নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতা হলো, মনে হলো অফিসে পাসপোর্টের চেয়ে টাকারই বেশি মূল্য! নিজে গেলে একটার পর একটা ভুল ধরা হয়, ফাইল আটকে থাকে দিনের পর দিন। কিন্তু দালালের হাতে টাকা তুলে দিতেই সেই ভুলগুলো হাওয়া—ফাইল সরাসরি অফিসারের টেবিলে, কাজও দ্রুত শেষ! তখন বুঝলাম, সাধারণ মানুষের জন্য লাইন, আর টাকার জন্য শর্টকাট!
they are telling my papers have problem all page are not included then computer man ask for his expense for this service , first time i didn't pay (demand was 3000) anything then the reject my application , then 2nd time i pay the computer man,
নতুন লাইসেন্স করার জন্য
আমার বিয়ের কাবিননামা সম্পূর্ণ ফ্রি পরিশোধ করা হয়েছে এটা রশিদ আমার কাছে আছে। আমার এবং আমার স্ত্রীর উচ্চ শিক্ষার জন্য ডেনমার্কে আবেদন করি। স্পাউচ হিসেবে আমার আবেদল করা লাগে সেজন্য পাসপোর্ট বা অন্য অন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করতে আমাদের কাবিননামা রেজিস্ট্রার কপি প্রয়োজন পরে। সেজন্য আমাদের বিয়ের কাজীর শরণাপন্ন হয়। সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা এবং বউ খুঁজার বাবদ ১০ টাকা ফ্রি হওয়া স্বত্তেও সে আমার কাছে ৩০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং এটা দিতে হবে নয়তো সে দিবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি দিতে রাজি না হওয়ার সে পরে আমাকে উক্ত কাবিননামা টি দেয়নি।
শেরপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতিতে আমরা ৯ জন ডিমস সিকোরিটি সাভিস এর লোক চুক্তি ভিওিক আছি আমাদের আগষ্ট মাসে ৩ বছরের মেয়াদ শেষ হবে। এখন চুক্তি টি সেনা কল্যাণ এর কাছে চলে গেছে। অনেক জায়গায় সেনা কল্যান অভিজ্ঞ ও আগের লোকজন থাকলে ৫ হাজার টাকা জামানত নিয়ে আবার তাদেরকেয় অগ্রাধিকার দেয়। সে ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে আমাদের একটা অভিজ্ঞতা সনদ দিবে যেটা সেনা কল্যাণ তহবিলের দিলে অথবা অফিস থেকে আমাদের জন্য সুপারিশ করলে আমাদেরকেই রাখবে। কিন্তু অফিসের জি এস স্যার এই সুপারিশের জন্য আমাদের ৯ জনের কাছ থেকে ৫ লক্ষ্য ৪০ হাজার টাকা ঘুষ বাবদ চাইতেছে যদি আমরা না দেই তাহলে আমাদের জায়গায় আমাদের পরিবর্তে অন্য লোক তিনি দিয়ে দিবে টাকা নিয়ে। অথচ তিন বছর থেকে আমরা এখানে কর্ম করতেছি।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকেছিলো,সেখানে আমার বিস্তারিত জানার পরও কর্তব্যরত ডিএসবি অফিসার শেষ মুহূর্তে ঘুষ চেয়ে বসে । কিন্ত আমি দিতে রাজি হইনি ।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য বেশি টাকা দাবি করেছিল
যে কোনো মানুষ ভূমি অফিসে গেলে নায়েবের কাছে একটা সোজা দলিল নিয়ে গেলে নায়েব ৫০০০ টাকার নিচে কাজ হাতে নেয়না। এবং কি অত্র মাহমুদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, উপজেলাঃ মেলান্দহ, জেলাঃ জামালপুর। এ অত্র ভূমি অফিসে ১০ থেকে ১৫জনের বেশি দালাল দাড়াইয়া থাকে তারা মানুষকে হয়রানির শিকার করে এবং ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে একটা খারিজের জন্য। সেই দালালের সাথে নায়েবের অনেক ঘনিষ্ট সম্পর্ক এসব কেন থাকবে। আর যে পিয়ন সেও ঘোষখোর সে হোল্ডিংয়ে জমি এন্ট্রি করতে জন প্রতি ১০০ টাকা করে নেয়। এবং দালালদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। দালালগণ (১) মাহমুদপুর কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা
প্রতিকেজি রপ্তানি বাবদ ৪ টাকা ঘুষ লোকাল গারমেন্টস
আমি নিজে আমার গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য গিয়েছিলাম তখন ঝিনাইদহ বিআরটিএর এডি আমার কাছে ডিরেক্ট বলে যে এই ফাইলে ৪ হাজার টাকা লাগবে। তাই আমি ফাইল নিয়ে চলে এসেছি।
নামজারির জন্য টাকা লাগে ১১৫০ তারা চাচ্ছে ১৫০০০ টাকা আমি না বলে দিয়েছি
আমাদের একটি জমির ওপর মিস কেইস করা হলে আমরা আমাদের পক্ষে রায় পাই প্রায় ১৫ দিন আগে। সেই রায়ের কপিতে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর দরকার। তারজন্য আমাদের কাছে এখন এই টাকা চাচ্ছে সেখানকার সার্ভেয়ার।
First Name & Last Name এর মাঝখানে কোন স্পেস ছিল না, জাস্ট একটা স্পেস দিবে এইজন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছিল, পরে তাকে দিয়ে করাইনি, অনেকদিন ঝুলে থাকার পর কি করব আরেকজন কে দিয়ে করাইছি ৫ হাজার
একটা জমির পুরনো নামজারী মামলার নথি দরকার ছিল। প্রথমে সব সরকারি নীতি মোতাবেক আগালে এক সপ্তাহেও পাওয়া যাচ্ছিলনা। পরে একজন পিয়ন জানায় সে কাজটা করে দিবে স্যারের জন্য চা পানি সহ দুই থেকে ২৫০০ টাকা খরচ দিতে হবে!
আমি অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার আবেদন করেছি! আবেদন সমন্বয় করতে আমার কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছে! আমি এটা প্রত্যাখ্যান করে আমি সমন্বয় না করে চলে আসছি! পরবর্তীতে দেখি আমি তাদের দাবি না মানায় অনলাইন আবেদন বাতিল করে দিয়েছে! ঠিকানা লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম!
পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের আনসারদের সাথে ঘুষের বিনিময়ে চুক্তি করে নিলে, মরা মাইনষেরও পাসপোর্ট করা যায়। মামলা নিষ্পত্তির কাগজ মূলকপি দেখানোর পরেও, থানার অনুমোদন লাগবে, জেলা প্রশাসকের অনুমোদন লাগবে ব্লা ব্লা... আমি স্ট্রেইট বলে দিছিলাম প্রতিদিন ২০০-৩০০ খরচ করে প্রতিদিন আসবো, তাও আমি ১ টাকাও ঘুষ দিব না। এবং পরেরদিন সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেই। তারপর বাসায় এসে বিকেলে পাসপোর্ট অফিসের মেসেজ পাই। পরেরদিন ঘুষ ছাড়াই পাসপোর্ট পেয়েছিলাম। ওদিকে আমার সামনে আমার এলাকার এক ছেলে ৩ হাজার ঘুষ দিছিল। তাকে অফিস থেকে ৩ দিন পর যেতে বলেছিল, কিন্তু ছেলেটি সেদিনই নিতে চাইছিল। পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভুলেও তাড়া দেখাবেন নাহ। তাহলে পাসপোর্ট অফিসের সবকিছু থেমে যাবে ৩-৪ দিনের জন্য।
নামের বানান সংশোধন করার জন্য ফাইল জমা দিলাম তিন মাস হলো এখনো কাজ হলো না। এখন প্রতি ফাইলে দশ হাজার করে ঘুষ চায়
রেস্টোরেন্টে নতুন ৩ ফেইজ লাইন নেওয়ার জন্য পিডিবি এক্সেন এর সাথে যোগাযোগ করে আবেদন করা হয়। উনি প্রাথমিক ভাবে ৫ লাখ দিতে বলেন। পরে একটু কমানোর জন্য রিকোয়েস্ট করা হলে এক্সেন সাহেব ফিল্ড ভিজিটে এসে সাত লক্ষ টাকা দাবি করেন। এত টাকা না থাকায় সোলার লাইন লাগানো হয়। পরবর্তীতে সোলার সিস্টেম এড করায় উনি নরমাল কানেকশনের দিতে অপারগতা করেন। একটা নরমাল সিঙ্গেল ফেইজের লাইনের জন্য সাত লাখ টাকা দিতে হবে। যদিও সব ইলেক্ট্রিকাল সাপ্লায় লাইন ঐ রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত আছে।
Ami Online e Application kore ,sokol documents niye jai , jawar por amake boltece , Amr NID online e ney , Ekhon Amr NID jodi Online e Nh thake tahole Ami Application kibabe korlam , Tarpor Bahirer ek computer Dukan theke 2500 tka dilam oni amr application copy diye i finger niye niyeche , Thaole ki ei 2500 tka e ki NID online copy.
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বন্দর কিংবা ICD-তে কাজ করেন এমন আমদানি ও রপ্তানিকারকরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কাস্টমসের কার্যক্রমে কী পরিমাণ হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে বড় অভিযোগগুলোর একটি হলো, অনেক কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া ফাইল বা পণ্য সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা দেখান। নানা অজুহাতে কাগজপত্র আটকে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করা কিংবা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এরপর দ্রুত কাজ শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রপ্তানিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। অথচ একজন রপ্তানিকারককে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ করতে গিয়ে যদি কাস্টমসের অনিয়ম ও ঘুষের কাছে জিম্মি হতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জাহাজের নির্ধারিত সময় চলে গেলে ডেমারেজ ও