বিদ্যুত মিটার
মিটার আবেদন করলে তারা ৪০০০ টাকা ছাড়া কাজ হবেনা জানায়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে এখন পর্যন্ত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিটার আবেদন করলে তারা ৪০০০ টাকা ছাড়া কাজ হবেনা জানায়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে এখন পর্যন্ত
আমার মায়ের NID এর কিছু ডিটেইলস ঠিক করার জন্য গিয়েছিলাম। গুলশান ব্রাঞ্চ এর জাতীয় নির্বাচন অফিসে। — নামের একজন বললো ১৫০০০ টাকার কমে পারবে না করে দিতে। নাহলে কাজ হবে না/ কয়েক বছর আটকে থাকবে।
কাস্টমস অ্যাসিস্ট্যান্ট রেভিনিউ অফিসার — ও — ,সেকশন ১ বি বর্তমানে, তাহাদের কাছে ফাইল নিয়ে গেলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে, শুল্কায়নে সময়ক্ষেপণ করে ও অযোক্তিক কাস্টমস আইন দেখায়, যে যুক্তি সরকারের রাজস্ব আহরণে ভূমিকা রাখেনা, শুধু ঘুষের রেট বাড়ায় , এতে নিরুপায় হয়ে সি এন্ড এফ ও আমদানিকার ডেমারেজের কথা চিন্তা করে ঘুষ দিয়ে পণ্য খালাস করে ।
বিভিন্ন কলকারখানায় শ্রমিকদের দাবিদাওয়া আদায়ের জন্য শ্রমিক সংগঠন বা ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করার বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইনে আছে। এক্ষেত্রে মালিক পক্ষ বাধা দেয়। আর সরকারের শ্রম অধিদপ্তরের অসাধু কর্মকর্তারা টাকার বিনিময়ে ট্রেড ইউনিয়ন রেজিষ্ট্রেশন প্রত্যাখ্যান করে থাকে। গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে এই রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের জন্য ঢাকা বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর অফিসের এক কর্মকর্তা ২ লাখ টাকা দাবী করছেন। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।
বাইক রেজিঃ করতে গেলে বিভিন্ন ঝামেলা দেখায়া বলছে এটা সরকারী ফিরে দিতেই হবে। পড়ে আমি রিসিপট চেয়েছি। পরে আর দেয়নাই। উর্ধতন কর্মকর্তাকে বিচার দিয়েছিলাম
আমার দুই সন্তানের পাসপোর্ট বানাতে অনলাইনএ আবেদন করি । কিছু জটিলতার কারণে আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট নবায়ন করতে দালাল এর সাহায্য নিয়েছিলাম । আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট এর সব কাজ সহজে হয়ে যায়। সমস্যা বাধে আমার বাচ্চাদের বেলায়, যেহেতু আমি কোনও দালাল এর সাহায্য নিনাই । তারা আমার একটা ৩ বছরের একটা ৩ মাসের বাচ্চাকে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ পর্যন্ত ওয়েট করিয়ে রাখে । ওদের অফিস বন্ধ হওয়ার শেষ মুহূর্তে জানায় যে তাদের ছবি নতুন লাগবে । শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট হয়ছে । কিন্তু এরকম ছোট বাচ্চাদের সারাদিন ওয়েট করিয়ে রাখা অমানবিক।
Dalal chara nijei DL korte jeye shob exam e pass koreo fail kore dise.
টাকা চেয়েছিলো আমি দেইনি অনেক কাগজ চেয়েছিলো অনেক দিন ঘুরিয়েছে আমি তাও নিজে নিজেই করেছি।
Ami taka diyeci. Guess what the work was done
amar birth certificate e registration date ta online e uthay nai jar karone ami bristh certificate correction korte pari nai...to ei kaj er jonno jokhon ami pouroshovay gesi amk first e onara 7 din ghuraise.. Tarpor amk bole j table er niche diya kaj koraite hobe..tokhon 8k charge kore amk...amr eto tk nai...to pore ami oi pouroshovar arek dalal dhorsi 2 k disi ei porjonto boltase kaj koira dibe...ki r bolbo amdr desh er kotha.... Rohinga ra mayanmar theke aisha nid ow paiya jay...r amr birth certificate ami ekhno pailam na...hayre amdr shonar desh...totally fed up with this country and this corruption system
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমার সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পর ও আমি সহ আরো অনেকের থেকে নাম কিংবা ঠিকানা ঠিক করার নাম করে ২০০০-১০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। অনেকের থেকে টাকা নিয়েছেও। টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দেয় না।
ঘটনা আমার সাথে ঘটে নি। আমার এলাকার এক ছোট ভাই পুলিশে আছে, এসআই। সে ছাত্রলীগ কোটায় পুলিশে জয়েন করেছিল। ৫ অগাস্টের পর সে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পোস্টেড হয়। দুই বছর পরেই সে নিজ এলাকায় নিজের পছন্দসই পোস্টিং নিয়ে চলে যায়। কিভাবে জানেন? তার নিজের উর্ধতন কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে। এখনো তাদের বদলি ঘুষ এর বিনিময়ে ঠিক হয়। এই বাংলাদেশ নিয়ে আপনি ভালো কি আশা করতে পারেন?
রেকর্ডে জমির পরিমাণ ভুল লিপিবদ্ধ করেছিল অফিসের করণিক। সেই ভুল সংশোধনের জন্য সরকারি খরচের উপরে ১২০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছিল। ঘুষ না দেওয়ায় কেস নাম্বার কিংবা কোন সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করা হচ্ছিল না।
গত ১৬/০৮/২০২৬ তারিখে আমি রংপুর সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির দলিলের নকল তুলতে যাই। অফিসের তিন তলায় কে অফিসার আর কে দালাল বোঝার কোনো উপায় ছিল না। একজন অপরিচিত ব্যক্তি এসে কাজের কথা জিজ্ঞেস করে, দলিল নম্বর ও সাল নেয় এবং ১৬০০ টাকা ফি দাবি করে। আমার কাছে ৮০০ টাকা নগদ ছিল, বাকি ৮১৬ টাকা তার বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলে। আমি সরল বিশ্বাসে টাকা পাঠাই, কিন্তু কাজ হয়নি।
আমি নিজে থেকে আবেদন করেছিলাম, সরকারি ফি আমি দিয়েছি এবং যে সকল ডকুমেন্টস সাথে রাখতে হবে আমি সকল কিছু নিয়েছি । আমি যখন লাইনে দাড়িয়ে সিরিয়াল মেইনটেইন করে ৩ ঘন্টা লাগিয়ে কাউন্টারে গেলাম আমাকে জানানো হলো যে আমার চেয়ারম্যান এর সার্টিফিকেট লাগবে কিন্তু কোথাও ম্যানশন করা নেই চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর কথা। আমি যেহেতু চাকরিজীবী পেশা দিয়ে আবেদন করেছিলাম আমি আমার অফিসের এনওসি ও আইডি কার্ড নিয়েছিলাম । তখন কাউন্টার থেকে একজন বলে পাশে দাড়িয়ে থাকা আনসার কর্মির সাথে কথা বলতে । আমি কথা বলতে গেলাম আমার থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করা হলো এবং জানানো হলো যে ৩ হাজার টাকা দিলে আমার আর কিছু লাগবে না।
চট্টগ্রাম রেলওয়ের বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলীর (লোকো) দপ্তরে কর্মরত একজন লোকোমাস্টার কাজ করে, যার কাছে এপিপি অনুযায়ী আইটেম বেসিস কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা দিবে এই মর্মে উক্ত টাকা দাবী করে।
SI নাকি টাকা ছাড়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে না, আমি নিজে টাকা দিতে না পেরে, কিস্তি দিয়ে ফোন নিছি, তার দাম ছিল ১৪,০০০ হাজার টাকা। এখন নাকি এই ফোন উদ্ধার করতে লাগবে ২০০০ টাকা, কিন্তু ওরা নাকি এটা শিউর না যে, টাকা দেওয়ার পরেও ফোন উদ্ধার করতে পারবে। মগের মুল্লুক নাকি। পরে আল্লাহ ওয়াস্তে ফোনের মায়া ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।
অনলাইনে আবেদন করতে হয় এবং ফ্রি। কিন্তু কাজ হয় না। DBID অফিসে গেলে অনেক দালাল পাওয়া যায় যারা ১৫ হাজার টাকায় ১ দিনের মধ্যে করায় দিবে বলে।
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন এর আবেদন আমি নিজে করেছি,শোরুমের মাধ্যমে করালে সেখান থেকে বি আর টি একটা খরচ পায় যেহেতু আমি নিযে করছি তাই তারা টাকাটা পাচ্ছেনা বিদায় আমাকে গুরাচ্ছে ৩ দিন গিয়ে কোন সমস্যা বের করতে পারলাম না এখনো প্রাইমারি এপ্রোভ দেয় নাই।
আমার জমির দলিল এ নাম ভুল ছিল। এখন কোর্ট থেকে রায় দিছে আমার পক্ষে। এখন নাম পরিবর্তন করতে ১২০০০৳ লাগবে