নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বন্দর কিংবা ICD-তে কাজ করেন এমন আমদানি ও রপ্তানিকারকরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কাস্টমসের কার্যক্রমে কী পরিমাণ হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে বড় অভিযোগগুলোর একটি হলো, অনেক কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া ফাইল বা পণ্য সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা দেখান। নানা অজুহাতে কাগজপত্র আটকে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করা কিংবা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এরপর দ্রুত কাজ শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রপ্তানিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। অথচ একজন রপ্তানিকারককে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ করতে গিয়ে যদি কাস্টমসের অনিয়ম ও ঘুষের কাছে জিম্মি হতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জাহাজের নির্ধারিত সময় চলে গেলে ডেমারেজ ও
যতগুলো শুরুম আছে সবাই ভ্যাট ফাকি দিয়ে অফিসার কে ঘুস দেয় যে খানে সরকার ভ্যাট পাবে ৪ লাখ সেটা ২০ হাজারে মিটানো হয়
আমি নামজারির জন্য ভূমি অফিসে গেলে আমার আবেদিত খতিয়ানের অনলাইনে জমি কম এন্ট্রি আছে মর্মে আমাকে জানানো হয়। আমাকে বলা হয় ডিসি অফিসের রেকর্ডরুমে যোগাযোগ করার জন্য। আমি অফিস থেকে চলে আসার সময় একজন ব্যক্তি আমাকে বলে সে কাজটি করে দিতে পারবে এবং সে একজন সাংবাদিক হিসেবে আমাকে পরিচয় দেয়। সে বলে টাকা দিলে কোথাও যেতে হবে না, সে নিজেই কাজটি করে দিবে। সে আমাকে একটি আইডি কার্ড দেখায়।
A cancer patient of my village (Sadar, Noakhali) went to Dhaka medical for cancer in respiratory tract infection (RTI). They asked for 30 lac Ghush but the boy so needy, day laborer. He said in mind & to his elder brother, he will take treatment of Homeopathy. Homeopathy medicine is low priced. So, he backed from Dhaka. After one day of returning from Dhaka, he started to feel serious ill. His bother tried to take him to Maijdee, Sadar hospital but before arriving in Hospital he has died, Alas! dyeing date 19/08/26.
আমার নাম এবং আমার মায়ের নাম ও আমার জন্মতারিখ মুল NID কার্ডের সাথে পাসপোর্টের সাথে মিল ছিলনা,তাই রিনিউ করতে আসি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েছিলাম এবং পাসপোর্ট অফিস থেকে যে সমস্ত ডকুমেন্টস চাইছে সব জমা দিয়েছি, শেষে চাইছে এস এস সি সার্টিফিকেটর মুল কপি দিতে হবে। অথচ আমাকে তারা একবারে বলেনি কি কি লাগবে,এই নিয়ে আমি দুইদিন গিয়েছি,একবার একটা বলে। পরবর্তীতে আমি বের হয়ে পাসপোর্ট অফিসের সামনে গেলাম,সেখানকার কম্পিউটার দোকানদার দের সাথে কথা বললাম,তারা আমাকে একটা লিস্ট দেখায় কোন ভুলে সংশোধন করতে কত টাকা লাগবে,তারা বললো এটা এই রেটগুলো পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা দিয়েছে, যেমন নাম সংশোধন ১৫০০টাকা, বাবার নাম ও মায়ের নাম সহ হলে ২০০০৳, আর নিজের নাম মা বাবার নাম ও জন্মতারিখ সহ সংশোধন করলে ৩৫০০/৪০০০৳.
আমার গ ক্যাটেগরি আবেদন টি তদন্ত না করেই বাতিল করে দিবে বলেছে যেখানে সকল কাগজ সঠিক দিয়েছি কত কাগজ কষ্ট করে দিয়েছি। এখন নাকি সবারই একই অবস্থা কারও গ ক্যাটাগরি আবেদন যাচাই না করেই বাদ করে দেয় টাকা দিলে হবে
সেবা পাইনি সেবা পাইনি
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের হেড অফিসে আমার ঠিকাদারি কোম্পানির একটি তথ্য জানার জন্য অফিস সহকারী ১০,০০০ টাকা দাবি করে।
আমি অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, এই অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। দুইটি বিদ্যুৎ মিটারের জন্য দুইবার আবেদন করার পরও প্রতিবারই ৮,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে, যা তারা "চা-খাওয়ার খরচ" বলে উল্লেখ করেছে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় আজ পর্যন্ত আমার মিটার সংযোগ দেওয়া হয়নি। এর আগেও অভিযোগ করেছিলাম, কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে বর্তমানে বিডিএস জরিপ চলছে। অভিযোগ রয়েছে, জরিপে অনেক জমিকে অযথা জটিলতাপূর্ণ দেখানো এবং দলিল ও নামজারির তুলনায় জমির পরিমাণ কম দেখানো হচ্ছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, দালালের মাধ্যমে কাগজপত্র জমা দিলে কাজ সহজ হয়, অথচ সাধারণ মানুষ নিজে কাগজ জমা দিলে নানা ত্রুটি দেখিয়ে হয়রানি ও অনৈতিক সুবিধা দাবি করা হয়। আমার নিজের জমির ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি। দলিল ও নামজারি অনুযায়ী জমির যথাযথ প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও জরিপের নকশা ও রেকর্ডে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়েছে, যা এখনও বিবাদমান ও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
চাকরির জন্য নাকি চা-পানি খাওয়ার জন্য ১৫-২০ লাখ লাগবে। তাহলে আর কিছু প্রয়োজন নেই। সরাসরি চাকরিতে জয়েন 😌
অনলাইনে আবেদন করে আমি নিজে জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে থাকা দালাল চক্র সাহায্য করতে চাইলে আমি তাদের ফিরিয়ে দিই। তারা তখন চ্যালেঞ্জ করে বলে, তাদের ছাড়া আমি কোনোভাবেই পাসপোর্ট করতে পারব না। ভেতরে ফাইল জমা দিতে গেলে কর্মকর্তা অযৌক্তিকভাবে আমার বাবা-মায়ের 'অরিজিনাল' এনআইডি কার্ড দাবি করেন এবং ফাইল আটকে দেন। নিরুপায় হয়ে বাইরে এসে ওই দালালদের ২,০০০ টাকা দিই। এরপর মুহূর্তেই সব বদলে যায়! পুনরায় ভেতরে গেলে কোনো ডকুমেন্টের কথা না তুলে, শুধু নাম জিজ্ঞেস করেই আমার কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হয়। পরে দালালদের কাছে জানতে পারি, অফিসটি নাকি স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নিয়ন্ত্রণে চলে। তাদের ফোন বা ইশারা ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো কাজই সেখানে হয় না। একটি সরকারি অফিসে এমন প্রকাশ্য সিন্ডিকেট ও দুর্নীত
পল্লী বিদ্যুতে চাকরির জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা দাবি করেন। চাকরির আশায় পরিবারের গরু বিক্রি করে তাকে ৮০,০০০ টাকা দিই। পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে আরও ৩৫,০০০ টাকা নেন। মোট ১,১৫,০০০ টাকা নেওয়ার পর এখন তিনি বলছেন, আমার কাগজপত্রে সমস্যা ছিল। আমার কাছে ফোনে কথোপকথনের রেকর্ড এবং এলাকার সাক্ষী রয়েছে।
আমরা ৩ জন কনস্টেবল ও ১ জন এস আই মিলে রাস্তায় নিয়মিত চেকপোস্ট এ ডিউটি করতেছিলাম। একটা সি এন জি তে চেক করে আমরা ১,০০০ পিছ ইয়াবা পাই। ১,১৬,০০০ টাকায় এস আই মাদক কারবারি কে ছেড়ে দেয় এবং আমাদের কে নিষেধ করে ওসি স্যার কে না জানাতে। বিনিময়ে জনপ্রতি ২৫০ পিছ করে ইয়াবা অথবা সমপরিমান টাকা দেওয়ার কথা দেয়। কথা অনুযায়ি জন প্রতি ৬২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ২ দিন পর শুধু মাত্র ৪০,০০০ টাকা দেন তিন জনকে। মানে জনপ্রতি ১৩,০০০ টাকা। আমি এই টাকা নিতে না চাইলে এবং ওসি স্যার কে বলে দেওয়ার কথা বললে ওনি কিছুটা নমনিয় হন কিন্তু বাকি দুই জনকে ৪০,০০০ দিয়ে দেন এবং আমাকে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু ৫ দিন এর ভিতর আমার নতুন করে বদলির আদেশ আসে খাগড়াছড়ি যেখানে আমি মাত্র ২৭ দিন আগে সোনারগাও বদলি হয়ে আসছিলাম ।।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কথা বলা হয়েছে। মোটরসাইকেল ড্রাইভিংয়ের জন্য দাবিকৃত টাকা ৯৫০০৳ লাইট লাইসেন্স করিয়ে দিবেন বলে ১১০০০৳ টাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
খসরা খতিয়ান করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হয়রানি
চাকুরি স্থায়ীকরন ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য টাকা চাওয়াহয়েছে। সরকারি আলাওল কলেজ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
আমার কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি/
মানহানির একটা মামলা করেছিলাম সব কিছুর প্রমাণ দেওয়ার পরও পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকার দাবী করে । কিন্তু আমি না দেওয়ার কারণে আমার মামলা টা ভুল করে দেওয়া হইসে। এ মামলা ভুল প্রমাণিত হওয়ায় পরে যে ব্যক্তি আমার মানহানি করলো সে যদি চায় উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারবে যা অনেক দুঃখ জনক। শুধু তাই নয় আদালত এর প্রত্যেকটা জায়গায় এরকম হয় একবারে পেশকার থেকে শুরু করে যেমন - ১ বার একটা কাগজ দিতেই লেগে গেছে ১০০০ টাকা শুধু তাই না আরও অনেক কে দেওয়া লাগসে অনেক বার করে। এই পর্যন্ত আমার ২ লক্ষ টাকার বেশি চলে গেছে এইটার পিসনে আমার ধারা আর কুলানো সম্ভব না হওয়ায় আমার মামলা টা হলোই না উল্টো আমি যুক্ষিতে পরে গেলাম ।। বাংলাদেশের করাপশন মুক্ত বাংলাদেশ হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য ।।
২০১৯ সালে আমি নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম, আমি ঘুষ এর পক্ষে কখনই ছিলাম না এবং থাকবোও না, তাই নিজেই সব কিছু করার সিদ্ধান্ত নেই। লার্নার কার্ড নিজেই করেছিলাম, কিন্তু বিপাকে পড়লাম মেইন লাইসেন্স করার সময়, BRTA তে কর্মরত যিনি আছেন, তিনি নিজেই ঘুষ দাবী করলেন ৬০০০ টাকা চেয়ে বসলেন সব খরচ সহ। তার মানে, ৩৩৪০ টাকা খরচ (২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী), আর বাকীটা ঘুষ। পরে আর লাইসেন্স করা হয় নি। এখন ২০২৬ সাল এ এসে আবার লাইসেন্স করতে দিয়েছি। আমার পরীক্ষা ১৭ আগস্ট ২০২৬। দোয়া করবেন যেন, ঘুষ ছাড়াই পরীক্ষায় পাস করতে পারি।