪৭০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে না হয় বারবার পরীক্ষা দিলেও পাশ করানো হবে না৷
আমাদের এলাকা নারায়নগঞ্জ এর জালকুড়িতে।বর্তমানে আমাদের এখানে ভুমি জরিপ বিডিএস চলছে।সাধারন মানুষদের কে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘুষ চাচ্ছে।টাকা না দিলে সাধারন মানুষের কাগজ দিচ্ছে না বা অনেক দিন ঘুরিয়ে দিচ্ছে।আমাকে ও কাগজ দিচ্ছে না যদি কাগজের কথা বলি তাহলে তারা বন্ধের দিন তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলছে।তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে যে আমার কাগজ ঠিক নাই হেনতেন। জরিপ কর্মকর্তা আছে আর উনার ৪- ৫ জন সহযোগী আছে।এরা সবাই মিলে ঘুষের সাথে যুক্ত আছে।আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চাইছে আমি দেইনি বলে আমার কাগজ এখনো দিচ্ছেনা।
জমির জমা খারিজের জন্যে গিয়েছিলাম। দলিলে ও খতিয়ানে নানান সমস্যা আছে বলে ১০০০০ টাকা চাইলো সমস্যা সমাধান করে দিবে বলে। আমি রাজি হয়নি, প্রত্যাখ্যান করেছি।
বিল নিছি আমাকে এখন পর্যন্ত চাপ দিচ্ছে টাকা দেওয়ার জন্য না হলে ফাইনাল বিল দেবে না ডিসেম্বরে।