নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে টাকা দিতে দিতে পকেট খালি হয়েছে। সরকার ও স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়নি। যার কারনে এ এসআইরা নিজের মতো ব্যখ্যা দিয়ে মানুষের পকেট কাটছে। অথচ শুধু পাসপোর্ট দেখে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়ার কথা। অথচ বলে ওয়ার্ড কাউন্সিলের প্রত্যায়ন ঢাকার টা দিলে হবে না। এলাকার টাও দিতে হবে। জন্ম নিবন্ধন বর্তমান ঠিকানায় হতে হবে। সরাসরি না দেখা করলে ডিক্লাইন করে দিবে। মানে যেখানে যেভাবে পকেটে হাত দেয়া যায়।
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস এ গেলেই আপনার তথ্যের সমস্যার শেষ নেই । তবে সামনের গেট এ দাঁড়িয়ে থাকা বিসিএস ক্যাডার মানে আনসার গুলো কে ২হাজার টাকা দিলে সব তথ্য সঠিক হয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মধ্যে এই আনসার গুলো আপনাকে ডাকবে তারপর সমস্যা সমাধান করে দিবে । ঘুষের পরিমাণ ২ হাজার থেকে শুরু । যার যত বড় সমস্যা তার অঙ্কটা বেশি । ধন্যবাদ বিসিএস ক্যাডার আনসার ভাই ।
Under DG shipping they conduct COC class 1/2/3 exams. And these exams written question and oral both can be clear by paying a huge money. To clear oral exam its required 2 lac and more for COC-3 and for written question it required about 4-5 lac WHICH VERY RANK WISE.
পাসপোর্ট এর বাইরে থাকা লোকের মাধ্যমে এবং অনেকগুলো এজেন্সি যারা পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করে এরা দাবি করেছিল
একজন শিক্ষক যত টাকা কল্যাণ ও পেনশন এ পাবে তার ৫% দেওয়া লাগবে ঘুষ হিসেবে। ওখানে অনেক জট এজন্য টাকা দিলে আগে টাকা পাবেন। না দিলে অপেক্ষা করতে হবে যেটা ৪-৫ বছর।
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
আমার এনআইডির জন্য নাগরিক সনদ ও খারিজের কাগজ ছিলো না এর জন্য আমার কাছে 20000(বিশ হাজার) টাকা চেয়েছে
ইউনিয়ন পরিষদে কাজ করাতে গিয়ে তাদের থেকে এই ঘুষ এর দাবি পেয়েছি
প্রতি জিপিএফ একাউন্ট চালু করতে ৫০০০ টাকা প্রদান করতে হয় একাউন্টেন্টকে। যা পূর্বের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জড়িত ছিলেন
গাড়ির কাগজ হারিয়ে গিয়েছিল
কাগজ সব অনলাইন ভেরিফাই করা তারপরও আবেদন গ্রহণ করেনি, বলা হয়েছে অনলাইন ভেরিফাই কপি হলে হবে না, অরিজিনাল কপি লাগবে।
মেয়ে কে এক ছেলে জিলা স্কুল থেকে নিয়ে যায়, প্রথমে পুলিশ এবং পরে কোর্ট এর মাধ্যমে ডিবির শরণাপন্ন হলে তারা লোকেশন বের করে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে, অগ্রিম পরিশোধ করলে তারা মেয়ে উদ্ধার করে দিবে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ও সংশোধনের জন্য গেলে অযথা ৩ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৬,৫০০ টাকা ঘুষ ক্যালকুলেটরে দেখিয়ে নগদ পরিশোধ করতে বলে মহাখালী-৩ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা। যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখানে উনার আরো সহযোগী যিনি আরো বড় মাপের ঘুষখোর। উনাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি, তদন্ত স্বাপেক্ষে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করার আহবান জানাচ্ছি।
আমার গাড়ীর কাগজ হারায় গেছে, উঠাতে গেলাম, বল্লো যে হবে না, আমি জিডি করে নিয়ে গেছি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স ও নিয়ে গেছি,বলছে যে তাও হবে না, পরে বলছে ভাই ৩০০০ হাজার টাকা দেন করে দিচ্ছি, পরে রিকোয়েস্ট করে ২৭০০ দিয়ে করে নিয়ে আসছি
I thought I required a character certificate to apply for police clearance certificate at that time, I went to the Ward Councilor Office, I currently reside in Bashundhara, but for temporary relocation, the ward councilor office was moved to Dhaka North City Corporation, Zone-3 (Mohakhali). I went there, firstly they were adamant about not giving me the character certificate because my land lord did not pay the the yearly fees to rajuk. And they told me, they were told not to assist any tenants coming from Bashundhara as they cannot hold Bashundhara R/A owners accountable for this fee. So I requested if there was any other way. Then, they asked for a bribe of BDT 5,000. I refused and left.
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দাবি করেছে,এবং তা বিকাশের মাধ্যমে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেছে৷ পরে আমি আর করিনি
পাথরঘাটা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে(অফিস রেয়াজুদ্দীন বাজার) প্রধান প্রকৌশলী ও ডিভিশণাল প্রকৌশলীরা মিলে হরিলুট করছে জনগণের। টাকা দাবি করেছে ১লাখ টাকা তাদের অথরাইজ কিছু এজেন্ট(—, —) আছে তাদের মাধ্যমে। তারা এমনভাবে কথা বলবে তারা ১টাকাও নেয় না। কিন্তু বাস্তবতা হল প্রধান প্রকৌশলী একটু হাই লেভেলের কাজ করার জন্য ৫০হাজার-৩লাখ এর নিচে কোন কাজে হাত দেয় না।
নরসিংদী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাধারন মানুষ পাসপোর্ট করতে গেলে হয়রানি করে, যত কাগজ লাগে সবকিছু সঠিক নিয়ে গেলেও অনেক ধরনের অযৌক্তিক কারন দেখিয়ে এই ভুল, সেই ভুল। কত ধরনের ভুল যে আছে। তো ভুল ধরে আর বলে বাইরে থেকে বা কম্পিউটার দোকান থেকে ঠিক করে নিয়ে আসেন। অফিসের বাইরে, যতগুলা দোকান আছে সবগুলাই এই ঘুষখোরদের সাথে জড়িত। দোকানে গিয়ে যদি বলে ভাই এই সমস্যা এইটা কি করা যায়, ইভেন দোকানে যাওয়াও লাগে না৷ গেইট দিয়ে যখন বের হবে দালাল রা এসে আপনাকেই বলবে কি সমস্যা বলেন সমাধান করে দেই৷ পরে তাদের নিজেদের দোকানে নিয়ে গিয়ে, কাগজে কিছু লিখে দেয়, অথবা তাদের যেই কাগজ দেওয়ার কথা সেই কাগজ এইটার সাথে যুক্ত করে দেয়। তখন আবারও গেলে শুধু NID ফটোকপি হলেই হয় অতিরিক্ত কোনো কাগজ লাগে না হয়ে যায়। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১৭০০লাগে
কারমাইকেল কলেজ রংপুরের সবচেয়ে প্রাচীন ও সুনামধন্য কলেজ হলেও এর ভিতরে চলে রমরমা দুর্নীতির ব্যবসা। কলেজের 12th এর টেস্টের পর অকৃতকার্য ছাত্রদের টাকার (১০০০০) বিনিময়ে এডমিট কার্ড প্রদান করে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে । এছাড়াও বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নানান অনিয়মের আতুরঘর। দুর্নীতির অপর নাম ই যেন কারমাইকেল