Driving Licence
সরকারি ফি ৪৭০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে না হয় বারবার পরীক্ষা দিলেও পাশ করানো হবে না৷
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি ফি ৪৭০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে না হয় বারবার পরীক্ষা দিলেও পাশ করানো হবে না৷
সরকারি অডিট দপ্তর একটি,সরকারি অফিসে অডিট আপত্তি না দেয়ার শর্তে ঘুষ চেয়েছে
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিচয় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (লেকচারার) নিয়োগের জন্য ১২ লাখ (120000) টাকা দাবি করে। সে বলেছিল আমার লিখিত এক্সামে পাশ করতে কিছু নাম্বার কম আছে। তাই টাকা দিলে পাশ করিয়ে ভাইভা বোর্ডে পাঠানো হবে। টাকার অর্ধেক ভাইভার আগে, বাকিটা নিয়োগের পর দিতে হবে। আমি তার প্রস্তাব এড়িয়ে যাই নিজের উপর আত্মবিশ্বাসের জোরে। কিন্তু আমার লিখিত এক্সামের রেজাল্ট ফেইল আসে।
মিউটেশন করে দিবে। াসতে হবে না।
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ
আমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি। লাইন লম্বা ছিল।আমাকে আনসার বলে ৫০০ টাকা দেন আমি কুইক ভিতর হতে নিয়ে আসব
Amader company tax audit e pore. Jothajoto documents deyar por o, DCT ke ghush na deyay Tini 184 Dharay koyek lakh taka tax dharzo koren. Bisoyta emn chilo Jodi amra DCT k Inspector ke and office ke kichu ghush ditam amader tax dharzo hoto na. Ashchorcher bisoy hocche sobar nirdisto rate ache.
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চেয়েছিলেন উপাচার্য।
একটা দরখাস্তের কাগজ জমা দিতে গিয়েছিলাম তো তখন টাকা চেয়েছে টাকা দিয়েছি, কিছুটা কম দিয়েছিলাম তাই খারাপ ব্যবহার করেছে।
বর্তমান যে অফিসার আছেন তিনি ঘুসঘোর। বয়স্তভাতা,বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা সহ নানান কাজে টাকা চাচ্ছে। টাকা না দিলে তিনি কাজ করেন না
আমাদের এলাকা নারায়নগঞ্জ এর জালকুড়িতে।বর্তমানে আমাদের এখানে ভুমি জরিপ বিডিএস চলছে।সাধারন মানুষদের কে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘুষ চাচ্ছে।টাকা না দিলে সাধারন মানুষের কাগজ দিচ্ছে না বা অনেক দিন ঘুরিয়ে দিচ্ছে।আমাকে ও কাগজ দিচ্ছে না যদি কাগজের কথা বলি তাহলে তারা বন্ধের দিন তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলছে।তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে যে আমার কাগজ ঠিক নাই হেনতেন। জরিপ কর্মকর্তা আছে আর উনার ৪- ৫ জন সহযোগী আছে।এরা সবাই মিলে ঘুষের সাথে যুক্ত আছে।আমার কাছে ১ লক্ষ টাকা চাইছে আমি দেইনি বলে আমার কাগজ এখনো দিচ্ছেনা।
তিনি ৩০০০০ হাজার টাকা শুধু ডেমো কাগজ তৈরির জন্য দাবি করেছিলেন
আমি একজন উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার, বর্তমানে দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতির পর ও আমার প্রতিষ্ঠান কালোতালিকাভুক্ত হওয়া থেকে বাচাতে লস হওয়া সত্তেও কাজ শেষ করি, কিন্তু বিলের উপর ২.৫% ঘুষ দাবি করে দীর্ঘদিন হয়রানি করছে।
২০১৬ সালে বন্দর সিকিউরিটি গার্ড এ আমি শারীরিক এবং মৌখিক এ উত্তির্ন হয়, চাকুরী নিশ্চিত করতে আমার কাছ থেকে ৬লাখ টাকা দাবি করে আমি দিতে পারিনি
NID CORRECTION আমার WIFE এর NID তে স্বামীর নাম এর বানান ভুল হয় যা আমার WIFE এর PASSPORT করার সময় ধরা পবে, আমি ONLINE সংশোধন করার জন্য সমস্ত পক্রীয়া সম্পন্ন করি। 1 মাস হতে চললো কোন sms আসে না, পরবতীতে লোক মারফত নারায়নগঞ্জ DC OFFICE এর পাশে যোগায়োগ করলে আমার কাছে প্রতি সংশোধন বাবদ 16000/- দাবি করে এবং বলে 1 দিনের ভিতর সংশোধন হবে, আরো বলে টাকা না দিলে 1 বছর এ ও কোন কাজ হবে না। এখন আমি কি করবো।
বসুন্ধরার ডি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটের নাম জারি করার জন্য ক্যান্টনমেন্ট ভূমি অফিসে আবেদন করি। সেখানে আমার কাছে নামজারি করার জন্য প্রথমে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তারপরে আমি দিতে অস্বীকার করে অপারগতা প্রকাশ করায় কমিয়ে 1 লাখ 20 হাজার টাকা বলেছে। আমি সেটাও প্রত্যাখ্যান করেছি। আমি এখন পর্যন্ত নামদারি করতে পারিনি
On May 19th, 2026 I applied at Halishohor BRTA for second hand car ownership transfer and received Acknowledgment copy same day. Its been more than 3 months now but I have still not received SMS from BRTA for givinf my finger print for new smart card under my name. I already visited BRTA more than 5 times in last 3 months and they cannot guarantee me when I might receive the SMS to provide fingerprint. I checked in many Facebook groups on the same issue, where many brokers are asking 1500-1800 taka to get the job done, but when I ask them what is the fee related to no one can give any firm answer.
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কিছু দিনের মধেই শেষ হবে। আমি নবায়ন এবং মেটরযান সংযোজনের বিষয় নিয়ে আলাপ করার পরে আমাকে দালাল ধরিয়ে দেয় বিআরটিএর লোক। ২০০০০ টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে আমি রাজি না হলে বলে টাকা না দিলে শরীয়তপুর বিআরটিএ থেকে কোন লাইসেন্স বের হয়না। তারপর আমি কথা না বাড়িয়ে চলে আসি। কিছুদিন আগে আমার বন্ধু নতুন লাইসেন্স করেছে, ওর মতে সুধু বিআরটিএ না, সাথে যেই মাজিস্ট্রেট এবং ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ ভাইবা বোর্ডে ছিলো তারা সবাই এই সিন্ডিকেটের সাথে জরিত। শরিয়তপুর বিআরটিএ নিয়ে প্লিজ কিছু করেন
থানায় অভিযোগ দিতে গেলে জানানো ৩০০০০ টাকা দিলে তারা সহযোগিতা করতে পারবে
বিল নিছি আমাকে এখন পর্যন্ত চাপ দিচ্ছে টাকা দেওয়ার জন্য না হলে ফাইনাল বিল দেবে না ডিসেম্বরে।